কি মজা! আজ আপেল খাবো

:কত?
ক্লান্ত-শ্রান্ত শীর্ণকায় বুড়ি ফলের দোকানীর কাছে প্রশ্ন রাখে।
চৈত্রের প্রখর দৌদ্রতাপে ঝিমিয়ে পড়া লাউয়ের ডগার মতো নেতানো শরীর। ফেলে আসা তিন কুড়ি বছরের স্বাী দিচ্ছে কপালের বলিরেখাগুলো।
গুলিস্তান মোড়ের ফুটপাতে ফল বিক্রেতার ঝুড়িতে কতগুলো পঁচন ধরা আপেল দেখে তার মনে পড়ে যায় মা-বাপ মরা নাতিটার কথা। কয়েকদিন ধরে শুধু আপেলের গল্পই করছে ছেলেটা।
:একদাম পঞ্চাশ টাকা, দামাদামি করলে নাই। নির্লিত জবাব দোকানীর। Continue reading “কি মজা! আজ আপেল খাবো”

হরতাল প্রতিরোধে গণভোট চাই

লজ্জা শব্দের সাথে পরিচয় নেই এমন বেহায়া পৃথিবীতে আজো পয়দা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। কারো লজ্জা কম, কেউ হয়তো লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে রাস্তাঘাটে নেংটো হয়ে হাটে, সবাই তাকে পাগল বলে ক্ষেপায়। আবার কেউ হয়তো লজ্জার সীমা ছাড়িয়ে পেঁচার মতো মুখ লুকিয়ে অন্ধকারে জীবন কাটিয়ে দেয়। আবার কেউ কেউ লজ্জার অর্থই বুঝে না, কখন লজ্জা পেতে হয় আর কখন লজ্জাকে ঝেড়ে ফেলতে হয় সে হিসেব কষতে জানে না। অনেক লাজুক মেয়ে আছে কোন পুরুষ হাত ধরলে লজ্জায় আর না বলতে পারে না, ধর্ষিতা হয়েও লজ্জায় কারো কাছে মুখফুটে বলতে পারে না, পরবর্তী লজ্জা যে আরো ভয়ংকর তা বুঝতে পারে না। Continue reading “হরতাল প্রতিরোধে গণভোট চাই”

প্রবাস জীবন

শুধু অজানাকে জানার আর অচেনাকে চেনা নয়, জীবিকা ও জীবনের তাগিদে, সোনালী স্বপ্নের হাতছানিতে সাত সমুদ্দুর তের নদী পারি দিয়ে বাঙ্গালী ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর প্রতিটি কোনে।

আহা! কতদিন দেখিনি আমার মমতাময়ী মায়ের পবিত্র মুখখানি, কতদিন ছোট বোনটিকে আদর করা হয় না।

বিদায়ের আগে সখিনার কাজল কালো চোখের জল আমাকে এক মূহুর্তও স্বস্তি দেয় নি এ স্বপ্নের প্রবাসে। সখিনার লজ্জারাখা মুখখানা কবে যে হাসির ঝর্নাধারায় ভরিয়ে দিতে পারব তারই প্রহর গুনি।

ওকি গাড়িয়াল ভাই, কত রব আমি পন্থের পানে, চাইয়া”।-পথ চেয়ে আছে মমতাময়ী মা, বাবা, ছোট বোন, ভাই, সবার আডালে লুকিয়ে লুকিয়ে কেঁদে চলেছে সখিনা।

বরিশাইল্যা

কাজল ভাই আর আমি এক হলে আলোচনা জমে ভালো। দু’জনই আঞ্চলিকতার ঘোর বিরোধী। কাজল ভাই নোয়াখালীর ছেলে হয়েও কখনো নোয়াখালী নিয়ে গর্ব করেন না, আমি বরিশাইল্যা বলে পরিচয় দিতেও কোন লজ্জা বোধ করি না। তাই কোন মজলিসে আঞ্চলিকতা নিয়ে আলোচনা শুরু হলে আমি বরিশালের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করি, কাজল ভাই করেন নোয়াখালী। আলাচনা যখন উত্তেজনায় রূপ নেয় তখন আমি হেসে বলি, ভাই, ভালো বলেন, মন্দ বলেন, দেশে জেলা বলতে তো ঐ দুটোই, বরিশাল আর নোয়াখালী। এতে কিছুটা কাজ হয়, পরিবেশটা হালকা হয়, কিন্তু সমাধান হয় না।
এস.এস.সি পাশের পূর্বে বরিশাইল্যা বলে কোন শব্দের সাথে পরিচয় ছিল না। লেখাপড়ার সূত্রে বরিশাল অঞ্চল ছাড়ার পর প্রতি পদে পদে আমাকে বরিশাইল্যা আর নোনা কাটা গালি হজম করতে হয়েছে। ইচ্ছে করলে আমি বরিশালের পক্ষে একগাদা দলিল পেশ করে বরিশালের গুণকৃর্ত্তন করতে পারতাম। বলতে পারতাম জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলাকে গান্ধীজী ‘সদা জাগ্রত বরিশাল’ বলে সম্বোধন করতেন, কিন্তু তাতেই কি সমাধান হতো। Continue reading “বরিশাইল্যা”

গর্জে ওঠো আত্মভোলা বাঘের বাচ্চারা

গরীব ঘরে জন্মালে যা হয় তা-ই ঘটেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বেলায়। গরীবের মাঝে থাকে হীনমন্যতা, ভয়, সংশয়। যে কোন কাজের শুরুতেই সে ভাবে এটা আমাদের মতো গরীরের পক্ষে সম্ভব নয়। গরীর ঘরের কোন সন্তানকে স্কুলে দিলেও বেশিদূর পড়ালেখা করার সুযোগ পায় না। বাবা-মা বলেন কি হবে পড়ালেখা করে, ছেলে তো আর জজ ব্যারিস্টার হবে না। মেয়ে হলে তো স্কুল পর্যন্তও যাওয়া সকল ক্ষেত্রে হয়তো হয়েও ওঠে না। Continue reading “গর্জে ওঠো আত্মভোলা বাঘের বাচ্চারা”

হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, সাড়া দাও………..

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দূর্ণীতিগ্রস্থ দেশ হিসেবে বদনাম কুড়িয়েছে। সন্ত্রাস, হত্যা, ধর্ষণ প্রভৃতি আমাদেরকে বারবার বিশ্ব দরবারে লজ্জিত করেছে। আমরা সবাই ভাবি, বাংলাদেশকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। কেউ কেউ তো বাংলাদেশে জন্মেছে বলে বিধাতাকেই দুষতে থাকে।
কিন্তু আমরা একবারও দেখিনা ঘোর কালো অমাণিশা ভেদ করে সুবেহ সাদেকের আভা পূর্বাকাসে ক্রমশ উজ্জল হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশী মানুষ প্রকৃতই কি অপরাধপ্রবন? যারা এদেশের মাটি ও মানুষকে কাছে থেকে দেখেছে, তারা কোন ক্রমেই এ মতের সাথে একাত্ম হতে পারে না। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ধানসিঁড়িসহ অসংখ্য নদ-নদী বিধৌত আমাদের এ সোনার দেশটির নরম মাটির মতো নদীপাড়ের চৌদ্দকোটি জনতার হৃদয়ও মততা মাখা। এদেশের মানুষকে একবার যদি কেউ পথের সন্ধান দেয় তবে গন্তব্যে পৌঁছতে তাকে আর অন্ধের মতো হাত ধরে নিয়ে যেতে হয় না।
এইতো কিছুদিন আগেও আমাদের ভদ্র অভদ্র সবাই কুস্তিকরে বাসের যাত্রী হতাম। আজ কি আর অমন দৃশ্য চোখে পড়ে? আজ ঢাকার প্রতিটি রাস্তায় বাসের জন্য অপেক্ষমান যাত্রীদের সুশৃংখল লাইন। যেখানে লাইনে দাড়ানোর জন্য কোন নিয়ম বেধে দেয়া হয় নি, সেখানেও কিছু লোক জড়ো হলে সারিবদ্ধভাবে দাড়ায়।
আসলে আমাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়ার লোকের অভাব বলেই আমরা পথ চলতে পারি না।
সেদিনের কথা কি কেউ ভুলতে পারবে, যেদিন একটি অসহায় কিশোরের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিল দেশের হাজার হাজার মানুষ। শত চেষ্টা করেও আমরা অমিতকে বাঁচাতে পারি নি, তবু অমিত আমাদের হৃদয়ের গহীনে নীরবে বয়ে চলা ভালবাসার নদীটির সন্ধান দিয়েছে তাকি আমাদেরকে সামনে এগিয়ে যেতে উদ্্বুদ্ধ করে না?
আমি দিনগুনি। জানি সোনালী দিনটির অপেক্ষায় রয়েছে দেশের চৌদ্দকোটি জনতা। তবু সে দিন কি আসবে না? সেই সোনালী দিনে জন্য, সেই হ্যামিলনের বাশিওয়ালার জন্য পথ চেয়ে আছি? বাশরিয়া সাড়া দাও।

জাতীয় সঙ্গীত

গান শুনতে আমার বেশ লাগে৷ যখনই একটু আধটু অবসর পাই তখনই হারিয়ে যাই গানের মোহনীয় ভূবনে৷ সব গানই যে আমার ভালো লাগে তা নয়৷ লালনসহ বেশ কিছু গান আমার হৃদয় ছুঁয়ে যায়৷

কিন্তু সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে আমার দেশের জাতীয় সঙ্গীত। আমার সোনার বাংলা ………… ধ্বনি শোনার সাথে সাথে কেন যে হৃদয়টা ভারী হয়ে ওঠে, চোখের কোনে অজান্তেই জড়ো হয় ফোটা ফোটা ভালোবাসা৷ আমি বুঝতে পারি আমি বাংলাদেশী, বাংলাদেশ আমার প্রাণ, তাই আমার প্রাণের একতারাতে অনুনাদ সৃষ্টি করে আমার দেশের জাতীয় সঙ্গীত৷এ অনুনাদ কি পারবে না ট্রাকোমা ন্যারোজের মতো নিশ্চিহ্ন করতে যাবতীয় অন্যায়, অসত্য আর অন্ধকার?

মুক্তিযুদ্ধ ও আমার ভাবনা

আমার জন্ম স্বাধীনতার অনেক পরে। স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদানের কোন সুযোগ হয়নি, দেখার সুযোগ হয়নি, তাই এ যুদ্ধ নিয়ে বড় বড় মন্তব্য করার ধৃষ্টতাও আমার নেই। আসলে সময়ই সব কিছুর প্রকৃত সাক্ষী। কে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কে রাজাকার, কে সত্যের সৈনিক, কে অসুরের দোসর তা সঠিক ভাবে নিরুপনের সময় আমার মনে হয় আমরা পার করে এসেছি। এখন আমরা এ নিয়ে যতই গবেষণা করিনা কেন সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। একজন মানুষ কেবল মাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেই সকল সুযোগ -সুবিধা পাবে, ধরাছোঁয়ার উর্ধে থাকবে, আর একজন মানুষ রাজাকারের সন্তান হওয়ার পরও সে যদি এদেশের প্রতি অনুগত হয়, এদেশকে তার নিজের দেশ মনে করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করে তবুও তাকে দূরে ঠেলে দেব, তা আমার কাছে সামপ্রদায়িকতা বলেই মনে হয়। আমরা যারা স্বাধীনতার পরে জন্ম নিয়েছি, আমাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নেই। আমাদের কাছে যে ইতিহাস রয়েছে তা পারস্পরিক সাংঘর্ষিক। তাই আমি এ টুকুই বুঝি যে, এদেশে স্বাধীনতার জন্য, বৈদেশিকে শোষনের হাত থেকে মুক্তির জন্য, একটি মহান যুদ্ধ হয়েছিল ১৯৭১ সালে। সে যুদ্ধে আমরা শত্রুদের পরাজিত করে স্বাধীনতা সোনালী সূর্য ছিনিয়ে এনেছি। আমাদের দায়িত্ব এখন এ দেশকে গড়া ও এদেশের স্বাধীনতাকে সম্মানের সাথে রক্ষা করা। ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি না। আমাদের ইতিহাস হচ্ছে আমরা অতীন নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে আমাদের পান্ডিত্য জাহির করতে ভালোবাসি। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা যারা তরুন তাদের বর্তমান নিয়ে বেশি ভাবা উচিত। বর্তমানে কারা দেশের উন্নয়নে অন্তরায়, কারা অশান্তি সৃষ্টিকারী তাদেরকে চিহ্নিত করা। অতীতের রাজাকারদের আমরা স্পষ্ট করে, সঠিকভাবে নাও চিনতে পারি কিন্তু বর্তমানে যে বা যারা দেশের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদেরকে তো আমরা ইচ্ছে করলেই চিনতে পারবো। আর সর্বোপরি , “কেউ না করুক, আমি করবো কাজ” এই থিউরিতে বিশ্বাসী হয়ে আসুন আমরা আমাদের স্ব স্ব অবস্থানে থেকে দেশের জন্য কাজ করি, না পারলে অন্তত এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকি যা দেশের জন্য ক্ষতিকর, সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে

নিম্ন আয়ের সংসার রহিমউদ্দিনের । সদস্য সংখ্যা তের। পরিবারের সদস্যের তুলনায় তাদের ছোট্ট কুড়ে ঘরটি নিতান্তই অকিঞ্চিতকর। ওদের আর্থিক অবস্থাও তথৈবচ। নুন আনতে পানতা ফুরোয় অবস্থা। সারাদিন পারিবারিক অশান্তি লেগেই আছে ওখানে। বউয়ের “ভাত দিবার পারোস না তয় ভাতার হইছো ক্যান” জাতীয় কথায় গৃহকর্তার ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা। সময়ে অসময়ে ঝগড়া-ঝাটি হলে বাড়ির বউ ইনিয়ে বিনিয়ে নাকের জল, চোখের জল একাকার করে নালিশ করে আসে পাশের বাড়ীর দাদা ঠাকুরের কাছে। শোনা যায় দাদাঠাকুরের সাথে তার কেমন যেন একটু ঠাট্টার সম্পর্কও রয়েছে। অল্প কিছু উর্বরা জমি রয়েছে রহিমউদ্দিনের। ধরা যাক রবি ঠাকুরের কথামতো “শুধু বিঘে দুই”। গরীব হলেও এদের রয়েছে বেশ কিছু খনিজ সম্পদ, যদিও তা উত্তোলনের মতো কলাকৌশল বা অর্থ তাদের নেই। কিন্তু এই দুই বিঘে জমির সে বাড়ীর একপাশে প্রমত্তা নদী। অন্যপাশগুলোতে রয়েছে সাতাশ পরিবারের ১০০ সদস্যের বিশাল বাড়ি। ধরাযাক উচ্চ বংশীয় ঠাকুর বাড়ী। অনেকদিন থেকেই ঠাকুর বাড়ীর দাদা ঠাকুরের নজর পড়েছে ঐ দুই বিঘে  জমির উপর। তার বিশাল বাড়ির এপাশ থেকে ওপাশে যেতে সর্টকার্ট রাস্তাটা বের করা খুবই দরকার। তাই ও জমি তার চাই-ই। তাছাড়া জমিটা যে রকম উর্বরা তাতে ও জমিটা হাতে এলে আয়েশ করেই দিন গুজরান করা যায়। যে খনিজ সম্পদগুলো অযত্নে অবহেলায় পরে আছে তা দিয়ে রাতারাতি সম্পদের কুমির হওয়াও যাবে। এছাড়া ও বাড়ির মেয়েগুলোও হৃদয় কাঁপানো সুন্দরী। তাই দাদাঠাকুরের এখন ও দু বিঘে জমি না হলেই নয়। ইতোমধ্যেই ও বাড়ীর দু’একজনকে তিনি হাত করে নিয়েছেন বিভিন্ন পুঁজো পার্বনে এটা-ওটা উপহার দিয়ে। তাছাড়া বাড়ীর বউতো তাকে পেলে জান-কোরবান হয়ে যান। এরকম মুহুর্তে দাদাঠাকুর যদি জমিটুকু গ্রাস করার জন্য নিয়মিত হুমকি ধামকি দিতে থাকে বেচারা রহিমউদ্দিন কে, তো তখন তার কিইবা করার থাকে। সে পারেনা এলাকার মাতুব্বরের কাছে নালিশ দিতে কারন মাতুব্বরতো দাদাঠাকুরেরই উচ্ছিষ্টভোজী। Continue reading “খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে”

হুমকির মুখে বাংলাদেশ

“তেত্রিশ বছর কেটে গেল, কেউ কথা রাখেনি”। কেউ কথা রাখে না। স্বাধীনতার তেত্রিশ বছরে ক্ষমতার পালা বদল হয়েছে বারে বার। এসেছে বাকশাল, এসেছে স্বৈরাচার, ’৯০-এর গণঅদ্ভুত্থানের পর এসেছে অস্থিতিশীল গণতন্ত্র।  কথার ফুলঝুরিতে সুখী-সমৃদ্ধশালী শান্তির নীড় রচনার স্বপ্নে বিভোর হয়েছে বাংলাদেশের হৃদয়। প্রতিবারই প্রতারিত হয়েছে এদেশের সাধারণ মানুষ, সোনালী স্বপ্নগুলো দুঃস্বপ্ন হয়ে বিষাক্ত ছোবল হেনেছে হৃদয়ের গভীরে। এখন দেশের মানুষ ভুলে গেছে স্বপ্ন দেখতে। এখন প্রভাতে সূর্য ওঠে অনিশ্চিত জীবনের বিভীষিকা নিয়ে। Continue reading “হুমকির মুখে বাংলাদেশ”