আওয়ামী জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে জামায়াতের হরতাল সফল হোক

‘ডিসেম্বরে হরতালের কথা কি প্রধানমন্ত্রী ভুলে গেছেন? আমাদের আন্দোলন  এ দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়রে জন্য। আর ডিসেম্বর হলো আন্দোলন- সংগ্রামের মাস। আর এ মাসেই আন্দোলন সফল করা হবে। রাজনৈতিক  হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াতের সমাবেশ নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। সমাবেশের জন্য জামায়াত ২৯ তারিখ অনুমতি চাইলেও তিনি বলেছেন অনুমতি চাওয়া হয়নি। আসলে সমাবেশটি বানচালের  উদ্দেশ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ধরনের মিথ্যাচার করছেন।”-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

“স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে ভাষায় কথা বলছেন, তা গণতন্ত্রের ভাষা নয়। তার ভাষা বাকশালী ভাষাকেও হার মানিয়েছে। বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের লেবাসে বাকশালী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে। জামায়াত একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। সভা-সমাবেশ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন এ সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। অন্যদিকে বিএনপি রাজপথ অবরোধের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একে বেআইনি বলে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং এ সরকারকে গণতান্ত্রিক সরকার বলা যায় না।” –বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

আওয়ামী লগ বুঝতে পেরেছে গণতন্ত্রের মুখোশ পরে থাকলে তাদের পক্ষে আর টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই শুরু হয়েছে প্রেত সাধনা, শুরু হয়েছে পুরণো কফিন খুলে বাকশালের ভুতকে জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার পায়তারা। কারণ ইতোমধ্যেই আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ স্বীকার করেছেন জামায়াত দমনে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ। না, প্রকৃতপক্ষে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ নয়, বরং তারা রাজনৈতিক আবহাওয়ার পূর্ভাভাস সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে সফল হয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে আওয়ামী জাহেলিয়াত ভেদ করে সোনালী সূর্য উঁকি মারছে আকাশে। তারা বুঝতে পেরেছে জামায়াত-শিবির পুলিশ প্রশাসনের শত্রু নয় বরং তাদেরকে বাকশালী সরকার সুকৌশলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জামায়াত-শিবির নিধনে মাঠে নামাচ্ছে। ফলে প্রশাসনে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে, বেকে বসা শুরু করেছেন মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চপদের অনেকেই। ফলে শেষ চেষ্টা হিসেবে বর্তমান আইজিপিকে সরিয়ে পদলেহী কাউকে পদোন্নতি দেয়ার চিন্তা চলছে। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ বাকশালের পুরনো পথেই হোচট খাওয়ার জন্য লম্ফঝম্ফ শুরু করেছে।

আওয়ামী লীগের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল তাদের ভারতমাতা। আর তাই পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর মাস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত পাড়ি দিচ্ছেন। ভারতের হায়দরাবাদে অবস্থিত জাতীয় পুলিশ অ্যাকাডেমিতে প্রতিশ্রুত পুলিশ প্রশিক্ষণের নাম করে পূর্বের কিলিং মেশিন “ক্রুসেডার হান্ড্রেড“-এর মতো  আবারো যুবলীগ ছাত্রলীগকে প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করছে। অপরদিকে ছাত্রলীগকে বাঁশের লাঠি নিয়ে জামাত-শিবিরমুক্ত দেশ গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। উদ্দেশ্য একটাই গুম-খুন-অপহরণ-সন্ত্রাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে আওয়ামী জাহেলিয়াতের চীরস্থায়ী বন্দোবস্ত করা। আর শিশুরা বাদে সকলেই জানে তীব্র প্রসব বেদনার পরেই মায়ের মুখে হাসি ফোটে। বাংলাদেশের প্রসব বেদনা শুরু হয়ে গেছে। হয় স্বাভাবিকভাবে বাংলার মুখে হাসি ফুটবে নয়তো সিজার করে নিরাপদ করা হবে মা ও সন্তানের প্রাণ।

আগামী কাল আওয়ামী জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে জামায়াতের দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতাল হবে বাংলার মুখে হাসি ফোটানোর প্রথম প্রয়াস।

GDE Error: Error retrieving file - if necessary turn off error checking (404:Not Found)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.