নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ

আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীতে রয়েছে অফুরন্ত সম্পদ। তবে সে সম্পদকে ব্যাবহার উপযোগী করে নেয়া সব সময় সহজ নয়। তাই এ অফুরন্ত সম্পদের মাঝে যতটুকু আমাদের আয়ত্বে এসেছে তা ব্যবহার করতে হবে পরিকল্পিতভাবে, পরিমিত ভাবে। বিশেষ করে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদকে ব্যবহার উপযোগী করে সরবরাহ করা পুরোপুরি সম্ভব নয়। তাই সবার পক্ষে সম্পদ সমানভাবে ভোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না, বিরাট একটি জনগোষ্ঠীকে চরম অভাবের মাঝে থাকতে হচ্ছে, যদিও অপরিকল্পিত ব্যবহারের ফলে ক্ষুদ্র একটি অংশ ব্যবহার উপযোগী বিপুল পরিমাণ সম্পদ অপচয় করছে।

যান্ত্রিক পৃথিবী। শিল্প-কল কারখানার চাকায় ভর করে ছুটে চলেছে পৃথিবী। আর  এ চাকা সচল রাখতে চাই অফুরন্ত শক্তি। সে শক্তির যোগান দিচ্ছে খনিজ সম্পদ। শক্তি উৎপাদনে ৩৭% তেল, ২৫% কয়লা, ২৩% গ্যাস এবং ৬% ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হচ্ছে, বাকী ৯% অন্যান্যা উৎস থেকে শক্তি উৎপন্ন হয়। ইতোমধ্যেই জীবাষ্ম জ্বালানীর যতটুকু আমাদের আয়ত্বে এসেছে তার মজুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে, ইউরেনিয়াম আগামী ৭০ বছরের মাঝে নিঃশেষ হয়ে যাবে বলে শংকা বিজ্ঞানীদের। তাহলে যে ৯১% শক্তি আমরা খনি থেকে পাই তা যদি শেষ হতে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে দরিদ্র দেশগুলোর শক্তি উৎপাদনের কোন সুযোগই থাকবে বলে মনে হয় না, যেহেতু সরবরাহ কমার সাথে সাথে এর দাম দরিদ্র দেশ গুলোর নাগালের বাইরে চলে যাবে।

বাংলাদেশ স্বল্পউন্নত দেশগুলোর একটি। অথর্নৈতিকভাবে দেশের মেরুদন্ড সোজা হয়নি এখনো। পুরোপুরি বাইরের দেশের প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল এ দেশ। দরিদ্র হলেও বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত এ দেশের মানুষ। নতুন মডেলের কোন গাড়ী তৈরী হলে ভারতেরও আগে বাংলাদেশের রাস্তায় চলে সে গাড়ী। ধনী শ্রেণীর অনেকেই একাধিক গাড়ীর মালিক। অথচ এ দেশটি দিনের পর দিন বিভিন্ন সমস্যায় ধুকছে। এ সমস্যাগুলোর মাঝে বিদ্যুত সমস্যাই প্রধান। বিদ্যুত সমস্যা মোকাবেলায় যুগপোযোগী কার্যকর পদক্ষেপের পরিবর্তে এদেশে চালু করা হয়েছে লোডশেডিং নামের ভূতুড়ে যন্ত্রণা। দিনে দিনে এর প্রকোপ বাড়ছে, কোথাও কোথাও দিনে ১৮ ঘন্টারও বেশী সময় লোডশেডিং চলে। অথচ এ দেশে যদি সচেতনভাবে পরিকল্পনা নেয়া হয় তবে বিদ্যুত সমস্যাকে সহজেই মোকাবেলা করা সম্ভব।

বিদ্যুত সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যেই দেশের উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর নাগরিকেরা বিদ্যুত সংরক্ষণের পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। আইপিএস নামের এ পদ্ধতির ফলে বিদ্যুত সমস্যার সমাধানতো হচ্ছেই না বরং তা আরো প্রকট আকার ধারণ করছে। ফলে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের নাগরিকেরা, যাদের সংখ্যাই সমাজে বেশী, তারা চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছে বিদ্যুত সুবিধা থেকে। এদিকে জীবাষ্ম জ্বালানীর উর্ধ্বমুখী দামের কারণে বাংলাদেশের রাস্তাঘাট ছেয়ে গেছে লক্ষ লক্ষ ইজি বাইক। চলছে বৈদ্যুতিক চার্জে। ফলে মরার উপরে খাড়ার ঘায়ের মতো বিদ্যুত সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে এদেশে। আবার দেশের আনাচে কানাচে গড়ে ওঠা হাজার হাজার মোবাইল টাওয়ার প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুত হজম করছে। ফলে শিল্প কারখানার চেয়ে সেবাখাতেই বিদ্যুতের ব্যবহার বেশী বেড়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো চলে মূলত জীবাষ্ম জ্বালানী দিয়ে। বিভিন্ন সময় সরকার দাবী করছে যে ভর্তুকি দিয়ে তারা এসব বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো চালাচ্ছে। অথচ জীবাষ্ম জ্বালানীর বিকল্প অন্য কোন পদ্ধতিতে এ দেশে বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে তেমন গবেষণা বা চেষ্টা নেই। বাংলাদেশে একটি মাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যা তৈরীতে একটি শহরকেই পানির নীচে ডোবাতে হয়েছে, ১৮ হাজার পরিবারকে গৃহহারা করতে হয়েছে। তাই নতুন করে আর কোন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরীর সুযোগ বাংলাদেশে আছে বলে মনে হয় না, যদিও অনেকটাই সাশ্রয়ী এবং পরিবেশ বান্ধব এ পদ্ধতি।

ইতোমধ্যেই সৌরবিমান সফলভাবে উড্ডন করেছে, ২০১২ সালের মাঝে তা পুরো বিশ্বকে পরিভ্রমন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আকাশের পাশাপাশি জলেও সাফল্য পেয়েছে সৌরতরী। আগামী বছর ৫০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছে এটি, সময় নেবে মাত্র ১৬০ দিন। বিশ্বব্যাপী চলছে সৌরগাড়ীর মহরা, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশে পাঞ্জারের ছাত্ররাও তৈরী করেছে সৌরগাড়ী যা ঘন্টা ৪০-৪৫ কিলোমিটার চলতে সক্ষম। তাহলে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র সৌরবিদ্যুতের দিকেই যদি আমরা আমাদের মেধাকে কাজে লাগাই, গবেষণা করি, সৌরবিদ্যুত চালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি তবে অনেকাংশেই দেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান সম্ভব।

আশার কথা বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সৌরবিদ্যুত ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে। সৌরবিদ্যুতের আলোতে আলোকিত হচ্ছে গ্রাম, কোথাও কোথাও সৌরবিদ্যুতে চলছে পানিরপাম্পবাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুতায়ন করা হয়েছে।পাশ্বর্বর্তী দেশ ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে ট্রাফিক বাতি জ্বলে সৌরবিদ্যুতে, ‌উদ্যোগ নিলে এ দেশেও তা সম্ভব। শুধু দরকার সরকারী সিদ্ধান্ত এবং তা বাস্তবায়নের সদিচ্ছা। এ সিদ্ধান্ত নেয়া একান্ত প্রয়োজন যে জীবাষ্ম জ্বালানী দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুত শিল্প কারখানায়ই ব্যবহৃত হবে যতদিন না শিল্প কারখানা চালানোর মতো পরিবেশ বান্ধব বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা যায়। ভারী শিল্পকারখানা বাদে বাকী সব কিছুই দ্রুত সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা জরুরী।

প্রতিটি বাড়ীতেই দুটি ফ্যান, দুটি বাতি আর একটি টেলিভিশন চালানোর মতো সৌর বিদ্যুত ব্যবহারের যন্ত্রপাতি কিনতে উদ্বুদ্ধ করা উচিত। আর এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা একান্ত জরুরী। তবে প্রথম পর্যায়ে সকল সরকারী অফিস আদালতকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনা প্রয়োজন। অন্তত ২৫% সৌর বিদ্যুত ব্যবহারে সকল সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী তথা সকল প্রতিষ্ঠানকেই বাধ্য করা উচিত। যারা উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত তাদের বাড়ীতে সৌরবিদ্যুতায়ন বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। বড় বড় শহরে যাদের নিজস্ব বাড়ী আছে তাদেরকে যদি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে বাধ্য করা যায় তবে সহসাই বিদ্যুৎ সমস্যার আশানুরূপ উন্নতি সম্ভব। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিয়ে তাদের খরচে তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই সরকার চাইলেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌরবিদ্যুত ব্যবহারে বাধ্য করতে পারে।

শোনা যায় সরকার বিদ্যুত খাতে ভর্তুকি দেয়। ভর্তুকি দিয়ে বিত্তবানদের বিদ্যুত সরবরাহ করে বিলাসী জীবন যাপনে অনুদান দেয়া ন্যায় সঙ্গত নয়। যারা বিত্তবান তারা যদি ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে সরকারের কাছে হাত পাতে তবে তা বড়ই লজ্জার। যারা বিত্তবান (যাদের বাসায় অন্তত একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র আছে) তাদেরকে অবশ্যই চিহ্নিত করা প্রয়োজন, তাদের কাছ থেকে বিদ্যুত ব্যবহারের জন্য প্রকৃত বিক্রয়মূল্য গ্রহণ করতে হবে, তাদের পেছনে যে ভর্তুকি দেয়া হত তা সাধারণের সৌর প্যানেল কেনার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাংলাদেশের মানুষ ঋণ করে ঘি খেতে অভ্যস্ত। যিনি দুবেলা দুমুঠো খেতে পারেন না, তার হাতেও শোভা পায় মোবাইল, প্রতি মাসে কম করে হলেও তিনশত টাকার স্ক্রাচকার্ড ব্যবহার করেন এরা। বাংলাদেশে যে ৫ কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করেন তাদেরকে সোলার মোবাইল সেট কিনতে উৎসাহিত করা উচিত। আফ্রিকার অতি দরিদ্র দেশ কেনিয়ায়ও সৌরবিদ্যুত চালিত মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে, অথচ বাংলাদেশে তেমন কোন সেট অন্তত আমার পরিচিত কারো হাতে দেখিনি। পাশাপাশি শুধুমাত্র সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে মোবাইল টাওয়ারে শক্তি সরবরাহে বাধ্য করা উচিত মোবাইল কোম্পানীগুলোকে, প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা তারা বিজ্ঞাপনে যে টাকা খরচ করে তা থেকে অল্প কিছু এ খাতে ব্যবহার করলেই টাওয়াগুলো সৌরবিদ্যুতায়ন সম্ভব। গৃহস্তালি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যা সৌরবিদ্যুতে চালানো সম্ভব তা উৎপাদন ও বিপপন শুরু করতে হবে। সৌর বিদ্যুতে চলতে সক্ষম এমন টিভিও বিভিন্ন দেশে পাওয়া যাচ্ছে, এ দেশেও এর ব্যবহার বাড়াতে হবে।

মোটকথা, পরিবেশ বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষকে লোডশেডিংএর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচাতে সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলন শুরু করতে হবে। সৌর বিদ্যুৎ চালিত মটরসাইকেল, গাড়ী, নৌকা, টিভি, মোবাইলসেট প্রভৃতি উৎপাদনে ব্যাপক গবেষণা চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেশী বিদেশী উদোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে। আর এ কাজটি শুধু সরকারের আশায় বসে থাকলে হবে না, যার যতটুকু সামর্থ আছে তা দিয়েই সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। আর সর্বাগ্রে নিজেদেরকে শোধরাতে হবে, অপচয় রোধ করতে হবে, বিলাসী জীবন যাপনের চেয়ে অন্যের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলন হোক নতুন প্রজন্মের আরেক মুক্তিযুদ্ধ।

বিশ্বব্যাপী সৌরগাড়ীর মহরা চলছে, পাঞ্জারের ছাত্ররাও তৈরী করেছে সৌরগাড়ী যা ঘন্টা ৪০-৪৫ কিলোমিটার চলতে সক্ষম।

6 Replies to “নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ”

  1. এ যুদ্ধে আমরা এখনো অংশগ্রহন করতে পারলাম না। আমরা অনেক পিছিয়ে। আফসোস….

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    আমরা ভারতের দূর্ণাম নিয়েই থাকি, অথচ ভারত কিভাবে ধীরে ধীরে সুপার পাওয়ারে পরিণত হয় তা ভাবি না। ওদের ছাত্ররা সৌরগাড়ি বানায় আর আমরা রোবট বানানোর মতো ফালতু কাজে সময় কাটাই।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    রোবট বানানো যদিও ফালতু কাজ না, তবে এক্ষেত্রে জাপান যতদূর অগ্রসর হয়েছে তাতে আপাতত আমাদের এ ক্ষেত্রে কাজ না করলেও চলে, যেহেতু রোবট ব্যবহারের মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশে ২৫ বছরেও হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না।

    [উত্তর দিন]

    মেহেদী হাসান উত্তর দিয়েছেন:

    আপনি কি মনে করেন, বাংলাদেশে রোবট বানানো হয় বাস্তবে ব্যবহারের জন্য? এ গুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য বানানো হয়। এই প্রজেক্ট গুলি করার ফলে যে অভিজ্ঞতা হয় তা বাস্তব জীবনে ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক কাজে লাগে। রোবট বানানো অন্তত পক্ষে ব্লগিং করে সময় নষ্ট করার চেয়ে উত্তম।
    আসলে সবকিছুরই দরকার আছে। তবে কিছু কাজের প্রায়রিটি দিয়ে আগাতে হয়।
    আপনি কি জানেন, বুয়েটের একটি প্রজেক্ট ছিল, সোলার ইনফরমেশন সিস্টেম- যেটা আই,ই,ই,ই থেকে পুরষ্কার পেয়েছে। প্রজেক্ট টা ছিল গ্রামাঞ্চলে সোলার পাওয়ার ব্যবহার করে আই,টি এর সুবিধা জনগনকে পৌছে দেয়া।
    অনেক ভাল ভাল প্রজেক্ট হয়। কিন্তু ব্যবহার করা হয় না- কারণ সরকারের সদিচ্ছার অভাব।
    আরেকটা জিনিস- সৌর গাড়ি তৈরির মোটিভেশন কোথা থেকে আসবে? এখানে এখন পর্যন্ত কোন গাড়ী তৈরির কম্পানিই নেই।

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ।
    আপনার মন্তব্যে অনেক কিছুই জানলাম যা আগে ভালোকরে চিন্তা করিনি।
    তবে ঐযে আপনি নিজেই বলেছেন, কিছু কাজের প্রায়রিটি দিয়ে আগাতে হয়।
    আসলে সদিচ্ছাই বড় সমস্যা।
    আবার অনেক সমস্যা আমরা নিজেরাই তৈরী করছি, অপচয় রোধ করে, নিজের খামখেয়ালীকে গুরুত্ব নাদিয়ে অন্যের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিলে অনেক সমস্যাই সমাধান করা সম্ভব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.