বাপরে বাপ! ঘরে ঢুকেছে ভয়ংকর কালকেউটে সাপ।

সাপ! সাপ!! সাপ!!!

অন্ধকার ঘরে ঢুকে পড়েছে কালকেউটে সাপ।

পালানোর পথ নেই, শত্রুর অবস্থান নয় কারো জানা। কে বাঁচাবে আজ ছাত্রলীগ, কে বাঁচাবে আজ আওয়ামী লীগ?

দেশের সবচেয়ে পুরনো ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের চেয়েও বয়সে প্রবীণ ওরা। অথচ আজ আর বাঁচার আশা নেই। ঘরে ঢুকে পড়েছে ভয়ংকর কালকেউটে সাপ, পালানোর নেই যে কোন পথ।

ছাত্রলীগের মধ্যেও শিবির ঢুকে পড়েছে,  নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। কি ভয়ংকর কথা। ছাত্রলীগের কোন্ নেতা শিবির থেকে ঢুকে পড়েছে তা নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়ে গেছে ছাত্রলীগের ভেতরে। যে জন্ম থেকে ছাত্রলীগকেই নিজের আশ্রয়স্থল জেনে এসেছে, আজ তা যেন মৃত্যু ফাঁদ। চারিপাশে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে পথ চলতে কলজে শুকিয়ে আসে। কে জানে পাশের পরম বিশ্বস্ত বন্ধুটিই শিবিরের রিক্রুট কি না, কিছুতেই ভয় কাটে না।

শিবিরের তৈরি একটি তালিকা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। রহস্য রহস্যই। তালিকাটি আদৌ শিবিরের কিনা, নাকি শিবির বুদ্ধিজীবী হত্যা স্টাইলে কিলিং মিশনে নেমেছে প্রমাণে অমন তালিকা মেস থেকে উদ্ধারের নাটক করা হয়েছে, তা রহস্যময়। যদি ধরেই নেয়া হয় তালিকাটি আসলেই শিবিরের তাহলে কি উদ্দেশ্য এ তালিকার? টিক চিহ্নিত ছাত্রলীগ নেতাদের হত্যা, নাকি ক্রস চিহ্নিত নেতাদের বধ করবে শিবির? নাকি লুকিয়ে আছে অন্য কোন ফাঁদ?

কেউ কেউ রহস্যের জট খুলতে আরো একধাপ এগিয়ে। তালিকাটি নাকি ছাত্রলীগের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা শিবির নেতা কর্মীদের। তাহলে কি টিক চিহ্নিত ছেলেরাই শিবির নেতা, নাকি ক্রস চিহ্নিতগুলো। রহস্যের জট খুলতে গিয়ে গিট্টু লেগে যায়, রহস্য হয় আরো ঘনীভূত। তালিকার শেষে কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের নাম ‘রিপন ভাই’ হিসেবে লেখা, কি ভয়ানক কথা। সবচেয়ে বড় শত্রুর নামের পাশে এমন সমীহের তিঁলক শিবির একেঁছেই বা কেন? তবে কি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপনও ছাত্রশিবির নেতা?

অন্ধকার ঘরে ঢুকে পরেছে কালকেউটে সাপ। সাপ মারার ভয়ংকর আগ্নেয়াস্ত্রের সশস্ত্র ছাত্রলীগ, নেই শুধু স্বচ্ছ নীল আকাশে একমুঠো সোনালী রোদ। চারিদিকে কালকেউটের হিসহিস শব্দে মৃত্যুঘন্টা বাজে, এই বুঝি ছোবলে ছোবলে নীল হল আওয়ামী লীগ। মৃত্যুভয়ে অন্ধকার ঘর ভাসিয়ে দেয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী, তবু পালানোর নেই যে কোন পথ। অন্ধকার মৃত্যু উপত্যাকায় শুধুই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগের  প্রতীক্ষার পাথর সময় দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।

বাপরে বাপ! ঘরে ঢুকেছে ভয়ংকর কালকেউটে সাপ।

সাপ! সাপ!! সাপ!!!

8 Replies to “বাপরে বাপ! ঘরে ঢুকেছে ভয়ংকর কালকেউটে সাপ।”

  1. ছাত্রলীগে ছাত্রদল-শিবির ঢুকে পড়েছে: হাসিনা
    http://www.rtnn.net/details.php?id=23271&p=1&s=1
    কে জানে, জয়ের অপকর্ম ঢাকতে কদিন পর তাকেও শিবির নাম দিয়ে গা বাঁচাতে চাইবে কিনা।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.