নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

দ্রব্যমূল্য বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। চলতি সপ্তাহেও তেলের দাম লিটার প্রতি ১১ টাকা বেড়েছে। বেড়েছে মোটা চালের দামও। কেজি প্রতি এক সপ্তাহে ১ টাকা থেকে দেড় টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভরা মৌসুমেও সবজির দাম আকাশছোঁয়া। বার্ড ফ্লু আতংক থাকার পরও কেজি প্রতি ৫ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগিতেও। আর তাই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে চরম ব্যর্থতায় মহাজোটের নেতৃবৃন্দ মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতায় খোলামেলা সমালোচনা করেছেন মহাজোট সরকারের প্রধান শরীক জাতীয় পার্টি প্রধান সাবেক স্বৈর শাসক এরশাদ। ইনু বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা গোপনের সুযোগ নেই। কমকথা বলে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বাজারমূল্য নিয়ে মন্ত্রীদের ভেবে চিন্তে কথা বলারও উপদেশ দেন তিনি।
শুক্রবারের বাজার দর: চালের দাম-মিনিকেট পাইকারি ৫০-৫১ টাকা, খুচরা ৫২-৫৩ টাকা, পাড়ি পাইকারি ৪১-৪২ টাকা, খুচরা ৪৩-৪৪ টাকা, বি আর (২৮) পাইকারি ৪৮-৪৯ টাকা, খুচরা ৫০-৫১ টাকা, নাজির পাইকারি ৪৪-৪৮ টাকা, খুচরা ৪৯-৫২ টাকা, স্বর্ণা পাইকারি ৩৫-৩৬ টাকা, খুচরা ৩৭-৩৮ টাকা, মোটা চাল পাইকারি ৩৪-৩৫ টাকা, খুচরা ৩৬-৩৭ টাকা, লতা পাইকারি ৪২-৪৮ টাকা খুচরা ৪৪-৫০ টাকা, পোলাও চাল ৮৫-৯০ টাকা। মসলার মধ্যে দেশি আদা প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা, (চায়না) ১১০-১২০ টাকা, রসুন ১৮০ টাকা, শুকনা মরিচ ১৭০-১৮০ টাকা, হলুদ ৩শ ২৫ টাকা, জিরা প্রতি কেজি ৩৭০ টাকা। এলাচি ২৮০০ টাকা, দারুচিনি ২২০ টাকা।
প্রতি কেজি করোল্লা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা এবং ঢেড়স ৮০-৯০ টাকা। শিম ৩০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, গোল বেগুন ৩০ টাকা, মরিচ ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, আলু ৮ টাকা, পেঁপে ১০ টাকা।
ব্রয়লার মুরগী কেজি ১১৫-১২০ টাকা, দেশি মুরগি ২৮০-৩২০ টাকা, গরু মাংস প্রতি কেজি ২৫০-২৬০ টাকা, খাসি ৩৫০-৪০০ টাকা।
রুই মাছ প্রতি কেজি ২২০-২৪০ টাকা, ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ৪শ ৫০ টাকা থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোর্স

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.