লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভারদের স্পটে গণপরীক্ষা করুন! যোগ্যদের কাজের সুযোগ দিন।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন সফল হবে না কি কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতো ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে ফেঁসে যাবে তা এখনি বলা মুস্কিল। তবে ইতোমধ্যে খান সেনারা যেভাবে পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছে তাতে ছাত্র ও শ্রমিকদের মাঝে সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠেছে, যা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনবে না।

মূলত একটি দেশের সেনা, ছাত্র, শ্রমিক আর বুদ্ধিজীবী এ চারটিই মুলশক্তি। এদের মধ্যে মৈত্রী প্রয়োজন, বিরোধ কেবল ধ্বংসই ডেকে আনে। চলমান আন্দোলনে ছাত্রদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়িয়েছে শ্রমিকেরা, বুদ্ধীজীবীরাও ভয়ে আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছে না আবার সেনা বা পুলিশ সরকারের মতের বাইরে চলে না তাই নিরাপদ সড়ক আন্দোলন আপাতত কাঙ্খিত ফলাফল হয়তো পাবে না।আবার যে ৯ দফা দাবী পেশ করা হয়েছে তা মেনে নেয়ার ঘোষণা এলেও বাস্তবিক তা বাস্তবায়ন সম্ভব না। তাই আমি কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাব দিতে চাই।

* ছাত্রদের উপস্থিতিতে বড় কোন ময়দানে কিংবা প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাবাহিনীর সহায়তায় লাইসেন্সবিহীন সকল শ্রমিকের স্পটে পরীক্ষা নেয়া হোক। উত্তীর্ণদের নামে স্পটেই ইস্যু করা হোক সাময়িক লাইসেন্স। যেহেতু এ পেশা ছাড়া তাদের অন্য কোন কাজের অভিজ্ঞতা নেই সেহেতু দক্ষতা প্রমানিত হলে শিক্ষাগত যোগ্যতায় কিছুটা ছাড় দেয়া যেতে পারে। আর উদ্যোগ নিলে এমন একটি অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবেই গিনেজ রেকর্ডে স্থান পাবে।

** ঠিক তেমনি যেসকল গাড়ীর ফিটনেস সার্টিফিকেটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে সেগুলোও স্পটে পরীক্ষা করে নবায়ন করা যেতে পারে।

*** আরেকটা কাজ করা প্রয়োজন। সকল ছাত্রছাত্রী তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে ঘুষখোর বিআরটিএ কর্মকর্তা ও দালালদের তালিকা সংগ্রহ করতে পারে। যারা লাইসেন্স করিয়েছেন তারা জানেন কাকে কত টাকাঘুষ দিতে হয়েছে। সকল তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এবং একটা গণশুমারি করে ভাম্যমান আদালত বসিয়ে বিচার করা যেতে পারে। মূলত পুলিশ আর শাজাহানের বিরুদ্ধ স্লোগান দিতে দিতে ছাত্ররা মূল আসামী বিআরটিএ এর কথা ভুলে গেছে।

মনে রাখতে হবে, বিআরটিএ এর অসাধু কর্মকর্তারা যদি মোটেই সাজা না পায় তবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন কিছুতেই পূর্ণতা পাবে না।

#WeWantJustice #নিরাপদ_সড়ক_চাই

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.