নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?

নারীর কোন্ অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়? এ প্রশ্নের সঠিক জবাব সকলেই জানেন, তবুও অনেকেই অনেক ধরণের জবাব দেবেন। যারা ভদ্রসমাজে বাস করেন, তারা গায়ে কাঁদা না লাগিয়ে যতটা সম্ভব ভদ্র জবাব দেন, যারা শিল্প সচেতন, তারা হয়তো দেখেন ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে। তবে এ প্রশ্নের সঠিক জবাবটি মূলত বন্ধুদের আড্ডাতেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। ভদ্রলোকেরা বলবেন, নারীর মুখমন্ডলই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। শিল্পীরা পাখির বাসার মতো পট্ল চেরা চোখের সৌন্দর্য বর্ণনা করবেন শিল্পীর মুগ্ধ দৃষ্টিতে, বলবেন, গোলাপের পাপড়ীর মতো গালের কথা, বাঁশির মতো নাকের কথা, কমলার কোয়ার মতো তৃষ্ণা জাগানিয়া ঠোটের কথা। তবে অধিকাংশ মানুষ মনের মাঝে যে সঠিক উত্তরটি সতর্কতার সাথে লুকিয়ে রাখেন, সে জবাবটি বন্ধুদের আড্ডায় অকপটে বেড়িয়ে আসে। হ্যা, সামনে থেকে বুক (মূলত স্তন) এবং পেছন থেকে নিতম্ব (বিশেষত ভারী নিতম্বের দুলুনি) পুরুষকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করে। নারীরা যখন রাস্তা দিয়ে কোমর দুলিয়ে হেটে যায় তখন অধিকাংশ পুরুষের হৃদপিন্ডটাও পেন্ডুলামের মতো দোল খেতে থাকে। বলাই বাহুল্য, অপলক দৃষ্টিতে নারীর ফেলে যাওয়া পথের দিকে তৃষ্ণার্ত নয়নে তাকিয়ে থাকা লোকের সংখ্যা সমাজে বেশী বৈ কম হবে না।

হ্যা, আমি ইভ টিজিং বিষয়ে বলছি। ইভ টিজিং নিয়ে ইদানিং খুব বেশী আলোচনা হয়, এমনকি আজ (১৩ জুন ২০১০) ছাত্রী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে। চলছে মিছিল, মিটিং, র‌্যালী, গোলটেবিল বৈঠক ইত্যাদি। সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারী উত্ত্যক্তকরণ, বাড়ছে আত্মহত্যা, বাড়ছে শ্লীলতাহানি। এইতো সেদিন পল্লবীতে বখাটেদের আগুনে ঝলসে প্রাণ হারালো আলেয়া। একদিকে ছাত্রী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে শপথ পড়ান শিক্ষামন্ত্রী, অন্যদিকে ছাত্রীদের মিছিল ছুটে চলে মৃত্যুর ওপারে। বাড়ছে শিশু ধর্ষণ, গতকালও ৫ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে হাতেনাতে ধরা পড়ে নিহত হয় ৪০ বছরের একটি পশু। দিনে দিনে সমস্যা এমনই ভয়াবহতা নিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে যে এ থেকে পরিত্রানের যেন কোন সুযোগই নেই।

ইভটিজিং প্রতিরোধে যতগুলো কারণ চিহ্নিত করা হয় তাতে আদৌ মূল কারণটিকে প্রাধান্য দেয়া হয় না।  একবারও খুঁজে দেখা হয় না কেন বখাটেরা ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করেই চলেছে। আসলে এ সমস্যাটিকে কখনোই বখাটেদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করা হয় নি। বখাটেদের নিয়ে কখনোই গবেষণা করা হয় নি, কেন তারা নারীদের উত্ত্যক্ত করে, কোন কোন নারীদের তারা বেশী উত্ত্যক্ত করে, কি কি বিষয় তাদেরকে উত্ত্যক্ত করণে উৎসাহিত করে। হ্যা, অনেকেই স্বীকার করে নেন যে এটি বয়সের দোষ এবং আরো পরিস্কার ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় নারীর প্রতি পুরুষের কিংবা পুরুষের প্রতি নারীর আকর্ষণ একটি চিরন্তন বিষয়। এ ক্ষেত্রে নারীরা প্রকৃতিগতভাবেই রক্ষণশীল হওয়ায় তারা সাধারণত পুরুষদের উত্ত্যক্ত করে না (ব্যতিক্রম ছাড়া), তবে পুরুষরা স্বাভাবিকভাবেই সব সময় যৌনতাড়িত থাকে, ফলে তাদের মধ্যে একটি আক্রমনাত্মক ভাব পরিলক্ষিত হয়। যারা প্রকৃতিবাদী তারা যৌনস্পৃহাকে ঠিক অন্যান্য প্রাকৃতিক কর্মের মতোই স্বাভাবিক ভাবেন, পায়খানা, প্রস্রাব যেমন স্বাভাবিক বিষয়, এর বেগ হলে যেমন দমিয়ে রাখা কঠিন, ঠিক যৌন স্পৃহাও প্রায় একই রকম প্রাকৃতিক বিষয়, একে দমিয়ে রাখাও অত্যন্ত কঠিন। কয়েকদিন আগে ১১ বছরের মেয়ে বিয়ের দাবীতে ১৭ বছরের প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন করার খবর এ ধরণের ইঙ্গিতই বহন করে।

হ্যা, যৌনস্পৃহাকে দমিয়ে রাখতে হলে প্রচন্ড মানষিক ইচ্ছে শক্তির প্রয়োজন, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। যৌনতা একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে সে প্রয়োজন পূরণে বৈধ পন্থা অবলম্বন করা আরো স্বাভাবিক বিষয়, এটি মেনে নিতে হবে। এর পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে যৌন স্পৃহা বাড়িয়ে তোলা সবকিছু।

কিছুদিন আগে একশন এইডের গবেষণায় দেখা যায় ছাত্রীদের ৪১ ভাগ স্কুলকে নিরাপদ স্থান বিবেচনা করে না, এমনকি ১৬.৭% ছাত্রী শিক্ষক দ্বারা উত্যক্ত হওয়ার অভিযোগ করেন। এইতো সেদিন ইভটিজিংএর অভিযোগে গ্রেফতারও হলো দুই শিক্ষক। এভাবে ছাত্রীরা রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, পাড়া-মহল্লা, বাস-ট্রেন, কর্মক্ষেত্র সবখানেই লাঞ্ছিত হয়। কিন্তু কেন, তা কি আমরা একবারও ভেবে দেখব না।

স্কুলে সাধারণত মেয়েরা যায় স্কুল ড্রেস পরে, বুকের ওপর থাকে ক্রস ওড়না, যা নারীর সৌন্দর্যকে আড়াল করে না বরং ক্রস ওড়নায় কেবল ছাত্রীদের স্তনকেই চিহ্নিত করে মাত্র। কোন বাবার পক্ষে সম্ভব নয় স্কুল ড্রেস পড়া সাবালক মেয়ের দিকে তাকিয়ে কথা বলা। আগেই বলেছি, নারীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ হলো বুক (স্তন), তাই মেয়েরা স্তনকে আরো চোখধাঁধানোরূপে চিহ্নিত করে রাস্তায় বেরোনোর সাথে সাথেই নৈতিক মূল্যবোধহীণ যুবকেরা ছাত্রীদেরকে উত্ত্যক্ত করতে ব্যাকুল হযে ওঠে। ফলে প্রতিনিয়ত মেয়েরা হয় লাঞ্ছিত, নির্যাতিত, ধর্ষিত। আমার স্কুল জীবনের বন্ধু যারা কিছুটা বখে গিয়েছিল তাদের আড্ডার আলোচ্য বিষয়ই হতো নারী, এবং বলাই বাহুল্য বিভিন্ন ছাত্রীর বিভিন্ন অঙ্গের বর্ণনা। এদের মাঝে এক বন্ধুর নীতিই ছিল, যে মেয়ে নিজেকে পবিত্র রাখতে চায়, তাকে সে উত্ত্যক্ত করবে না, যারা নিজেদের সৌন্দর্য দেখিয়ে দেখিয়ে উত্তেজিত করে তোলে তাদের ক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই। হা, এভাবেই দেখি, যে সব মেয়ে নিজেদের ইজ্জতের সংরক্ষণ করতে চায়, রাস্তাঘাটে শালীনতাকে প্রাধাণ্য দেয়, যথাসম্ভব শরীরের আকর্ষণীয় অঙ্গগুলো ঢেকে ঢুকে চলাচল করে, তারাই কম নির্যাতনের শিকার হয়।

বাগানে কৃষিকাজ করে কোন অশিক্ষিত মূর্খ কৃষকও মাঠকে অরক্ষিত রাখে না, জানে বলদের আহারে পরিণত হতে পারে ফসল। এমন বেপরোয়া দোকানী খুঁজে পাওয়া যাবে না যে লোভনীয় মিষ্টি থরে থরে সাজিয়ে দোকান অরক্ষিত রেখে বাড়ী যায়। সে জানে চোর ছ্যাচরের আহারে পরিণত হবে ওগুলো। আর সত্যি বলতে কি সব মানুষের মাঝেই চৌর্য়বৃত্তি মানষিকতা রয়েছে, অধিকাংশ লোকই তাকে দমিয়ে রাখতে সক্ষম। যারা ভদ্র তারা অরক্ষিত দোকানের রসালো ফল-ফলাদি দেখেও হাত বাড়ায় না, প্রয়োজনে বৈধভাবে তা ভোগ করে, ক্রয় করে নিয়ে তবে আহার করে। কিন্তু শুধু ভদ্র লোকদের নিয়েতো সমাজ নয়। অধিকাংশ লোকই শান্তিপ্রিয় তবুও তো দেশে আইন আছে, আদালত আছে, থানা-পুলিশ আছে। হাজারে হয়তো একজন চুরি করে এবং তার জন্যই পুলিশ প্রশাসন পুষতে হয়। তাই সবাই ভদ্র হলেও অভদ্রদের হাত থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হয়। এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে চোর চুরি করার সাহস পায়, শেয়াল কুকুরের রান্নাঘরে হানা দেয়।

তবে সমাজের অতি শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা এ কারণটিকে প্রাধান্য দিতে নারাজ। যদি প্রাধান্য দেন তবে তো দেড় হাজার বছর পূর্বের প্রাচীন মুহাম্মদের (সা:) আদর্শকেই মেনে নেয়া হয়। মেনে নেয়া হয় পবিত্র আল কোরআন নির্দেশিত নীতিমালা। যারা নিজেদেরকে সভ্য ভাবেন, পাশ্চাত্যের অনুকরণে উন্নত সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেন তাদের সামনে ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ বড় ধরণের বাধা বলেই মনে করেন। তাই ইসলাম নির্দেশিত পন্থায় যদি ইভটিজিং বন্ধও করা যায় তবু তাকে মেনে নেয়া যায় না, শ্রেফ আত্মঅহংকারের কারণে। অথচ যে পশ্চিমাদের আমরা সভ্যতার মানদন্ড মনে করি, তারা কতটুকু গ্যারান্টি দেয় নারীদের নিরাত্তার তা কি একটুও খতিয়ে দেখবো না। Exclusive: Rape in America: Justice Denied শীর্ষক সংবাদে সিবিএন নিউজ রিপোর্ট করে যে ২০০৮ সালে ৯০ হাজার নারী ধর্ষণের দায়ে মামলা করেছেন এবং আরো ৭৫ হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হয়েও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকায় মামলা থেকে বিরত থাকেন। তাহলে যে সমাজে এক বছরে দেড় লাখের বেশী নারী ধর্ষিত হয় সে সমাজকে আদর্শ মেনে নিয়ে কি করে আমরা আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবি? আমরা পাশ্চাত্য ধ্যানধারণায় সন্তানদের বড় করে তুলি, পাশ্চাত্যের অনুকরণে পরিবার গঠন করি ফলে পাশ্চাত্য প্রভাবে ধীরে ধীরে ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে পরিবার প্রথা, আর বিবাহ বিচ্ছেদ এখন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। অথচ বাবা-মা’র বিচ্ছেদের ফলেও মেয়েকে পড়তে হয় ধর্ষকদের কবলে।

অথচ আমরা যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবী করি তাদেরকি একবারও উচিত নয় আল্লাহর সে বাণীকে স্মরণ করা?

“হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়৷ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়৷ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়”। সূরা- আহযাব, আয়াত-৫৯

আশার কথা ইদানিং ইভটিজিং প্রতিরোধে নৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব দিচ্ছেন কেউ কেউ। হ্যা, আদাদের সন্তানদেরকে নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তাদেরকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করে তুলতে হবে। জানাতে হবে আল্লাহর নির্দেশ,”নবী ! মু’মিন পুরুষদের বলে দাও তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে ৷এটি তাদের জন্য বেশী পবিত্র পদ্ধতি ৷ যা কিছু তারা করে আল্লাহ তা জানেন ৷  আর হে নবী! মু’মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া ৷আর তারা যেন তাদের ওড়নার আঁচল দিয়ে তাদের বুক ঢেকে রাখে৷তারা যেন তাদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করে, তবে নিম্নোক্তদের সামনে ছাড়া স্বামী,বাপ,স্বামীর বাপ, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, নিজের মেলামেশার মেয়েদের , নিজের মালিকানাধীনদের, অধীনস্থ পুরুষদের যাদের অন্য কোন রকম উদ্দেশ্য নেই এবং এমন শিশুদের সামনে ছাড়া যারা মেয়েদের গোপন বিষয় সম্পর্কে এখনো অজ্ঞ ৷ তারা যেন নিজেদের যে সৌন্দর্য তারা লুকিয়ে রেখেছে তা লোকদের সামনে প্রকাশ করে দেবার উদ্দেশ্য সজোরে পদক্ষেপ না করে৷ হে মু’মিনগণ! তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর কাছে তাওবা করো, আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হব। সূরা আন-নূর, আয়াত ৩০-৩১।

যারা আল্লাহকে রব, রাসূল (সা:) কে আদর্শ মনে করেন, তাদের উচিত নয় নারী স্বাধীণতার নামে শ্রেফ জেদের বশবর্তী হয়ে নিজেদের কন্যাদেরকে হায়েনার আহারে পরিণত করা। আসুন, আমরা তওবা করি, পাশ্চাত্য পন্ডিতদের থেকে মুখ ফুরিয়ে এক আল্লাহর আনুগত্য করি, রাসূল (সা:) এর আদর্শে আমাদের সন্তানদেরকে শিক্ষিত করে তুলি এবং নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন একটি আদর্শ দেশ গড়ে তুলি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।

57 Replies to “নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?”

  1. নারীদের সব ছেয়ে সুন্দর জাগাটা হছ্ছে নারী নিযাতন ও যৌতুকের আইন করে পুরুষদের অপমান করা।যদি আার এই মন্তব্যের প্রতি কোন ভাইয়ের অমত থাকে তাহলে নারী ও শিশু নিযাতনের আইনটা পড়ে নিবেন।

    [উত্তর দিন]

  2. পুরুষ ভাইদের বলি আর কত নিরপাদ পুরুষকে জেল খাটাবেন নারী নিযাতনের মিথ্যা মামলা দিয়ে।পুরুষ ভাইয়েরা আর কত মুখ বুঝে থাকবেন।পুরুষ ভাইয়েরা দয়া করে নারী ও শিশু নিযাতনের আইনটা এক বার হলেও পড়ে দেখুন।যে আইনে নিম্ম আদালতকে বলে সত্য মিথ্যা যাছাই না করে জেলে পাটাতে এটা কোন আইন বিচারক মামলার সব দিক দেখে শুনে বুঝতে পারলেন যে লোকটা নিরাদ তার পরেও তাকে জেলে পাটালেন কারন যিনি বিচারক তার কিছু করর নেই আইনটা এভাবে এতে কি বুঝা যায়না একা পুরুষকে আপমান করার ও নারী পায়ে হাত দিয়ে পুরুষ পড়ে থাকে না হলে নারী নিযাতন ও যৌতুকে মামলা ৬মাসের আগে জামিন নাই মামলা সত্য না মিথ্যা সেটা পরে।ভাই আগের সেই অতীত বুলে যান যখন মরা মে করতাম নারী অবলা এই মনে করার অতীতটাকে কাজে লাগিয়ে এখন পুরুষকে নিযাতন করার আইন তৈরী করেছেন নারী নৈতীরা।পুরুষ ভাইয়েরা আর ঘুমীয়ে থাকবেন না।ঘৃনা করি ধষন এসিন্ড।কিন্ত নারী নিযাতন ও যৌতুকের মিথ্যা মামলা

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.