Archive for চেতনায় ইসলাম

ইজরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আওয়ামী সরকারের উদ্যোগ!

২০১৩ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের কথা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে অনুষ্ঠেয় উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহের নিরাপত্তা সম্মেলনে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ও আরব লিগভুক্ত ২৯টি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপন আলোচনা করেন। এই গোপন বৈঠকের আয়োজক-সংগঠকদের আগেই এ শর্তও দেয়া হয়েছিল যে, পেরেজের বক্তব্য ফাঁস বা প্রকাশ করা হবে না এবং কেবল এ শর্তেই তিনি ওই গোপন সভায় বক্তব্য রাখবেন, যদিও বিষয়টি ইজরায়েলী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ে। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি অংশগ্রহণ করেন বলে ইজরায়েলী দৈনিক পত্রিকা ‘ইয়েদিয়োথ অহরোনোথ’ জানিয়েছে। সভায় শিমন পেরেজকে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারী তেরজে রোয়েড লারসেন এবং ইজরায়েল-ফিলিন্তিন বিষয়ক বিশেষ দূত মার্টিন ইনদাইক বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এ বৈঠকে ইরান ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। পত্রিকাটি আরো জানায়, ইজরায়েলী প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকালীন কোন দেশের মন্ত্রী সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন যান নি বরং বক্তব্য শেষে সকলে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠেন। »» ইজরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আওয়ামী সরকারের উদ্যোগ!

এলোমেলো ভাবনা

আমাদের এলাকাটা হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ায় অনেকগুলো পুজো মন্ডপে ধুমধামের সাথে পুজো হতো। দলবেধে আমরাও আরতী অনুষ্ঠান দেখতে যেতাম। মানুষের আকৃতির বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি দেখে বিস্মিত হতাম। বিশেষ করে দূর্গা পুজোর আগ থেকেই আমরা বেশ আগ্রহ নিয়ে পুজো মন্ডপ ঘুরে ঘুরে দেখতাম। কি করে খড় দিয়ে দেবদেবীর দেহ কাঠামো তৈরী করা হয়, কি করে কাদা মাটি দিয়ে উন্নতবক্ষা দূর্গা ও তার মেয়েদের সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তোলা হয়, কি করে দামী দামী শাড়ি পেঁচিয়ে প্রেম জাগানিয়া অপরূপ সাজে দেবীদের উপস্থাপন করা হয়। সে অনেক আগের কথা, ক্লাস ওয়ান টুর সময়ের কথা। »» এলোমেলো ভাবনা

আল্লামা সাঈদী হুজুরের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত সফটওয়ার

আল্লামা সাঈদী হুজুরের জীবন ও কর্ম নিয়ে সফটওয়ার নির্মান করা হয়েছে। এতে তাঁর জীবনী, বিরল অডিও বক্তৃতা, ভিডিও বক্তৃতা, বিবেদিত কবিতা, বিরল ছবি ও আর্টিকেল আছে।

সাইজঃ ২.০৮ গিগাবাইট।

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। (রিজিউম সাপোর্টেড)

জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে এক্সট্রাক্ট করুন। তারপর “Sayedee at a glance” ফাইলটিতে ক্লিক করুন। ক্লিক করলেই ওপেন হবে। সেটআপ দেয়ার প্রয়োজন নেই।

মাটি কামড়ে পড়ে থাকা মুসলমানেরা জাগো!

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কী হলো , যখনই তোমাদের আল্লাহর পথে বের হতে বলা হলো, অমনি তোমরা মাটি কামড়ে পড়ে থাকলে? তোমরা কি আখেরাতের মোকাবিলায় দুনিয়ার জীবন পছন্দ করে নিয়েছো? যদি তাই হয় তাহলে তোমরা মনে রেখো, দুনিয়ার জীবনের এমন সাজ সরঞ্জাম আখেরাতে খুব সামান্য বলে প্রমাণিত হবে৷তোমরা যদি না বের হও তাহলে আল্লাহ তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেবেন এবং তোমাদের জায়গায় আর একটি দলকে ওঠাবেন, আর তোমরা আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না৷ তিনি সব জিনিসের ওপর শক্তিশালী৷”-আল-কোরআন, সূরা আত তাওবাহ, আয়াত ৩৮-৩৯

একদিন জেহাদের ডাক আসবে, হারে রে রে রবে দা বটি, ক্ষুন্তি, কোদাল নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে ইসলামের শত্রুদের কুপোকাত করে বাংলার নীল আকাশে পতপত করে উড়িয়ে দেব কালেমার সবুজ পতাকা। এমন সুখস্বপ্ন অনেক মুসলমানই দেখেন। স্বপ্নটাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে কোলবালিশটা আরো শক্ত করে আকড়ে ধরে রাতের পর রাত পার করে দেন অনেক আলেমে দ্বীন। তবু জেহাদের সে ডাক আসে না, আল্লাহর পথে বের হতে হয় না। জমিন কামড়ে কামড়ে বেশ কেটে যায় মর্দে মুজাহিদের দিন। »» মাটি কামড়ে পড়ে থাকা মুসলমানেরা জাগো!

উনুন থেকে ছড়িয়ে পড়ুক ইসলামী বিপ্লব

ইসলামী আন্দোলনের লাখো লাখো নেতা-কর্মীর মতো আমিও বিপ্লবের স্বপ্ন দেখি। প্রতিনিয়ত এমন একটা সমাজের চিত্র মনের মাঝে এঁকে চলেছি, যে সমাজে একমাত্র আল্লাহর প্রভূত্ব প্রতিষ্ঠিত, যেখানে মানুষরূপী দানবেরা মানুষের ভাগ্যবিধাতা হয়ে জেঁকে বসতে পারে না, যে সমাজে নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব, মুসলিম অমুসলিম সবার রয়েছে বেঁচে থাকার সমান অধিকার, খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের নিশ্চয়তা। এমন একটা সমাজের স্বপ্ন বুনে চলেছি যে সমাজের আমীর, দূর ফোরাতের তীরে ক্ষুধায় কোন কুকুরের মুত্যুতেও জবাবদিহিতা অনুভব করে। যে সমাজের বিচারকের দরবারে অপরাধী নিজ সন্তানও চাবুকের সাজা পেয়ে মৃত্যুর দুয়ারে পা বাড়ায়, যে সমাজে একাকী নারী সানা থেকে হাজরামাউত পর্যন্ত নির্ভয়ে যাত্রা করে। »» উনুন থেকে ছড়িয়ে পড়ুক ইসলামী বিপ্লব

Video suggests higher Bangladesh protest toll : Al Jazeera

Video footage obtained by Al Jazeera appears to contradict official death toll from May 6 violence in Dhaka.

Last Modified: 14 May 2013 16:47

Al Jazeera has obtained video footage suggesting that the Bangladesh government has been providing inaccurate death tolls from recent violence.

According to official figures, 11 people had died during fighting between police and protesters from Hifazat-e-Islam, an Islamic group, on May 6, a day protesters refer to as the “Siege of Dhaka”.

Human Rights Watch, a US-based rights group, said that the exact number of deaths resulting from the protests are “unclear”.

Bangladesh FM Dipu Moni

“Independent news sources put the figure at approximately 50 dead, with others succumbing to injuries later,” HRW said in a statement on Saturday.

In an interview with Al Jazeera, Bangladesh’s Foreign Minister Dipu Moni downplayed reports of inaccuracy in government figures.

“There can always be an inquiry, there can always be an investigation,” said Moni.

“The government or most of the people in the country doesn’t even think that there was any controversy with the matter,” she added.

Abdul Jalil, a deaf and mute grave digger at Dhaka’s state-run cemetery, communicated that he buried 14 bodies of bearded men with gunshot wounds after the protest, all at night.

The rights group wants an independent inquiry to find out what happened once and for all.

টকশো নয়, মুমিনের রাত্রি কাটুক আল্লাহর স্মরণে

একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশে দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টেলিভশন নামে দুটো বাংলা চ‍্যানেল ছিল। ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ডানপন্থী দর্শক হা করে টিভি সেটের সামনে বসে থাকতো গরম গরম সংবাদের আশায়। হিজাবী সুন্দরী মেয়েদের ততোধিক সুন্দর কন্ঠে গরম গরম খবরে বিভোর দর্শক খবর শেষ হলেও অনঢ় বস থাকতো অন‍্যান‍্য অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে স্ক্রলবারে সংবাদ শিরোনামগুলো দেখার আশায়। এভাবে সংবাদ দেখতে দেখতে একসময় টকশোর নেশায় বুদ হয়ে যেত সবাই। মাঝে মাঝে নাটক, সিনেমাও যে একেবারে দেখা হতো না তা নয় বরং সময়ের সাথে সাথে নাটক সিনেমা, ম‍্যাগাজিন অনুষ্ঠান, ইসলামী ব‍্যান্ডশো সবকিছু সহনীয় হয়ে যায়, অনেকে বলতে গেলে জায়েজই করে ফেলেন নাটক সিনেমা।

আজ দিগন্ত টিভি নেই, নেই ইসলামিক টেলিভিশনও, কিন্তু রয়ে গেছে সংবাদ, টকশো, নাটক-সিনেমার নেশা। “নিজেদের চ‍্যানেলের খবর দেখলেই তো হবে না, বিরোধীদের কথাওতো শুনতে হবে”। এভাবে প্রতিদিন, প্রতিরাত, নাটক সিনেমা টকশো দেখে দেখে মেজাজটা তিতিরিক্ষি করে শ্রাব‍্য অশ্রাব‍্য ভাষায় বামপন্থীদের পৃষ্ঠপোষক চ‍্যানেলগুলোর গুষ্ঠি উদ্ধার করে ক্লান্তশ্রান্ত হয়ে আছড়ে পড়ে বিছানায়। গভীর রাতের সে ঘুম আর ভোররাতে মোরগের কুক্কুরুকুউ ডাকে কিছুতেই ভাঙ্গে না, আল্লাহর পানে সিজদাবনত কাটে না সূবেহসাদেক, সোহাগ ভরে একটিবার প্রিয়ার মেহেদীরাঙ্গা হাতেও রাখা হয় না হাত।

টকশোর পর টকশো চলে, অফিসে, আদালতে, চায়েরটেবিলে সেসব টকশো ধীরে ধীরে তেতো হয়ে ওঠে, বিষিয়ে ওঠে জীবন। তবু সন্ধ‍্যা গড়িয়ে রাত্রি নামা মাত্রই রিমোট হাতে ঝাপিয়ে পড়ে “টকশো” নামের জেহাদের ময়দানে। এ যেন এক অদম‍্য নেশা, এ থেকে মুক্তি নেই রাজনীতি পাগল বাংলাদেশের।

হে বন্ধু! এবার থামো। আর কতো কাটবে তোমার জীবন নিছক ছেলে খেলায়? ওঠো, জাগো, আর তোমার রবের প্রতি সিযদাবনত হও। চোখ বুলাও কোরানের প্রতিটি বর্ণে বর্ণে, দেখ কত বৈচিত্রময়, কত বিজ্ঞানময় এ আলকোরআন। তুমি টকশো দেখে দেখে সময় পার করো অথচ সর্বকালের সর্বশ‍্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদের লক্ষ লক্ষ হাদীস তোমার অজানা। লক্ষ লক্ষ আলেমে দ্বীন পরাভূত হয় গণহত‍্যায় এই বাংলায়, যে বাংলা একদা বিজিত হয়েছিল মাত্র সতেরজন মুসলিম ঘোরসওয়ারের ক্ষুরাঘাতে। হাজারো টকশো দেখেও তুমি পাবে না বিজয়ের সে মূলমন্ত্র।

ওঠো, টিভি সেটের সামনে থেকে উঠে আসো জায়নামাজে, চোখ ফেরাও তোমার রবের পানে, আর দু’চোখের জলের সাথে ঢেলে দাও তোমার যতো দুঃখ যাতনা।
মনে রেখ, কেবলি রক্ত নয়, চোখের নোনা জলে ভেসে ভেসে বিজয়ের পানসি ভেরে সাফল‍্যের সোনালী বন্দরে।

Bangladesh: Independent Body Should Investigate Protest Deaths :HRW

Rolling Demonstrations Could Lead to Bloodbath Without Government Action

(New York) – The Bangladeshi authorities should immediately set up an independent commission to investigate the large numbers of deaths and injuries during the Hefazat-e-Islaam-led protests in Dhaka and elsewhere on May 5-6, 2013, Human Rights Watch said today.

The commission should also investigate violence that killed dozens in February, March, and April after protests and counter-protests broke out after the announcement of verdicts by the country’s International Crimes Tribunal (ICT).

The exact number of deaths during the May 5-6 protest remains unclear, with figures ranging from the official government figure of 11 deaths to Hefazat’s estimate of thousands. Independent news sources put the figure at approximately 50 dead, with others succumbing to injuries later. The dead include several security personnel. »» Bangladesh: Independent Body Should Investigate Protest Deaths :HRW

লংমার্চ লাইভ Long March

Download (PDF, 1.59MB)

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১: ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আওয়ামী জাহেলিয়াত!

বিশ্বনন্দিত আলেমে দ্বীন, মুফাস্‌সিরে কুরআন, সারা বাংলার তৌহিদী জনতার আবেগের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি প্রমাণিত বলে জানিয়েছা ট্রাইব্যুনাল। আমরা এ রায় তীব্রঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ রায়ের বিরুদ্ধে যাতে জামায়াত ইসলামী ও তৌহিদী জনতা কোনরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে না পারে সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই মামলার কিছু আলোচিত দিক:

* আল্লামা সাঈদীর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার সিকদারকে সাঈদী বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা, অবশেষে মাদ্রাসা বোর্ডের সার্টিফিকেটে তা ভুল প্রমানিত।

* বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানরত ভানু সাহাকে ধর্ষনের অভিযোগ অথচ ভানু সাহা বললেন বর্তমান ওলামা লীগ নেতা মোসলেউদ্দীন তাকে ধর্ষন করেছে! সাঈদীর নাম শুনেছেন প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে।

* জাফর ইকবালের পিতার খুনের আভিযোগ। মামলার সাক্ষী ছিলেন জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, শাহরিয়ার কবির, দু:খের বিষয় উনারা কেউই আদালতে হাজির হননি! রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি বলছেন উনাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও উনাদের সবাইকে সাহাবাগে নিয়মিত দেখা যায়! জাফর ইকবালের মা তার স্বামীর হত্যার বিবরণ দিয়ে একটি বই ও লিখেছেন। অথচ একবারও উনি সাঈদীর নাম উল্লেখ করেননি!

* ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভূক্ত সাক্ষী সুখ রঞ্জন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ডিবি কর্তৃক অপহরণ! যার হদিস এখনো মেলেনি।

* সাঈদী রাজাকার ছিলেন না এই মর্মে পিরোজপুরের সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাক্ষ্য প্রদান।

* রাষ্ট পক্ষ সাক্ষীদেরকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলুব্ধকরণের রেকর্ড প্রকাশ।

* মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টি আল্লামা সাঈদী যশোরে কাটালেও উক্ত এলাকার কাউকে বাদী করা হয়নি! এবং যশোরের যার বাড়ীতে থাকতেন ঐ ভ্দ্রলোককে সাক্ষী হিসাবে নেয়া হয় নি।

* সর্বশেষ ষ্কাইপি কেলেংকারির দায়ে আইসিটির সাবেক বিচারপতি নাসিমের পদত্যাগ।