তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু : সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়

সুখে থাকলে ভুতে কিলায় বলে একটা কথা চালু আছে সমাজে। এখন তো দেখি সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়। না, দেশ ঠিক সুখে ছিল বলা যাবে না বরং তীব্র অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার মতো একবুক জ্বালা নিয়ে থমকে ছিল। তবে আদালতের অযাচিত হস্তক্ষেপে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ উত্তপ্ত কড়াই থেকে সরাসরি দোযখে পতিত হলো। আদালতের রায় শিরোধার্য, আর তাই আদালতের রায় মেনে বাংলাদেশের শিরচ্ছেদ করার মহাযজ্ঞ শুরু হলো। যেন মানুষ নয়, পৃথিবীতে টিকে থাকার একমাত্র অধিকার আইন-আদালতের। হাতুড়ে ডাক্তারের মতো যে কোন সমস্যার এক দাওয়াই, আদালত নামের মহাতীৎকুটে কুইনাইন। আরোগ্য হলে তো ভালো, না হলে মরুক গিয়ে, জনসংখ্যার ভারে ভারাক্রান্ত বাংলাদেশ জঞ্জাল মুক্ত হলো, এটাই যেন বড় পাওয়া। অথচ “প্রয়োজনের কারণে আইনসম্মত এবং জনগণের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন”, সুপ্রাচীনকাল ধরে চলে আসা নীতিমালা ভুলতে বসেছে আদালত। একবারও ওরা ভেবে দেখে না, আইন-কানুন মানুষের কল্যাণেই। যে আইনে মানুষের অকল্যাণ সে তো আইন নয়, অভিশাপ; অবশ্যই তা পরিত্যাজ্য। Continue reading “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু : সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়”

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বীয় দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করায় দেশের আপামর জনতা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, দেশ পেয়েছে অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ খুশী হলেও জনবিচ্ছিন্ন কিছু অসাধারণ মানুষেরা, মগজের ভারে যারা চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলেছে তারা রাষ্ট্রপতির এ মহতি উদ্যোগকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলে অভিহিত করেছেন। Continue reading “নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার”