মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১০ (আসক)

২০১০ সালে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির চিত্র ফুটে উঠেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে। আসুন দেখে নেই বাকশালের জাগরণের যুগে দেশের আইন-শৃংখলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি।

* কমপক্ষে ৬২৬ নারী ধর্ষিত হয়েছে, যার মধ্যে গণধর্ষণের শিকার ২১৯ জন। ধর্ষণে মৃত্যু হয়েছে ৭৯ জনের, আত্মহত্যা করেছেন ৭ নারী, আইন প্রয়োগকারী সংস্খার সদস্যের হাতে ধর্ষিত ৮।
* ইভটিজিংএর কারণে ৩১ নারীর আত্মহত্যা, নারী নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা করেছেন এক পিতা, যৌন নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় নিহত হয়েছেন আরো ২০ জন।
* পারিবারিকভাবে নির্যাতিত হন ৩৯৭ জন নারী, যাদের মধ্যে নিহত হন কমপক্ষে ২৮৮ নারী, ৫১ জন আত্মহত্যা করেন।
* ৭৭ জন গৃহপরিচারিকা খুন।
* ৯৩ নারী অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার, যাদের একজনকে ধর্ষণের পর আক্রান্ত হয়।
* কারা হেফাজতে মৃত্যু হয় ৭৪ জনের।
* নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু ১৩৩ যার মধ্যে ক্রসফায়ারে মৃত্যু ৯৩।
* কমপকক্ষে ৩০০ সাংবাদিক নির্যাতিত হন।
* বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডে প্রাণ হারার কমপক্ষে ১৩৩ জন।
* সীমান্ত সংঘাতে মৃত্যু ২০৫।
* সাংবাদিক নির্যাতন ৩০১ জন, যার মধ্যে খুন হন ৪ জন।
* ১৪৪ ধারা জারি ১৫২ বার।
* ৪৩৬টি রাজনৈতিক সহিসংতায় নিহত হন ৭৫ জন, ৭১০৩ জন আহত হন।
* আওয়ামী লীগের আভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুন কমপক্ষে ৪০, আহত ২৯০৭ জন।
* আইন-শৃংখলা বাহিনীর হাতে রাজনৈতিক নির্যাতনে আহত ৪২৮, নিহত ১।
* ২,২৭৯ জন বাংলাদেশী বিদেশ থেকে ফেরেন লাশ হয়ে।
* জনশক্তি রপ্তানি কমেছে ২০ শতাংশ।

One Reply to “মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০১০ (আসক)”

  1. আমরা প্রতিদিন খবরের কাগজ খুলে দেখতে পায়,নারী নিযার্র্র্তন দায়ে যে পরিবারে ও মেয়ে টার বিয়ে হয়েছে সেই পরিবারকে দোষা রোপ করা হয়, এবং ওই পরিবার থেকে বলা হয় যে যোতুকের জন্য ওই মেয়েটাকে তার সামির পরিবার তাকে মেরে তার বাবার বাডি পাটিয়ে দিয়েছে আসলে গঠনাটা কি সত্য,সেটা ভাল ভাবে যানা দরকার,একটা নারী আর একটা পুরুষের বিয়ের পরের সুখের হওয়ার কথা ৷ কেন এই বিভাদ কি কারন মেয়েটা ভাল না খারাপ ছেলেটা ভাল না খারাপ এই বিষয় গুলো ভাল ভাবে যানতে হবে,

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.