সমকালের ভোটচুরি

   

সমকাল পত্রিকা পাঠক জরিপের নামে পাঠকের সাথে প্রতারণা করছে। রাতে এক ফলাফল, দিনে মুদ্রিত সংস্করণে বেরিয়ে আসে উল্টো চিত্র।
গতকাল সমকাল পত্রিকার পাঠক জরিপের প্রশ্ন ছিল: জামায়াতের কোন নেতাকে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণের সাধ্য কারো নেই- মতিউর রহমান নিজামীর এ বক্তব্য কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্নটি কারো ভালো লাগতে পারে, কারো বা মন্দ, সে দায় পুরোটাই পাঠকের। কিন্তু পাঠকের মতামতকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করে, ডিজিটাল কারচুপির ইতিহাস গড়ল দৈনিক সমকাল।
জনমত জরিপে গতকাল রাত ৮:০৯ পর্যন্ত হ্যা ভোট পরে  ৩৪২২টি, না ২০৭টি এবং মন্তব্য নেই ১৫ টি। অর্থাৎ ৯৩.৯১% জামায়াতের পক্ষে ভোট পরে। কিন্তু কি আশ্চর্য এরপরই মিডিয়া ক্যু ঘটে যায়, অনৈতিকভাবে ভোটে কারচুপি করে দৈনিক সমকাল কর্তৃপক্ষ। হ্যা ভোট কমিয়ে মাত্র ১০০তে নামিয়ে আনা হয়। এ দ্বারা পত্রিকাটি যে হীণ উদ্দেশ্য নিয়ে জনমত জরিপ চালাচ্ছে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
তবুও ভোট চলে, হ্যা ভোট বাড়তে থাকে। কিন্তু সাধারণ পাঠকের মতামতে কিই বা আসে যায় সমকালে কর্তৃপক্ষের। তাদের প্রয়োজন ছিল সীমাহীন তেলবাজির, সরকারকে খুশী করে সরকারী বিজ্ঞাপনের রমরমা ব্যাবসা করার স্বার্থে তারা ঠিকই তাদের অনৈতিক অবস্থানে থাকে দৃঢ়। এ কারণে যারা ইন্টারনেটে দৈনিক সমকাল পড়েন না সেইসব সাধারণ পাঠককে বিভ্রান্ত করতে পত্রিকাটি তাদের মুদ্রিত সংস্করণে জরিপের মনগড়া ফলাফল প্রকাশ করে।
তবে আজ দুপুর পর্যন্ত তারা ইন্টারনেট সংস্করণে প্রথম কারচুপির পরবর্তী ফলাফলই বহাল রাখে, কিন্তু দুপুরের পরেই হঠাত করে তারা ইন্টারনেট পাঠকদেরও বিভ্রান্ত করতে চুড়ান্তভাবে ডিজিটাল নগ্ন কারচুপি করে, ফলাফলকে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দেয়া হয়।
একজন পাঠক হিসেবে আমি সমকালের এ নগ্ন কারচুপির নিন্দা জানাই।

6 Replies to “সমকালের ভোটচুরি”

  1. এই কাজটাই যে তারা ভালো পারেন ।
    তারা চোখ বন্ধ করে দিন কে রাত বলতেই তারা পারঙ্গম ।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ মুশফিক ভাই।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.