পুঁজিবাজার বিপর্যয় : মুহিতের ভুল স্বীকার

অবশেষে দায় স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। স্বীকার করলেন পূঁজিবাজারে কলংকজনক বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে সরকারের ভুল, রয়েছে অর্থমন্ত্রীর ব্যর্থতা, রয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার ব্যর্থতা। অভিনন্দন মুহিত, অন্তত দায় স্বীকার করার মতো সৌজন্য দেখিয়েছেন।

Continue reading “পুঁজিবাজার বিপর্যয় : মুহিতের ভুল স্বীকার”

ব্যাপক দরপতনের আশংকায় পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ

বিগত ১ মাসের গ্রাফ (১৯ ডিসেম্বর ২০১০ থেকে ১৮ জানুয়ারী ২০১১)
বিগত ১ বছরের গ্রাফ ( ১৯ জানুয়ারী ২০১০ থেকে ১৮ জানুয়ারী ২০১১)

ব্যাপক দরপতনের আশংকায় পুঁজিবাজারে লেনদেন বেলা দেড়টার দিকে বন্ধ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ২৪৩ পয়েন্ট সূচকেরও বেশী পতন হওয়ায় আরো দরপতন ঠেকাতে লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে

Don’t Expect Overnight Gain” ঠিক জুয়াড়িদের ভাষায় শেয়ার বাজার ধ্বংসের মন্ত্র উচ্চারণ করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এবং কি আশ্চর্য, রাত পেরিয়ে সকাল হতে না হতেই জাতি প্রত্যক্ষ করল আসলেই overnight gain পরিণত হয়েছে nightmare এ।  পুঁজিবাজারের বিপর্যয়ের এই কঠিন সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ কারীদের আশা ছিল অর্থমন্ত্রীর অর্থপূর্ণ কোন সিদ্ধান্তে পাল্টে যাবে শেয়ারবাজারের চিত্র, পতনের গতি রুদ্ধ করে আবার শেয়ার বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নেবেন সফল সিদ্ধান্ত।  কিন্তু তিনি পুরো জাতিকে হতাশ করে পুঁজিবাজারের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়ে দিলেন। একই সাথে ছোটখাট যে জুয়ারিরা তখনো বাজারে ছিল তাদেরও সতর্ক করে তুলে নিলেন, “Hurry up! Its time!”. Continue reading “অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে”

পুঁজিবাজারে ধস। ৫০ মিনিটে ৬৬০ সূচকের পতন। ডিএসই বন্ধ

মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আপনার যথেষ্ট বয়স হয়েছে, আপনি ক্লান্ত, বিপর্যস্ত।
আল্লাহর ওয়াস্তে এবার থামুন, অবসর নিন।
শেয়ারবাজারটাকে ধরে রাখতে পারলেন না, অন্তত ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করুন।
মন্দের ভালো এই হবে যে, ব্যর্থতায় পদত্যাগের একটু নতুন ধারা সুচনার জন্য অন্তত স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

Continue reading “পুঁজিবাজারে ধস। ৫০ মিনিটে ৬৬০ সূচকের পতন। ডিএসই বন্ধ”

গ্রীন ব্যাংকিং চালু করছে ইসলামী ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ব প্রথম ইসলামী শরী’আহ ভিত্তিক ব্যাংক। কল্যাণমুখী ব্যাংকিং ধারার প্রবর্তক এ ব্যাংকটি শুরু থেকেই গ্রীন ব্যাংকিং পরিচালনা করে আসছে যদিও ইদানিং গ্রীন ব্যাংকিং শব্দটি বেশী বেশী আলোচিত হওয়ায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের ২০১১ সালের স্লোগানে (2011: year of welfare & green banking)  গ্রীন ব্যাংকিং ধারণাটিকে স্থান দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ধারণাটাই গ্রীন ব্যাংকিংয়ের পরিপূরক। তবে নৈতিকতাকে যদি হিসেবে আনা না হয় তবে প্রকৃতিবান্ধব ব্যাংকিং ব্যবস্থাকেই গ্রীন ব্যাংকিং বলা হয় এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সম্ভবত ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ধারণার সাথে পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিংকে আরো বেশী গুরুত্ব দিয়ে এ সেশনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে যাচ্ছে বিধায় ২০১১ সালের শ্লোগানে গ্রীন ব্যাংকিং ধারণাটিকে যুক্ত করা হয়েছে।

Continue reading “গ্রীন ব্যাংকিং চালু করছে ইসলামী ব্যাংক”

পতনের ধ্বনি শুনতে কি পাও?

হঠাৎ করেই বাসা থেকে ফোন আসে। বউয়ের ফোন। মারাত্মক কোন সংবাদ না থাকলে আমাকে অফিসে ফোন করা নিষেধ, জানা আছে ওর। তারপরও ফোন! অজানা আশংকায় বুকটা দুরু দুরু করে ওঠে, কারো কোন বিপদ হয় নি তো? বাবুটা সুস্থ্য আছে তো,  মা-বাবা?
: আসসালামু আলাইকুম, কি খবর?
: ওয়ালাইকুম আসসালাম। একটা কথা জিজ্ঞেস করবো, রাগ করবে না তো?
ওপারে বউয়ের কথা শুনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। না, কোন বিপদ নয়, প্রশ্নের জবাব দিতে হবে মাত্র। কিন্তু কি প্রশ্ন?
: এমন প্রশ্ন কেন করবে, যা শুনে রেগে যেতে হবে? Continue reading “পতনের ধ্বনি শুনতে কি পাও?”

রমজানের শিক্ষায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হোক

খুব চমকপ্রদ একটি খবর বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়। ভাবতে অবাক লাগে বাংলাদেশে ২৩ হাজারেরও বেশী বৈধ কোটিপতি রয়েছেন, অন্তত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব সে কথারই স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কোটিপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭ জন। নামে বেনামে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবধারীদের প্রকৃত সংখ্যাটি প্রকাশিত হলে নিঃসন্দেহে কোটিপতিদের সংখ্যা অরো অনেক বেড়ে যাবে। ফকির-মিসকিনের দেশ বলে যারা এতদিন বাংলাদেশীদের ক্ষেপাতো তাদেরকে অন্তত এ সংবাদটি দেখিয়ে কিছুটা হলেও গর্ব করা যেতে পারে। অবশ্য যারা ইতোমধ্যেই গর্বে বুক ফুলিয়ে ফেলেছেন তাদের জন্য একটি দুঃসংবাদ আছে। দেশের অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি আন্ত:মন্ত্রনালয়ের এক মিটিংয়ে বাংলাদেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা ৭ লাখ বলে তথ্য প্রকাশ করেন, অর্থাৎ প্রতি দু’শ জনে একজন করে ভিক্ষুকের বাস এ দেশে। কি আশ্চর্য, দু’শ লোক মিলেও একজন ভিক্ষুকের ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে পারছি না আমরা। মড়ার উপরে খাড়ার ঘা হিসেবে আরো দুঃসংবাদ আছে বাংলাদেশের জন্য। দেশে ৫ কোটি কর্মক্ষম লোকই বেকার অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৪০% বেকারত্বের অভিষাপ নিয়ে বসে আছে। বলাই বাহুল্য ‘৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে দেশে পুঁজিবাদ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় স্পষ্ট, দেশে বিদ্যুৎগতিতে ধনী ও দরিদ্রের মাঝে বৈষম্য বাড়ছে এবং সমাজের চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীটি ধীরে ধীরে এ দু’শ্রেণীর মাঝে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। Continue reading “রমজানের শিক্ষায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হোক”

শ্রমিক অসন্তোষ : শেষ কোথায়?

২০০৯ সনের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহে নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। প্রাথমিক তদন্তে বিডিআর বিদ্রোহের কারন আর্থিক দাবীদাওয়া ও সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি সাধারণ সৈনিকদের নেতিবাচক মনোভাবকে দায়ী করা হয়। বিদ্রোহীরা প্রধানমন্ত্রীর দাবীদাওয়া নিয়ে দেখা করলে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে দাবী মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন এবং সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। এখনো এ বিদ্রোহ মামলার শুনানী চলছে, চলছে বিচার, দোষী সাব্যস্ত হচ্ছে বিডিআর জওয়ান,  আইনে নির্ধারিত সর্বোচ্চ সাজা পাচ্ছেন কেউ কেউ। যে অপরাধ বিডিআর বিদ্রোহীরা করেছিল সেদিন, এসব শাস্তি তাদের অপরাধের তুলনায় নিতান্তই তুচ্ছ। কিন্তু ভাইয়ে ভাইয়ে এতবড় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে আমরা কিছুই শিক্ষা গ্রহণ করলাম না। শিখলাম না যে নায্য দাবী দাওয়া মানা না হলে তার পরিণতি কত ভয়ংকর হতে পারে। অনেকেই এর সাথে বিদেশী ষড়যন্ত্রের কথা বলেছেন। অথচ একবারও আমরা এ কথা ভাবছিনা কিভাবে শত্রুরা আমাদের ঘরে ঢুকে আমাদের ভাইয়ের হাত দিয়েই আমাদের খুন করছে। একবারও চিন্তা করছি না যে শাস্তিই সমাধান নয় বরং এ ধরণের বেপরোয়া হত্যাযজ্ঞে উস্কে দেয়া সমস্যাগুলো আগে সমাধান করা প্রয়োজন। Continue reading “শ্রমিক অসন্তোষ : শেষ কোথায়?”

ইসলামী ব্যাংকের টাকায় আইন প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক বাড়ি

ইসলামী ব্যাংকের টাকায় আইন প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক বাড়ি : ইসলামী ব্যাংক
জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের অর্থ ও পৃষ্ঠপোষকতা দেয়
: কামরুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার -দৈনিক আমার দেশ (২ জুন প্রকাশিত হতো)
ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের পারিবারিক বাড়ি। কামরুল ইসলামের বড় ভাই হাকিম হাফেজ আজিজুল ইসলামের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকার ৪৮/১, আজগর লেনের পুরাতন বাড়ি ভেঙে নতুন ৫ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের পরিবার এখনও ইসলামী ব্যাংকের চকমোগলটুলি শাখায় লেনদেন অব্যাহত রেখেছেন। এদিকে আইন প্রতিমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেনকারীদের ব্যাপারে একাধিক আলোচনা ও জনসভায় বলেছেন, ‘ইসলামী ব্যাংক জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়ন করে। সরকারের কাছে খবর আছে, জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য ইসলামী ব্যাংক দেশে-বিদেশে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করছে।’ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের পরিবার সম্পর্কে এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

Continue reading “ইসলামী ব্যাংকের টাকায় আইন প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক বাড়ি”