নেংটি ধরে কে টানে রে?

“নেংটোর নেই বাটপারে ভয়” কথাটি সবাই জানে। তবুও সবারই নিরন্তন প্রচেষ্টা লজ্জা ঢাকার। তাইতো প্যান্ট-পাজামা, লুঙ্গি-ধুতি কত কিছুর আয়োজন। এক্ষেত্রে যার যত ছোট পরিধেয় তার তত বেশী লজ্জা নিয়ে টেনশন। তবু শখ করে কেউ কেউ আবার নেংটি পড়ে, হয়ে যান মহাত্মা গান্ধী। তবে নেংটি পড়লেই তো আর মহাত্মা হওয়া যায় না, তাই নেংটি বাঁচাতেই দিনরাত গলদঘর্ম হন অনেকেই। এরকমই নেংটি পড়ে বাংলাদেশের বিচারবিভাগ প্রতিনিয়ত লোক হাসাচ্ছে। প্রতি মুহুর্তে নেংটি ভেদে আদালতের মান সম্মান বেড়িয়ে পড়ছে, আর “আদালত অবমাননায়”  হারে রেরে রেরে রবে টুপি চেপে ধরছে যার তার, যখন তখন। একবারও তাদের মনে হয় না পোষাকটাকে আরেকটু বড় করা যায়, একবারও তাদের মনে হয় না টুটি চেপে ধরে মান-সম্মান বাঁচানো দায়।

নেংটি ধরে কে টানে রে? যাহ্ বাবা, এতদিন শুধু সাধারণ মানুষ টান মেরেছে, নিন্দুকেরা টান মেরেছে, সাংবাদিকেরা টান মেরেছে, সম্পাদকেরা টান মেরেছ, টানটা একটু জোরসে হওয়ায় মাহমুদুর রহমান দিনের পর দিন অন্ধসেলে মাথা ঠুকছে । তারপরও কোন সাহসে নেংটি ধরে হ্যাচকা টানে ব্যারিস্টার রফিক?

ঘরের কথা পরে জানলো ক্যামনে? বিচার বিভাগের গোপন কথা ফাঁস করেছেন ঘরের লোকে। ঘরে বসেই বান কেটেছেন বিচারপতি এম. এ. মতিন। একই পথে একে একে দৌড় জুড়েছেন বন্ধু সকল। তাইতো দেখি নেংটি ধরে টান মেরেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন। মাহমুদ নামের মাঝেই বুঝি ষড়যন্ত্র? মাহমুদ নামের মানেই বুঝি বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত!

তবুও থামেনা আদালতের নিলর্জ্জ ভন্ডামি। তবুও থামেনা বিচারের নামে নোংরামি। নেংটি নামের লোক হাসানো বস্ত্র দিয়ে কতদিন ঢেকে রাখা যায় দগদগে ঘা, কতদিন আর লুকানো যায় সর্বগ্রাসী ইয়াবর ‘হা’।  বিচারপতি তোমার নেংটি খুলবে যারা আজ জেগেছে টিআইবি-জনতা। বিচারপতি তোমার মুখোশ খুলবে যারা আজ জেগেছে টিআইবি-জনতা। বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা।

হারে রেরে রেরে রেরে, নেংটি ধরে হ্যাচকা জোরে কে টানে রে?

One Reply to “নেংটি ধরে কে টানে রে?”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.