Archive for রাজনীতি

এ কে খন্দকারের ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’

বঙ্গবন্ধুর (৭ই মার্চ) ভাষণটি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কিন্তু আমার মনে হয়েছে কিভাবে স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে, তা তিনি পরিস্কার করেন নি। তা ছাড়া জনগণকে যুদ্ধ করার জন্য যেভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন তা করা হয়নি। ভাষণে চূড়ান্ত কোন দিক নির্দেশনা পাওয়া গেল না। ভাষণটির পর মানুষজন ভাবতে শুরু করল- এরপর ক হবে? আওয়ামী লীগের পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় যুদ্ধ শুরু করার কথা বলাও একেবারে বোকামী হতো। সম্ভবত এ কারনেই বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চ সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করা থেকে বিরত থাকেন। তা ছাড়া ইয়াহিয়া খান নিজেও এ ধরনের ঘোষণা না দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে অনুরোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হয়তো ঢাকায় ইয়াহিয়ার উপস্থিতিতে একটি রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণেই যে মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হয়েছিল তা আমি মনে করি না। এই ভাষণের শেষ শব্দ ছিল ‘জয় পাকিস্তান’। তিনি যুদ্ধের ডাক দিয়ে বললেন ‘জয় পাকিস্তান’! এটি যে যুদ্ধের ডাক বা স্বাধীনতার আহ্বান, তা প্রচন্ডভাবে প্রশ্নাবিদ্ধ ও তর্কাতীতও নয়। যদি আওয়ামী লীগের নেতাদের কোন যুদ্ধ-পরিকল্পনা থাকত, তাহলে মার্চের শুরু থেকে জনগণ, সরকারী, বেসরকারী ও সামরিক কর্মকর্তাদের স্বল্প সময়ে সঠিকভাবে সংগঠিত করা যেত। সেটা করা হলে আমার মনে হয় যুদ্ধটি হয়তো-বা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যেত এবং আমাদের বিজয় নিশ্চিত হতো। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেটা করা হয়নি।

১৮ দলের মহাসমাবেশ লাইভ


চোখ রাখুন দিগন্ত টিভির পর্দায়

Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman

An analyst says the Bangladeshi government is responsible for the violent clashes that are breaking out in the South Asian country as it has left the people no choice but to “fight fire with fire.”

The comment comes as clashes erupted between Bangladeshi police and protesters over controversial trials of opposition politicians including leaders of the country’s Jamaat-e-Islami party. »» Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১: ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আওয়ামী জাহেলিয়াত!

বিশ্বনন্দিত আলেমে দ্বীন, মুফাস্‌সিরে কুরআন, সারা বাংলার তৌহিদী জনতার আবেগের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি প্রমাণিত বলে জানিয়েছা ট্রাইব্যুনাল। আমরা এ রায় তীব্রঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ রায়ের বিরুদ্ধে যাতে জামায়াত ইসলামী ও তৌহিদী জনতা কোনরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে না পারে সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই মামলার কিছু আলোচিত দিক:

* আল্লামা সাঈদীর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার সিকদারকে সাঈদী বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা, অবশেষে মাদ্রাসা বোর্ডের সার্টিফিকেটে তা ভুল প্রমানিত।

* বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানরত ভানু সাহাকে ধর্ষনের অভিযোগ অথচ ভানু সাহা বললেন বর্তমান ওলামা লীগ নেতা মোসলেউদ্দীন তাকে ধর্ষন করেছে! সাঈদীর নাম শুনেছেন প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে।

* জাফর ইকবালের পিতার খুনের আভিযোগ। মামলার সাক্ষী ছিলেন জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, শাহরিয়ার কবির, দু:খের বিষয় উনারা কেউই আদালতে হাজির হননি! রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি বলছেন উনাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও উনাদের সবাইকে সাহাবাগে নিয়মিত দেখা যায়! জাফর ইকবালের মা তার স্বামীর হত্যার বিবরণ দিয়ে একটি বই ও লিখেছেন। অথচ একবারও উনি সাঈদীর নাম উল্লেখ করেননি!

* ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভূক্ত সাক্ষী সুখ রঞ্জন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ডিবি কর্তৃক অপহরণ! যার হদিস এখনো মেলেনি।

* সাঈদী রাজাকার ছিলেন না এই মর্মে পিরোজপুরের সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাক্ষ্য প্রদান।

* রাষ্ট পক্ষ সাক্ষীদেরকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলুব্ধকরণের রেকর্ড প্রকাশ।

* মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টি আল্লামা সাঈদী যশোরে কাটালেও উক্ত এলাকার কাউকে বাদী করা হয়নি! এবং যশোরের যার বাড়ীতে থাকতেন ঐ ভ্দ্রলোককে সাক্ষী হিসাবে নেয়া হয় নি।

* সর্বশেষ ষ্কাইপি কেলেংকারির দায়ে আইসিটির সাবেক বিচারপতি নাসিমের পদত্যাগ।

মিডিয়া ব্লাকআউট : মানবিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ

truthভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। বাকস্বাধীনতা আর মানবাধিকার নামক শব্দদুটিকে মুছে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশের অভিধান থেকে। এখানে এখন কেবলই হায়েনার হুংকার, শ্বশ্বানের থমথমে ভীতিকর গুমোট হাওয়ায় বাংলাদেশের দমবন্ধ হওয়ার জোগার। দেশের গ্রাম-গঞ্জ, শহর-নগর-বন্দর, রাজধানীর অলি গলি রাজপথে চলছে ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতাকে দমনের নামে রক্তের হোলি খেলা। ১৪ বছরের ফুটফুটে গোলাপের কোন মূল্য নেই আফিমচাষীদের, পৌশাচিক নির্যাতনে, খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে পুলিশ হত্যা করেছে নবম শ্রেণীর ছাত্রকে, নির্বিচারের হত্যাযজ্ঞ চলছে প্রকাশ্য রাজপথে। কেবলমাত্র শিবির করার অপরাধে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ধরে ধরে হাত-পা-মাথায় পিস্তল-শর্টগান ঠেকিয়ে ঠেকিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মৃত্যুযন্ত্রণা উপভোজ করছে পুলিশ নামের আওয়ামী হায়েনারা। এর পাশাপাশি পুশাসনের ছত্রছায়ায় পুলিশের কাধে কাধ মিলিয়ে পুলিশের বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলে পড়ছে পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায়। আক্রমন করছে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায়, আক্রমণ করছে গভীর রাতে। নির্যাতন চালাচ্ছে নিরস্ত্র নিরপরাধ নারী-পুরুষকে। বাড়ী-বাড়ী তল্লাশী করে দাড়ি-টুপিওয়ালা পুরুষদের, বোরকাওয়ালী পর্দানশীল নারীদের হয়রানি করছে, গ্রেফতার করছে, নির্যাতন করছে, হাত পায়ের নখ উপড়ে ফেলছে, চোখে সুঁচ ফুঁটিয়ে অন্ধ করে দিচ্ছে, লজ্জাস্থানে ইলেক্ট্রিক শক দিচ্ছে, নির্বিজকরণ ইনজেকশন পুশ করে তরুণ যুবসমাজকে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে। আর এ সবকিছুই ঘটছে সমাজের বিবেক নামে খ্যাত মিডিয়াগুলোর সামনে। একই দিনে বগুড়ায় ৪ জনকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলো, চট্টগ্রামে নির্মমভাবে যখম করে বিনা চিকিতসায় রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে হত্যা করা হলো আরো ৪ জনকে, মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হাটু মুড়িয়ে রাস্তায় বসিয়ে ক্যামেরার সামনেই হত্যা করলো এক তরুনকে। অথচ বাংলাদেশের মিডিয়া মুখে শক্ত করে খিড়কি এটে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এ ঘটনাগুলো যাতে বহিঃবিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য শাহবাগ মোড়ে রঙ্গীন সিনেমার শুটিং শুরু করে দিল মিডিয়াগুলো। »» মিডিয়া ব্লাকআউট : মানবিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ

অবৈধ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ (Live)

‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ


আরো ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

Conversation between Nizamul hoque nasim and Ahmed ziauddin about warcrime tribunal Part
A politicised judiciary International Crimes Tribunal short highlight

Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Bad comment about Justice Jahangir and Zaheer 28 Aug
bangla_judge_shaheen_kneel_down_to_AZ_16_10
bangla_malum_simon_Ghadanik_long_campaign12_9
bangla_Shawkat_Degrading_Com_Judges_Pros_11_9
Hangings Means Prizes_ Nasim is told to pass a quick verdict and get a promotion 6 Sep
Judge Nasim designs Prosecution witness testimony short highlights
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 1_ 14 Oct 
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 2_ 10 Sep
Tribunal Chair prefer Yes-men over impartial judges short highlights
Tribunal Chairman wants to deliver quick judgment even if that results in a one sided trial 9 Oct

কথোপথনের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেমন আছেন, কেমন?
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই, আপনে কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি ভালোই, আজকে আমরা তো একটু গণতন্ত্র চর্চা করে এলাম আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : কী চর্চা…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : গণতন্ত্রের চর্চা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ও গণতন্ত্র!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে আমাদের এই লোকাল, স্থানীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারের ইয়ে ছিল আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভোট ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : ভোট ছিল, ভোট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ভোট।
নিজামুল হক নাসিম : বা… বা… বা খুব ভালো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: কিন্তু এগুলো তো হচ্ছে, পানসা ভোট আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : এ্যা…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এগুলো পানসা-টানসা টাইপের ভোট আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : তা তো বটে, ভোট হয় বাংলাদেশে। ওইসব ভোটে কোনো আরাম আছে—কেনো আরাম নাই। »» ‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ

১৮ দলের সমাবেশ সফল হোক! Live


বরিশালে মহাসমাবেশ লাইভ

পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার

আওয়ামী সরকারের দূর্ণীতির কারনে বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মানে প্রতিশ্রুত অর্থসহায়তা বাতিল করেছে বিশ্বব্যাংক, এটি পুরনো খবর।  অর্থায়ন থেকে সরে দাড়ানো সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিও পাঠকের জানা আছে। “বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির ঘটনায় চোখ বুজে থাকতে পারে না, তা উচিত নয় এবং থাকবেও না”-এমন দ্যর্থহীন শব্দমালায় বিশ্বব্যাংক আওয়ামী সরকারের গালে কষে চপেটাঘাত করেছে যে শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বই চমকে উঠেছে।  লাজশরমের মাথা খাওয়া আওয়ামী সরকার এতে লজ্জিত না হলেও ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংকের এমন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে অসম্মানজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং রহস্যময় বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মা’ল মুহিত। তিনি ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাংকের নয় বরং বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী সভাপতি রবার্ট জোয়েলিকের ব্যক্তিগত বলে  মন্তব্য করে অপমানের মাত্রা প্রশমনের চেষ্টা চালিয়েছেন যদিও বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নাকচ করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তটি কারো ব্যক্তিগত নয় বরং প্রাতিষ্ঠানিক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত। ন্যূনতম আত্মসম্মানবোধ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে উচিত ছিল দূর্ণীতি দমনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ করা। কিন্তু তা তিনি করেন নি, বরং আওয়ামী লীগ তাদের পুরনো কৌশলী রাজনীতির পথেই আরো জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। »» পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার