Archive for স্বাস্থ্যকথা

সংবাদ প্রতিদিন : ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২

৬ মুসলিম দেশে বাংলাদেশের শ্রম বাজার হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা
শৈত্য কিছুটা কাটল সাহারার সফরে
সীমান্তে গুলি না করার নির্দেশে আক্রান্ত হচ্ছে বিএসএফ : পিনাক
হিলি সীমান্তের ওপারে বিএসএফের সহযোগিতায় বাড়ি নির্মাণ বিজিবির বাধায় বন্ধ
ন্যায্য সমুদ্রসীমা চায় বাংলাদেশ : রায় মার্চে, প্রভাব পড়বে ভারতের ক্ষেত্রেও
তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে এ সপ্তাহে ঢাকায় বৈঠক
ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো একমত হলেই তিস্তা চুক্তি : গওহর রিজভী
টাইমস নাউ চ্যানেলের খবর : তিস্তা চুক্তির জন্য মমতার সঙ্গে দেখা করবেন হাসিনা
ট্রানজিট ছাড়াই বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন হচ্ছে
ভারতকে একতরফা ছাড় দেয়ার মূল্য দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে
ফারাক্কা নিয়ে মমতার অভিযোগের স্বীকৃতি দিল কেন্দ্রীয় প্রতিদিধি দল (সংবাদের বাকী অংশ)
জামানত ছাড়া এফসি হিসাব খুলতে পারবে প্রবাসী বাংলাদেশীরা
ঘরে বাইরে চাপের মুখে সরকার
দলীয়করণে বন্দী জনপ্রশাসন
আজ সংবাদ মাধ্যমে ১ ঘণ্টার কর্মবিরতি
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে আইপিআইর উদ্বেগ : সাংবাদিক নির্যাতন-খুন সব দেশেই হয় – আইনমন্ত্রী
‘মিডিয়া এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন তাই সত্য-মিথ্যা লিখে যাচ্ছে’
খালেদা সেনাবাহিনীর ঘাড়ে বন্দুক রেখে ক্ষমতায় যেতে চাচ্ছেন
১২ মার্চ বাঁধা দেয়া হলে বিএনপি আঙ্গুল চুষবে না : ফারুক
রাজনীতিতে আগ্রহ নেই বিশিষ্ট সেই নাগরিকদের
পরিচালকরা অগি্নমূল্যে শেয়ার বেচে পানির দরে কিনছেন
এক বছরেই প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৮ হাজার টাকা
জ্বালানি আমদানি ॥ সরকার ৫০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে
জ্বালানী তেলের এলসি খুলতে নারাজ রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক
ব্যাংক ঋণের সুদের হার লাগামহীন : এসএমই খাতেও ১৮-১৯ শতাংশ হারে সুদ আদায় হচ্ছে
বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ১০,২০,৩০ টাকার নতুন নোট বাজারে আসছে
ট্রাইব্যুনালের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিবেদককে সতর্ক করল ট্রাইব্যুনাল : দুই দিনের মধ্যে প্রতিবাদ ছাপানোর নির্দেশ
আমি সেনাপ্রধান থাকলে একজনকেও মরতে হত না : এরশাদ
মহিতুলকে শরীয়তপুর উপ-নির্বাচনে সুযোগ দিন ইসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ
সুজনকে টাকা দেয়ার ঘটনা খতিয়ে দেখবে নতুন ইসি
ইভিএম খতিয়ে দেখা হচ্ছে  : বৃহৎ পরিসরে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি ইসি
ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন জরুরি : সংসদে প্রশ্নোত্তরে শিক্ষামন্ত্রী
ঢাবি ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রী অপহরণ পরে উদ্ধার
শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে তোলপাড় নর্থসাউথ ভার্সিটি
চট্টগ্রামে জিম্মি পাঁচ তরুণী উদ্ধার গ্রেফতার তিন
দিনে ‘ও’ লেভেল পাস স্মার্ট যুবক : রাত নামলেই ‘ভয়ঙ্কর’
পানি সংকট ও দূর্গন্ধ দূর্বিষহ করে তুলেছে রাজধানীর জনজীবন
স্টোরে ওষুধ আছে, রোগীরা পায় না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দরবার শরিফ থেকে দুই কোটি টাকা লুট করেছে র‌্যাব
বিপ্লবের সহযোগীরও খুনের সাজা আংশিক মাফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি
সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করা মোটেও উচিত নয়
ক্ষমাশীল রাষ্ট্রপতি!
চ.বি. ছাত্রলীগের তিন নেতা বহিষ্কার
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ
মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে : শিবির সভাপতি
এসিড পানের পর ৮ মাস চিকিৎসাধীন চবি ছাত্রীর মৃত্যু
শিক্ষকের বেত্রাঘাত অতঃপর…
শিবপুরে আ.লীগের বাধায় ঠিকাদার নিয়োগ হচ্ছে না
টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি ও দলীয়করণে কোন পরিবর্তন আসেনি – একান্ত সাক্ষাৎকারে মেনন
“কেউ যদি তোমায় ‘সেক্সি’ বলে, তাতে বিরক্ত হয়ো না” : ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন মমতা শর্মা
কোচবিহারে কুড়ি হাজার কুইন্টাল আলু পুঁতে দিল হিমঘর
আলোর মুখ দেখল মারডকের সাপ্তাহিক‘সান অন সানডে
সবচেয়ে ধনী কাতার

খালেদা-হাসিনাকে হাকিয়ে নিতে চাই ক্লিনার-ব্রাদারের ছুরি-কাঁচির তলে

সেলুকাস! বিচিত্র এ দেশ। বিচিত্র এদেশের মানুষ। বিচিত্র এদেশের  মানুষের পেশা। আর পেশার মাঝে প্রতারণাই যেন সবচেয়ে বেশী প্রিয় মানুষের। যে যেমন করে হোক অন্যকে প্রতারিত করে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে, আবার কোন না কোন ভাবে সে নিজেই জড়িয়ে যায় অন্য কারো প্রতারণায় কারেন্ট জালে। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-কুশিয়ারার নরম পললে জেগে ওঠা বাংলাদেশের নরম মাটির মতো এদেশের সাধারণ মানুষের মনও নরম, যেমন খুশি তেমন ছাঁচে ঢেলে সাজানো যায়। যত বড় প্রতারণাই হোক না কেন তা ধারণ করার মতো উদার হৃদয় বাংলাদেশের, সব কিছুই মেনে নেয়া যায়। তবু মাঝে মাঝে এমন কিছু প্রতারণা খবর শুনি যা ক্ষণিকের জন্য হলেও আমাদের থমকে দেয়। »» খালেদা-হাসিনাকে হাকিয়ে নিতে চাই ক্লিনার-ব্রাদারের ছুরি-কাঁচির তলে

রূপপুর : ঝুঁকিতে পড়ছে কি বাংলাদেশ!

সিকি শতাব্দী ধরে পরিত্যক্ত সাজানো গোছানো নগর

জাপানে পারমাণবিক চুল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বিশ্ব বিবেককে আরেকবার নাড়িয়ে দিয়েছে। পরমানু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকে সভ্যতা বিধ্বংসী শক্তি নিয়ে খেলার পরিণাম কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা আরেকবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেল । পারমানবিক দূর্ঘটনায় সাধারণত সঠিক তথ্য কখনোই প্রকাশিত হয় না, তাই জাপানে কতটা ক্ষতি হয়েছে তার হয়তো সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে না যদিও ইতোমধ্যেই সাগর পেরিয়ে রাশিয়া পোঁছেছে তেজস্ক্রিয়তা । তারপরও পারমানবিক স্থাপনায় আমেরিকার সহায়তাকে জাপান উপেক্ষা করায় সন্দেহ আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এর আগে রাশিয়ার পারমানবিক ডুবোজাহাজ কুরস্ক দূর্ঘটনায় পড়লে তারাও সাহায্যের প্রস্তাব প্রথমে প্রত্যাখ্যান করেছিল। বিষয়টি যে কতটা ভয়াবহ তা পারমানবিক শক্তিধর দেশগুলো ঠিকই অনুধাবন করতে পারছে আর  তাই পরমানু স্থাপনা নির্মান স্থগিত করেছে চীন, জার্মানী এবং সুইজারল্যান্ড, এমনকি চাপের মুখে পড়েছে ওবামার পারমানবিক জ্বালানী চুক্তিও।  আর ভারতে তো বিতর্কিত পারমানবিক চুক্তি কেলেংকারী নিয়ে গতকাল পাল্টামেন্টে হট্টগোল বেধে গেল, প্রধানমন্ত্রী মনমোহনের পদত্যাগ দাবী করা হলো। “ডাক্তার বাবু ভয়ে ছোটে, নাপতা ব্যাটা ফোঁড়া কাটে”, ঠিক তেমনি পারমানবিক বিস্ফোরণে স্তব্ধ পরমানু বিজ্ঞানীরা যেখানে পারমানবিক শক্তির বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন, নিরাপত্তা নিয়ে পেরেশান হচ্ছেন, সেখানে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ঘোষণা করলেন, রূপপুর পরমাণু কেন্দ্র নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয় বাংলাদেশ। সাবাস! মন্ত্রী, সাবাস!! »» রূপপুর : ঝুঁকিতে পড়ছে কি বাংলাদেশ!

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল পেতেএখানে ক্লিক করুন অথবা পুরো ফলাফলের লিস্ট দেখতে এখানে ক্লিক করুন। অথবা SMS পাঠান ৯৯৩৪ নম্বরে নিম্নোক্ত নিয়মেঃ
মেসেজ অপশনে টাইপ করু:
misdghs (স্পেস) College_code (স্পেস) Regi._No.
এবং পাঠিয়ে দিন 9934 নম্বরে, যে কোন মোবাইল থেকে।

দেশের সবচেয়ে মেধাবীদের মাঝ থেকে যারা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেন তাদের অভিনন্দন। “ব্যাবসা নয়, সেবা” চিকিৎসাক্ষেত্রে এ হোক আমাদের অঙ্গীকার।

অ্যাসিড সন্ত্রাস দমনে আন্তরিকতা নেই

অ্যাসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ অনুসারে এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড৷ অ্যাসিড নিক্ষেপ বন্ধ করতে এই সাজা বাড়ানোর জন্য আইন সংশোধন করতে সংসদে ‘অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০১০’ বিল উত্থাপন করা হয়েছে। ২০০২ সালে অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ আইন করার পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৬ বছরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ১,৪৪০টি মামলা হয়েছে, ২৫৪ জনকে বিভিন্ন ধরনের দণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত৷ মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে ১১ জনের বিরুদ্ধে৷ তবে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করায় কার্যকর হয়নি কারো মৃত্যুদণ্ড৷ সর্বোচ্চ সাজার বিধান থাকার পরও কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এসিড সন্ত্রাস, প্রতি দু’দিনে একজন করে এ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার হয় বাংলাদেশে। »» অ্যাসিড সন্ত্রাস দমনে আন্তরিকতা নেই

ক্যামনে বইবো বল শোকের পাহাড়

বাতাসে লাশের গন্ধ। চারিদিকে শোকের মাতম। স্বজন হারানো ব্যাথায় বাকরুদ্ধ দেশ। যে দিকে দৃষ্টি যায় শুধুই লাশের মিছিল। মিছিল চলেছে আজিমপুর গোরস্থান পানে। গোরখোদকের দল খুড়ে চলেছে সারি সারি শতাধিক কবর। এ খোড়াখুড়ির যেন শেষ , এ কষ্টের বুঝি কোন সীমা নেই।
স্বজন হারিয়ে উদ্ভ্রান্ত যুবক বোবা দৃষ্টিতে তাকায় লাশের দিকে। দু’পা ছড়িয়ে আকুল হয়ে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে থাকা মায়ের মাথা টেনে নেয় কোলে, আরেক কোল জুড়ে স্বর্গের পরী ছোট্ট খুকি। কাকে রেখে কার দিকে তাকাবে সে? এক হাতে পৃথিবী আর এক হাতে বেহেস্ত পেলেও যে মায়ের মুখের হাসি হারাতে রাজি নয় সে, সে আজ কি করে বিদায় দেবে মাকে সীমারের মতো? যে সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে চেয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী কাটিয়ে দেয়া যায়, ভুলে থাকা যায় জাগতিক যত দু:খ, কষ্ট, যন্ত্রণা, সে সন্তানের ‘বাবা’ ‘বাবা’ ডাকগুলো কি করে আজ মাটিচাপা দেবে সে? »» ক্যামনে বইবো বল শোকের পাহাড়

আস্থার মিনার ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়

আস্থার মিনারগুলো একে একে ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়। অর্থ আর প্রতিপত্তির পাহাড়ে চাপা পড়ে ছটফটিয়ে মরে বিশ্বাস। বিশ্বাস যেন শুধু বিশ্বাসঘাতকতারই হাতিয়ার। কারো প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই, নেই মানবতা, নেই ভালোবাসা, চারিদিকে শুধুই স্বার্থপরতার দূর্ভেদ্য দেয়াল।
এমন মা-বাবা কজন আছেন যারা সন্তানকে নিয়ে সুখস্বপ্নের জাল বোনেন না। বাবা-মা স্বপ্ন দেখেন নামকরা ভবিষ্যত ডাক্তারের, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে আছে যার সুনাম, যার মিষ্টি মুখের দর্শনে অনেকটাই সুস্থবোধ করে মৃত্যুপথযাত্রী কোমার রোগী।
হ্যা, এমন একটা দিন ছিল যখন ডাক্তারি পেশাকে সম্মানের চোখে দেখা হতো, ডাক্তারের সামনে শ্রদ্ধায় প্রাণ বিগলিত হতো, ইশ্বরের দূত হিসেবেই অনেকে জ্ঞান করতেন ডাক্তার সমাজকে। অথচ আজ ডাক্তার শব্দের সাথে শ্রদ্ধার যেন প্রচন্ড বিরোধ, ডাক্তার শব্দের পাশে বিশেষণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে অমানুষ, কসাই, ডাকাত, রক্তচোষা প্রভৃতি ভয়ংকর শব্দ।
মাঝে মাঝেই সংবাদ বেরোয় অপারেশন শেষে গজ, তুলো, ছুড়ি, কাঁচি পেটের ভেতর রেখেই সেলাই করে দিচ্ছে অসতর্ক ডাক্তার, দীর্ঘদিন মৃত্যুযন্ত্রণায় ভুগে হয়তো এক্সরেতে ধরা পরে পেটের মাঝে লুকিয়ে থাকা কাচির অস্তিত্ব। নিস্তার মেলে না রোগীর, প্রচন্ড অবিশ্বাস আর উদ্বেগ নিয়ে পেটটি আবারো সমর্পন করতে হয় অন্য কোন ডাক্তারের ছুড়ির কাছে। »» আস্থার মিনার ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়

এইডস প্রতিরোধে করণীয় (দুই)

মাদক বিবেককে হত্যা করে

এইডসের বীজানু সংক্রমিত হওয়ার আরেকটি বিপদজনক মাধ্যম হলো মাদক। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাদকের যে আগ্রাসন চলছে তাতে অন্য মাধ্যমগুলো বাদ দিলেও শুধুমাত্র মাদকের মাধ্যমেই এইডস মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। মহাজ্ঞানী আল্লাহ তায়ালা তাই মাদককে নিষিদ্ধ করেছেন।

“হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাকো- যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখনো কি নিবৃত হবে না”? সূরা আল-মায়েদাহ ৯০-৯১। »» এইডস প্রতিরোধে করণীয় (দুই)

এইডস প্রতিরোধে করণীয়

এইডস সম্পর্কে সবচেয়ে ভয়ংকর যে তথ্যটি আমরা এখন পর্যন্ত পাই তা হলো এইডসে আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করার জন্য কোন কার্যকরী ওষুধ এখনো উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় নি। “হার্রট” অর্থাৎ Highly active antiretroviral therapy (HAART) নামক এক ধরণের কম্বিনেশন ওষুধ রয়েছে এইডসের চিকিৎসার জন্য যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ ওষুধ এইডস রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে না বরং মৃত্যুকে কিছুদিনের জন্য বিলম্বিত করতে পারে মাত্র। যেহেতু এইডসের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং চিকিৎসায় পুরোপুরি আরোগ্যলাভ অসম্ভব তাই এইডস প্রতিকারের চেয়ে এইচআইভি অনুপ্রবেশ অর্থাৎ এইডস প্রতিরোধই কার্যকর উপায়। তবে হতাশার কথা এই যে, এইডস প্রতিরোধের জন্য ব্যাপক গবেষণা চললেও এর প্রতিরোধের জন্য কোন টীকা বা প্রতিষেধক আবিস্কারে অগ্রগতি ঘটে নি এবং খুব সহসাই এইডস প্রতিরোধক টীকা আবিস্কার হওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। তাই এইচআইভি সংক্রমিত করে এমন সব মাধ্যমগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরী। »» এইডস প্রতিরোধে করণীয়

সামাজিক মেলামেশায় এইচআইভি ছড়ায় না

এইডস একটি মরণব্যাধি হওয়ায় এ সম্পর্কে মানুষের রয়েছে ব্যাপক ভীতি তেমনি রয়েছে অজ্ঞতা। আর এ অজ্ঞতার ফলে এইচআইভি বহণকারী ব্যক্তি বা এইডস আক্রান্ত রোগীকে সামাজিকভাবে অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করতে হয়। এইডস সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে এবং অযৌক্তিক ঘৃণার কারণে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়েছে অনেক এইডস রোগীকে। এইচআইভি বহনকারী ব্যক্তির সাথে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক মেলামেশা ওঠাবসা করা হয় না, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে পাশবিক অত্যাচার চালিয়ে বা গায়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনাও ঘটেছে অতীতে। কিন্তু এইচআইভি বহনকারী ব্যক্তি বা এইডসের কোন রোগী কাউকে ছুয়ে দিলেই কি এইচআইভি সংক্রমিত হয়? না, এইচআইভি ছোঁয়াচে নয় এবং শুধুমাত্র স্পর্শের মাধ্যমেই এইচআইভি এক শরীর থেকে অন্য শরীরে স্থানান্তরিত হতে পারে না। »» সামাজিক মেলামেশায় এইচআইভি ছড়ায় না