আদম আলী মাস্টারের সংসার

ভরদুপুরটাকে মাথায় নিয়ে বাসায় ফেরেন আদম আলী। সঙ্গে আবার কোত্থেকে জুটিয়েছেন সুটেড বুটেড এক ভদ্রলোককে। দেখেই মেজাজটা খারাপ হয়ে যায় লাকীর মা’র। নিজের আক্কেল বুদ্ধি এখনও পাকে নাই, হাজার হাজার পোলাপান মানুষ করে কেমনে খয়রাইত্যা মাস্টারে?

লাকীর মা। আদম আলীর স্ত্রী। বিয়ের আগে একটা নামও ছিল, স্কুলের সখীরা আহাদ করে নামের সাথে লেজও জুড়ে দিত কিন্তু লাকীর জন্মের পর সে নাম কোন আস্তাকুড়ে যে হারিয়ে গেছে তার আর কোন খোঁজ নেই। স্কুলের গন্ডি পেরোনোর আগেই বিয়ে হয়ে যায় দশগ্রাম দূরের এক বেসরকারী কলেজ মাস্টার আদম আলীর সাথে। বিয়েতে অবশ্য তার কোন আপত্তি ছিল না বরং এক মাস্টারের সাথে বিয়ে হবে এমন স্বপ্ন দেখতেই তার ভালো লাগতো। Continue reading “আদম আলী মাস্টারের সংসার”

কি মজা! আজ আপেল খাবো

:কত?
ক্লান্ত-শ্রান্ত শীর্ণকায় বুড়ি ফলের দোকানীর কাছে প্রশ্ন রাখে।
চৈত্রের প্রখর দৌদ্রতাপে ঝিমিয়ে পড়া লাউয়ের ডগার মতো নেতানো শরীর। ফেলে আসা তিন কুড়ি বছরের স্বাী দিচ্ছে কপালের বলিরেখাগুলো।
গুলিস্তান মোড়ের ফুটপাতে ফল বিক্রেতার ঝুড়িতে কতগুলো পঁচন ধরা আপেল দেখে তার মনে পড়ে যায় মা-বাপ মরা নাতিটার কথা। কয়েকদিন ধরে শুধু আপেলের গল্পই করছে ছেলেটা।
:একদাম পঞ্চাশ টাকা, দামাদামি করলে নাই। নির্লিত জবাব দোকানীর। Continue reading “কি মজা! আজ আপেল খাবো”