Video suggests higher Bangladesh protest toll : Al Jazeera

Video footage obtained by Al Jazeera appears to contradict official death toll from May 6 violence in Dhaka.

Last Modified: 14 May 2013 16:47

Al Jazeera has obtained video footage suggesting that the Bangladesh government has been providing inaccurate death tolls from recent violence.

According to official figures, 11 people had died during fighting between police and protesters from Hifazat-e-Islam, an Islamic group, on May 6, a day protesters refer to as the “Siege of Dhaka”.

Human Rights Watch, a US-based rights group, said that the exact number of deaths resulting from the protests are “unclear”.

Bangladesh FM Dipu Moni

“Independent news sources put the figure at approximately 50 dead, with others succumbing to injuries later,” HRW said in a statement on Saturday.

In an interview with Al Jazeera, Bangladesh’s Foreign Minister Dipu Moni downplayed reports of inaccuracy in government figures.

“There can always be an inquiry, there can always be an investigation,” said Moni.

“The government or most of the people in the country doesn’t even think that there was any controversy with the matter,” she added.

Abdul Jalil, a deaf and mute grave digger at Dhaka’s state-run cemetery, communicated that he buried 14 bodies of bearded men with gunshot wounds after the protest, all at night.

The rights group wants an independent inquiry to find out what happened once and for all.

টকশো নয়, মুমিনের রাত্রি কাটুক আল্লাহর স্মরণে

একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশে দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টেলিভশন নামে দুটো বাংলা চ‍্যানেল ছিল। ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ডানপন্থী দর্শক হা করে টিভি সেটের সামনে বসে থাকতো গরম গরম সংবাদের আশায়। হিজাবী সুন্দরী মেয়েদের ততোধিক সুন্দর কন্ঠে গরম গরম খবরে বিভোর দর্শক খবর শেষ হলেও অনঢ় বস থাকতো অন‍্যান‍্য অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে স্ক্রলবারে সংবাদ শিরোনামগুলো দেখার আশায়। এভাবে সংবাদ দেখতে দেখতে একসময় টকশোর নেশায় বুদ হয়ে যেত সবাই। মাঝে মাঝে নাটক, সিনেমাও যে একেবারে দেখা হতো না তা নয় বরং সময়ের সাথে সাথে নাটক সিনেমা, ম‍্যাগাজিন অনুষ্ঠান, ইসলামী ব‍্যান্ডশো সবকিছু সহনীয় হয়ে যায়, অনেকে বলতে গেলে জায়েজই করে ফেলেন নাটক সিনেমা।

আজ দিগন্ত টিভি নেই, নেই ইসলামিক টেলিভিশনও, কিন্তু রয়ে গেছে সংবাদ, টকশো, নাটক-সিনেমার নেশা। “নিজেদের চ‍্যানেলের খবর দেখলেই তো হবে না, বিরোধীদের কথাওতো শুনতে হবে”। এভাবে প্রতিদিন, প্রতিরাত, নাটক সিনেমা টকশো দেখে দেখে মেজাজটা তিতিরিক্ষি করে শ্রাব‍্য অশ্রাব‍্য ভাষায় বামপন্থীদের পৃষ্ঠপোষক চ‍্যানেলগুলোর গুষ্ঠি উদ্ধার করে ক্লান্তশ্রান্ত হয়ে আছড়ে পড়ে বিছানায়। গভীর রাতের সে ঘুম আর ভোররাতে মোরগের কুক্কুরুকুউ ডাকে কিছুতেই ভাঙ্গে না, আল্লাহর পানে সিজদাবনত কাটে না সূবেহসাদেক, সোহাগ ভরে একটিবার প্রিয়ার মেহেদীরাঙ্গা হাতেও রাখা হয় না হাত।

টকশোর পর টকশো চলে, অফিসে, আদালতে, চায়েরটেবিলে সেসব টকশো ধীরে ধীরে তেতো হয়ে ওঠে, বিষিয়ে ওঠে জীবন। তবু সন্ধ‍্যা গড়িয়ে রাত্রি নামা মাত্রই রিমোট হাতে ঝাপিয়ে পড়ে “টকশো” নামের জেহাদের ময়দানে। এ যেন এক অদম‍্য নেশা, এ থেকে মুক্তি নেই রাজনীতি পাগল বাংলাদেশের।

হে বন্ধু! এবার থামো। আর কতো কাটবে তোমার জীবন নিছক ছেলে খেলায়? ওঠো, জাগো, আর তোমার রবের প্রতি সিযদাবনত হও। চোখ বুলাও কোরানের প্রতিটি বর্ণে বর্ণে, দেখ কত বৈচিত্রময়, কত বিজ্ঞানময় এ আলকোরআন। তুমি টকশো দেখে দেখে সময় পার করো অথচ সর্বকালের সর্বশ‍্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদের লক্ষ লক্ষ হাদীস তোমার অজানা। লক্ষ লক্ষ আলেমে দ্বীন পরাভূত হয় গণহত‍্যায় এই বাংলায়, যে বাংলা একদা বিজিত হয়েছিল মাত্র সতেরজন মুসলিম ঘোরসওয়ারের ক্ষুরাঘাতে। হাজারো টকশো দেখেও তুমি পাবে না বিজয়ের সে মূলমন্ত্র।

ওঠো, টিভি সেটের সামনে থেকে উঠে আসো জায়নামাজে, চোখ ফেরাও তোমার রবের পানে, আর দু’চোখের জলের সাথে ঢেলে দাও তোমার যতো দুঃখ যাতনা।
মনে রেখ, কেবলি রক্ত নয়, চোখের নোনা জলে ভেসে ভেসে বিজয়ের পানসি ভেরে সাফল‍্যের সোনালী বন্দরে।

Bangladesh: Independent Body Should Investigate Protest Deaths :HRW

Rolling Demonstrations Could Lead to Bloodbath Without Government Action

(New York) – The Bangladeshi authorities should immediately set up an independent commission to investigate the large numbers of deaths and injuries during the Hefazat-e-Islaam-led protests in Dhaka and elsewhere on May 5-6, 2013, Human Rights Watch said today.

The commission should also investigate violence that killed dozens in February, March, and April after protests and counter-protests broke out after the announcement of verdicts by the country’s International Crimes Tribunal (ICT).

The exact number of deaths during the May 5-6 protest remains unclear, with figures ranging from the official government figure of 11 deaths to Hefazat’s estimate of thousands. Independent news sources put the figure at approximately 50 dead, with others succumbing to injuries later. The dead include several security personnel. Continue reading “Bangladesh: Independent Body Should Investigate Protest Deaths :HRW”

ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী


* হেফাজতে ইসলাম কি পারবে রোদ বৃষ্টির মধ্যে অবরোধ চালিয়ে যেতে?
: ইনশাআল্লাহ পারবে, কারন ওরা অতি সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমান, রোদ বৃষ্টির সাথে যুদ্ধ করেই ওরা বড় হয়েছে।
* হেফাজতে ইসলাম কি খেয়ে না খেয়ে টিকে থাকতে পারবে?
: ইনশাআল্লাহ পারবে, কারন ওরা অর্ধাহারে অনাহারেও আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যুগের পর যুগ দ্বীনের খেদমত করে যাচ্ছে।
* ওরা কি হাসিনার রক্ষিবাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারবে?
ইনশাআল্লাহ পারবে, কেননা ওরা পার্থিব কোন স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে নামেনি। ওরা জানে আল্লাহর পথে লড়াই করে মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজীর গৌরব অর্জন করা যায়। ওরা গাজী হওয়ার জন্যই মাঠে নেমেছে, যদিও ওদের কাছে শাহাদাতের মৃত্যুই প্রিয়।

******
ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী বেশ জমেছে। বিকেল পর্যন্ত নির্বিঘ্নে যে এ অবরোধ চলবে তা নিশ্চিত। এখন চিন্তার বিষয় বিকেল শেষে নেতৃবৃন্দ কি সিদ্ধান্ত নেয়।
১) ঢাকা অবরোধ সফল হয়েছে বলে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা। (মূলত প্রাণবন্ত হয়েছে, সফল নয়। ১৩ দফা সরকার মেনে নিলে তবেই সফল বলা উচিত)
২। সরকার এখনো ১৩ দফা মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নি। তাই ১৩ দফা দাবীগুলো সরকারকে মানতে বাধ্য করতে ঢাকা ঘেরাও কর্মসূচী অনির্দিষ্ট কালের জন্য বলবৎ করা হলো। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত একজন মুমিন মুসলমান জীবিত ঘরে ফিরে যাবে না।
বন্ধুরা, আপনারা বলুন, কোন সিদ্ধান্তের সাথে আপনারা একমত?

*****
আমাদের লক্ষ্য ১৩ দফা দাবী আদায় আর সে লক্ষ্যেই আন্দোলন। তাই ভুলেও যেন আন্দোলনই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে না যায়; আন্দোলন সফল, হরতাল সফল, অবরোধ সফল এমন হাস্যকর বক্তব্য যেন না আসে ১৩ দফা দাবী আদায় হওয়া পর্যন্ত।
-শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস

Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman

An analyst says the Bangladeshi government is responsible for the violent clashes that are breaking out in the South Asian country as it has left the people no choice but to “fight fire with fire.”

The comment comes as clashes erupted between Bangladeshi police and protesters over controversial trials of opposition politicians including leaders of the country’s Jamaat-e-Islami party. Continue reading “Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman”

Bangladesh: Righting historical wrongs

Bangladesh: Righting historical wrongs

Will addressing Bangladesh’s past struggle for independence serve to heal historical wounds or just erode its stability?

A war crimes tribunal in Bangladesh is stirring up memories of the country’s painful split from Pakistan in 1971, during which anywhere up to three million people are thought to have been raped, tortured and murdered.

I think the current Awami League and its allies are bringing the country to the brink of a civil war … you can’t  run a democratic government and not let people protest things and then you fire at them …. because of the so-called war crimes trial which is under no international supervision. It is a political trial by a political party against some people who opposed the independence but they categorically deny any involvement in any of the atrocities committed by the Pakistani army.”Salman al-Azami, son of an accused former Jamaat-e-Islam leader

It is a dark chapter in the history of the two countries, which has never been fully addressed. And now the lingering anger is playing out on the streets of the Bangladeshi capital, Dhaka, with days of rioting, soldiers on the streets, calls for a national strike – and a rising death toll.

Members of the Islamic opposition Jamaat-e-Islami are on trial, and potentially facing the death sentence. The party had campaigned against independence from Pakistan, but deny committing any atrocities during the war.

The nine-month long war was the climax of tensions between Bangladeshi nationalists and the Pakistani army. Eventually the Indian army intervened on the side of the Bangladeshi nationalists.

Bangladesh says three million people were killed during the conflict; Pakistan says the number was much lower.

In the four decades since the war, the country’s turbulent politics and repeated military coups have stood in the way of the delivery of justice. But when the Awami League, headed by Sheikh Hasina, won the 2008 national elections, setting up a war crimes tribunal was a large part of its campaign.

Established in 2010, the tribunal is trying 12 men for crimes against humanity. That they are mostly from Jamaat-e-Islami, which is strongly opposed to Hasina’s government, has drawn accusations that the trials are a politically convenient way of getting rid of opposition leaders.The tribunal has been plagued by accusations of foul play and government influence, but the country’s opinion is divided. When Abdul Qader Molla, one of the leaders of Jamaat-e-Islami, was sentenced to life in prison rather than death, hundreds of thousands of people protested to demand that he be hanged.But last week’s announcement that another Jamaat-e-Islami leader will be executed, led to further protests – this time by supporters of those on trial.As more sentences are announced, the violence is likely to continue.So, why are these trials taking place now? Can the country right these historical wrongs – and at what cost to its unity?Inside Story, with presenter Jane Dutton, speaks to: Salman al-Azami, the son of former Jamaat-e-Islam leader Ghulum Azam, who is one of those standing trial; Tridib Deb, the co-chairman of the Bangabandhu Lawyers Council, the head of the Awami League, and father of the current prime minister; and Palash Kamruzzaman, a fellow at Bath University and an analyst on Bangladeshi affairs.

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১: ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আওয়ামী জাহেলিয়াত!

বিশ্বনন্দিত আলেমে দ্বীন, মুফাস্‌সিরে কুরআন, সারা বাংলার তৌহিদী জনতার আবেগের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি প্রমাণিত বলে জানিয়েছা ট্রাইব্যুনাল। আমরা এ রায় তীব্রঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ রায়ের বিরুদ্ধে যাতে জামায়াত ইসলামী ও তৌহিদী জনতা কোনরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে না পারে সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই মামলার কিছু আলোচিত দিক:

* আল্লামা সাঈদীর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার সিকদারকে সাঈদী বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা, অবশেষে মাদ্রাসা বোর্ডের সার্টিফিকেটে তা ভুল প্রমানিত।

* বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানরত ভানু সাহাকে ধর্ষনের অভিযোগ অথচ ভানু সাহা বললেন বর্তমান ওলামা লীগ নেতা মোসলেউদ্দীন তাকে ধর্ষন করেছে! সাঈদীর নাম শুনেছেন প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে।

* জাফর ইকবালের পিতার খুনের আভিযোগ। মামলার সাক্ষী ছিলেন জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, শাহরিয়ার কবির, দু:খের বিষয় উনারা কেউই আদালতে হাজির হননি! রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি বলছেন উনাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও উনাদের সবাইকে সাহাবাগে নিয়মিত দেখা যায়! জাফর ইকবালের মা তার স্বামীর হত্যার বিবরণ দিয়ে একটি বই ও লিখেছেন। অথচ একবারও উনি সাঈদীর নাম উল্লেখ করেননি!

* ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভূক্ত সাক্ষী সুখ রঞ্জন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ডিবি কর্তৃক অপহরণ! যার হদিস এখনো মেলেনি।

* সাঈদী রাজাকার ছিলেন না এই মর্মে পিরোজপুরের সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাক্ষ্য প্রদান।

* রাষ্ট পক্ষ সাক্ষীদেরকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলুব্ধকরণের রেকর্ড প্রকাশ।

* মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টি আল্লামা সাঈদী যশোরে কাটালেও উক্ত এলাকার কাউকে বাদী করা হয়নি! এবং যশোরের যার বাড়ীতে থাকতেন ঐ ভ্দ্রলোককে সাক্ষী হিসাবে নেয়া হয় নি।

* সর্বশেষ ষ্কাইপি কেলেংকারির দায়ে আইসিটির সাবেক বিচারপতি নাসিমের পদত্যাগ।