Archive for বাংলাদেশ
সেনা অভ্যুত্থান : ব্যর্থ নাকি সফল!
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা সদরের পরিচালক (পিএস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রাজ্জাক গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, সেনাবাহিনীর কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কতিপয় ‘ধর্মান্ধ কর্মকর্তার’ সরকার উত্খাতের একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেয়া হয়েছে। টেলিভিশনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের লিখিত বক্তব্য শোনার সময় মনে হলো আমার কান আস্তে আস্তে দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে, মুখমন্ডল চোঙার মতো সুচালো হয়ে যাচ্ছে, মোটকথা আমি নিজেকে আস্ত গাধা বলে অনুভব করলাম। বাকরুদ্ধ এই আমি কয়েকট মিনিট কোন কথা বলতে সাহসী হলাম না, ভয় হলো কথা বললেই হয়তো মুখ থেকে কথার বদলে গাধার চিৎকার বেরিয়ে পড়বে। হয়তো সচেতন দেশবাসীরও আমার মতো একই অনুভূতি হয়ে থাকবে। স্পষ্ট মনে হলো, সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র গণমাধ্যমকে ব্যবহারের সময় পুরো দেশবাসীকে গাধা সাব্যস্ত করেছেন। অনেক পুরনো একটা কথা সাধারণের মাঝে চালু আছে, “প্যারেড করতে করতে নাকি অনেকের বুদ্ধিশুদ্ধি হাটুতে নেমে যায়” কথাটি এতদিন বিশ্বাস করিনি, তবে আজ বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় অন্তত দু’এক জন সেনা কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এ প্রবাদটি হয়তো আদৌ মিথ্যে নয়, যাদের আবোল তাবোল বক্তব্যে পুরো সেনাবাহিনীর সাথে দেশবাসীও বিব্রত হয়। »» সেনা অভ্যুত্থান : ব্যর্থ নাকি সফল!
যুদ্ধাপরাধের বিচার : জাতিকে বিভক্তির মাধ্যমে হিংসাত্মক যুদ্ধে ঠেলে দেয়ার অপচেষ্টা
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অবশেষে গ্রেফতার করা হলো ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, এক সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা ও ঢাকসুর সাবেক জিএস, ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজমকে। তাকে গ্রেফতার করা হবে, এটি বছর খানেক আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দ যেমন জানতেন, জানতেন রাজনীতি সচেতন মহল, ঠিক তেমনি ভাবে অধ্যাপক গোলাম আযমও তার গ্রেফতারের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন, এবং বলা যায় এ কারনে নিশ্চিন্তও ছিলেন তিনি। গ্রেফতার যখন হতেই হবে, তখন শুধু শুধু চিন্তা করে সময় নষ্ট করার মানে হয় না। তাইতো তিনি কিছুদিন আগে একুশে টিভির নাছোরবান্দা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, “জুলুম করলে জুলুম সহ্য করতে হবে“। তিনি যেমন জানতেন প্রহসনের বিচারের নামে তার উপর জুলুম করা হবে, ঠিক তেমনি তিনি এটিও জানতেন যে আল্লাহই সর্বক্ষমতাবান, তাঁর কাছেই সবাইকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তাই তিনি ছিলেন নির্ভিক, তাইতো তিনি দৃপ্তকন্ঠে ঘোষণা করেন, “যদি অন্যায়ভাবে মৃত্যু দেয়া হয়, তাহলে শহীদ হওয়ার গৌরব পাওয়া যায়। সে হিসাবে, ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হিসাবে, শাহাদাতের কামনা করি” । তবে আদালতে যে ফাঁদে ফেলে তাকে গ্রেফতার করা হবে এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চমহল ছাড়া আর কারোই জানা ছিলনা বলেই মনে হয়। কেননা আদালত অধ্যাপক গোলাম আযমকে ১১ তারিখ হাজিরা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়, অন্যথায় গ্রেফতারী পরোয়ানার কথা জানানো হয়। নির্দিষ্ট তারিখে সকালেই আদালতে হাজিরা দিতে এসে সরকারের প্রতারণার ফাঁদে আটক হন বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত নব্বই বছর বয়সী মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম আযম। »» যুদ্ধাপরাধের বিচার : জাতিকে বিভক্তির মাধ্যমে হিংসাত্মক যুদ্ধে ঠেলে দেয়ার অপচেষ্টা
গোলাম আযমের গ্রেফতারে বিজয়ের পথে আরেক ধাপ এগোল জামায়াত
জামাত-শিবির সম্পর্কে এক ধরণের অস্বস্তিকর ভীতির সঞ্চার করা হয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। ভীতি সঞ্চার করা হয়েছে নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে, অতি যত্নের সাথে, দীর্ঘ দিনের অক্লান্ত সাধণার মাধ্যমে। এরই ফলশ্রুতিতে যারা জামাত-শিবিরের কোন কর্মীকে সরাসরি দেখার সুযোগ পায়নি তারা যখন এদের নাম শুনতে পায়, তাদের দূর্বল মনের পর্দায় ভেসে ওঠে দন্ত-নখর ছড়িয়ে হামলে পড়া ভয়ংকর রাক্ষসের বিভৎস চেহারা। “রগ কাটা” গালি শুনতে শুনতে অভ্যস্ত সাধারণ মানুষে ভাবতেই পারে, জামাত-শিবিরের কর্মীরা ক্ষুর নিয়ে নরসুন্দরের মতো পথে প্রান্তরে, হাটে-বাজারে ঘুরে বেড়ায় কঁচি কঁচি ছাত্রদের তরতাজা রগের সন্ধানে, যেন প্রথম সুযোগেই কসাইয়ের নিঁপুন হাতে হাত পায়ের রগ কেটে ম্যাগি নুডুলস বানিয়ে খাবে। কেউ কেউ আরো একধাপ এগিয়ে মগবাজার, পল্টন, কাটাবন কিংবা জামায়াত নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোয় পথ চলতে চলতে শুনতে পান ভূগর্ভস্থ সারি সারি ট্যাংক, সাজোয়াযানের কুচকাওয়াজ।
কিন্তু জামায়াত-শিবিরের যেকোন নেতা-কর্মীর সাথে সেই ভীতসন্ত্রস্ত নাগরিক প্রথম দর্শনেই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যান। কল্পণার আর্টগ্যালারিতে সজ্জিত ভয়ালদর্শন রাক্ষসের সাথে নীরিহ অতি সাধারণ মানুষটিকে মেলাতে একেবারেই অপরাগ হন। আরো আশ্চর্য, প্রতি নিয়ত রাস্তাঘাটে, হাটে বাজারে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত শিবিরের এই কল্পিত দানবেরাই প্রতিপক্ষের হাতে নির্যাতিত হয়, হাত-পায়ের রগ খুইয়ে বিছানায় কাতরায়, প্রকাশ্যে লগি-বৈঠার আঘাতে আঘাতে কুকুরের মতো নিহত হয়। সুদীর্ঘ সময় ধরে অঙ্কিত এই কল্পিত রাক্ষস-খোক্ষসেরা নিয়মিত মিছিলে নির্যাতিত হয়, মিটিংয়ে নিপীড়নের শিকার হয়, মানববন্ধনে রক্তাক্ত হয়, প্রতি মুহুর্তে এদের মৃত্যুর দুয়ার থেকে পালিয়ে বেড়াতে হয়। »» গোলাম আযমের গ্রেফতারে বিজয়ের পথে আরেক ধাপ এগোল জামায়াত
তিতাস একটি নদীর নাম
ট্রানজিটের নামে ভারতকে করিডোর দিতে খরস্রোতা তিতাস নদীকে হত্যা করা হয়েছে নির্মম নিষ্ঠুরতায়। নদীর জল শুকিয়ে গেলেও প্রতিবাদের বান ডেকেছে সাধারণ মানুষের মনে। বিপন্ন দেশ, বিক্ষুব্ধ দেশবাসী, প্রতিবাদমুখর দেশী-বিদেশী ছাত্র সমাজ। ভারতের কৃততদাস সরকারের নিষ্ঠুরতায় শুকিয়ে যাওয়া তিতাসের জল ঢেউ তুলেছে সুদূর সুইডেনবাসী ছাত্রদের হৃদয়সিন্দুতেও। তারই সচিত্র প্রতিবেদন দেখুন নীচের ভিডিওচিত্রঃ
কি করে একটি নদীকে গলা টিপে হত্যা করা যায় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ দেখতে পাবেন নীচের ভিডিওগুলিতে। এ তো কেবল একটি নদী হত্যা নয়, এ যেন এক গণহত্যা। অথচ কি আশ্চর্য, এমন বিপর্যয়ে পাশে নেই পরিবেশবাদীরা। ক্ষুধার তাড়নায় যারা অতিথি পাখি মারে, তাদের নিয়ে হৈ চৈ বাঁধাতে ওস্তাদ ওরা, দেশকে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করছে যে জাহাজভাঙ্গা শিল্প, পরিবেশ বিপর্যয়ের নামে তা রুদ্ধ করে দিতে আন্দোলনে নামে ওরা অথচ আজ দেশের প্রয়োজনে সেসব জ্ঞানপাপীরা মুখে কুলুপ এঁটেছে। থাকুক ওরা মুখ বুজে, থাকুক ওরা পেঁচার মতো মুখ লুকিয়ে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ষোল কোটি জনতার। আসুন তিতাস রক্ষায়, দেশরক্ষায় আমরাই গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলি।
নির্ভিক গোলাম আযম : শক্তির উৎস কি?
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-বরিশাল, ঘাতক দালাল নিমূল কমিটি এবং আরো আধডজন কমিটির আয়োজনে শহীদ মিনারে বিজয়ের ৪০ বছর উৎযাপন উৎসবে যোগ দিলাম। চারশ’ এর মতো আসন দিয়ে সাজানো শহীদ মিনার চত্তরের পুরোটাই প্রায় ফাঁকা। প্রথম সারিতে পাঁচ-ছ জন দর্শক, ইতস্তত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আরো কিছু দর্শক এবং শেষ সাড়িতে বেশ কিছু দর্শক নিজেদের মতো করে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছে। সব মিলে অনুষ্ঠানে পয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ জন দর্শক। মাঝের সারিগুলো প্রায় ফাঁকা রেখে শেষের সারিতে বসা দর্শকদের দেখে সহজেই অনুমান করা যায় পড়ন্ত বিকেলে আমার মতো ক্লান্ত শ্রান্ত পথচারী আর রিক্সাওয়ালারা দখল করেছে আসনগুলো। শহীদ মিনারে কে বক্তৃতা দিল, কি নিয়ে আলোচনা করলো তাতে তাদের কিই বা আসে যায়, কাজের ফাঁকে একটু বসার সুযোগ মিলেছে, এতেই খুশী সবাই। দর্শকদের মাঝে মেয়েদের সংখ্যাই বেশী, পুরুষের মাঝে দাড়ি-টুপীওয়ালা দেখলাম কয়েকজন। বুঝতে পারলাম, এরাই প্রকৃত শ্রোতা, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আগড়ম বাগড়মের জোর কতো তা-ই পরখ করতে এসেছে হয়তো। »» নির্ভিক গোলাম আযম : শক্তির উৎস কি?
আল্লাহকে ছাড়া কাউকে ভয় করার অনুমতি নাই : গোলাম আযম
এটিএন নিউজ ও বাংলা ভিশনকে দেয়া ভাষা সৈনিক ও ডাকসুর সাবেক জিএস, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর সাবেক আমীর, মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম আযমের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ:
এটিএন নিউজে প্রচারিত সাক্ষাৎকারের প্রথম অংশ
এটিএন নিউজ : আপনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে এবং একটু আগেই আমরা জেনেছি যে, এই অভিযোগ আমলে নেয়ার প্রশ্নে আগামী ২৬ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিবেন, আপনার প্রতিক্রিয়াটা আমরা শুনতে চাই। »» আল্লাহকে ছাড়া কাউকে ভয় করার অনুমতি নাই : গোলাম আযম
ব্যাগভর্তি ভারতীয় টাকায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
নির্বাচনের কিছুকাল আগের কথা। আমার জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থানীয় এক ভদ্রলোক স্বগোত্রীয় জনৈক ভদ্রমহিলাকে নিয়ে আমার অফিসে পরামর্শের জন্য আসেন। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার কিছুটা জানাশোনা থাকায় এবং এলাকায় খুবই শান্তিপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত থাকায় ভদ্রলোক তাদের সমস্যার জন্য সম্ভবত আমার পরামর্শ নেয়াটাই নিরাপদ মনে করেন। সমস্যাটি মূলত ভদ্রমহিলার। জানতে চান, ভারত থেকে বেশ কিছু টাকা আসবে, তা কিভাবে তিনি পেতে পারেন তার সহজ পদ্ধতি আমাকে বাতলে দিতে বললেন। ভাবলাম, সম্ভবত তার কোন আত্মীয় বা স্বামী-সন্তান জীবিকার টানে ভারতে বসবাস করে থাকবেন। আমি জানি, সবচেয়ে দ্রুততার সাথে দশ মিনিটেই টাকা গ্রহণ করা সম্ভব, যা ব্যাংকের ভাষায় ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ, স্পীড ক্যাশ কিংবা স্পট ক্যাশ ইত্যাদি নামে পরিচিত। তবে তার একটা সীমা আছে, তখনকার সময় সাধারণত ৩ লাখ টাকার বেশী একসাথে পাঠানোর সুযোগ ছিল না। তাদেরকে জানালাম, যতদূর জানি, সহজে পেতে হলে অমুক অমুক এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে দশ মিনিটেই টাকা পাঠানো সম্ভব, তবে তার পরিমান ৩ লাখের বেশী হবে না, আর স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার যেহেতু বাংলাদেশে শাখা আছে, ওদের মাধ্যমেও টাকা আসতে পারে, তাতে কয়েকটা দিন বেশী লাগবে সময়। ভদ্রমহিলা এবার কিছুটা ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করলেন, এর চেয়ে বেশী হলে টাকা পেতে কত সময় লাগবে? এবার আমি কিছুটা বিস্মিত, ভদ্রমহিলার বেশভূষা এবং কথাবার্তায় তাকে স্বচ্ছল পরিবারের ঘরণী বলে মনে হয়নি, অবশ্য এদেশীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চলনবলনে অর্থনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট হয় না। হিন্দু ধর্মাবলম্বী যে লেইস-ফিতা ফেরীওয়ালা গ্রামে গ্রামে চূড়ি লিপস্টিক ফেরী করেন তিনিও তার মেয়ের বিয়েতে লক্ষাধিক টাকার যৌতুক দেন, এটাই বাংলাদেশের বাস্তবতা। তাই ভদ্রমহিলার প্রশ্নে কিছুটা বিস্মিত হলেও সামলে নেই। জানতে চাই কত টাকা আসবে বিদেশ থেকে। এবার আরো কিছুটা কুন্ঠিত হয়ে ভদ্রমহিলা জানালেন বেশ কয়েক কোটি টাকা। ভদ্রমহিলার কথায় আমার আক্কেল গুড়ুম, বলেন কি মহিলা, মাথার স্ক্রু ঠিক আছে তো? জিজ্ঞেস করলাম, এত টাকা কেন আসবে, কে পাঠাবে? ভদ্রমহিলা জানালেন, তাদের একটা সংগঠনের জন্য দান হিসেবে এ টাকা পাঠানো হবে। পাশে বসা ভদ্রলোক ইতোমধ্যেই উঠে পড়ার জন্য হাসফাস করছেন, সম্ভবত ভদ্রমহিলা প্রয়োজনের বেশী কথা বলে ফেলেছেন। তাদের জানালাম, বেশী টাকা হলে ইসলামী ব্যাংকে একটা একাউন্ট খুলে টাকা পাঠাতে বলেন, ওদের নেটওয়ার্ক বেশ বড়, সহজেই টাকাটা ওরা কালেকশন করে দিতে পারবে। তবে এ পর্যন্ত ওদের সাথে আমার আলাপ-আলোচনা, ভবিষ্যতে ওরা আর আমার কাছে আসে নি, টাকাগুলো কোন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে, কাদের কাছে এসেছে, কি কাজে এসেছে, এর উপকারভোগীই বা কারা তা আর জানা হয় নি। »» ব্যাগভর্তি ভারতীয় টাকায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
ক্ষমা করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান
একজন খুনি! তার পরিচয় একটাই, খুনী! আইনের দৃষ্টিতে সে কারো সন্তান নয়, নয় কারো পিতা, ভাই, আত্মীয়-স্বজন! আইনের দৃষ্টিতে তার একটাই পরিচয়, সে খুনি। তবে, খুনের কিছু ধরণ আছে, কেউ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে খুন করে বসে, আবার কেউ কেউ ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করে। আবার রসূ খাঁর মতো কেউ কেউ ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার, খুনই যাদের একমাত্র পেশা, খুনই যাদের অতৃপ্ত নেশা। সব খুন যেমন সমান নয়, সব খুনের বিচারও অনেক সময় এক রকম হয় না। তবে খুন করে কেউ আইনের হাত থেকে বেঁচে যাক তা কারো কাম্য নয়। কারন নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ছাড়া অন্য কোন কারণে যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করে সে যেন দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে হত্যা করে। কিন্তু খুনী সে যত বড় অপরাধীই হোক না কেন তার চেয়েও বড় অপরাধী যে ঠান্ডা মাথায় ন্যায় বিচারকে হত্যা করে, খুনীদেরকে মুক্তি দেয় আর নিরপরাধ মানুষদের উপর চালায় পৈশাচিক নির্যাতন। আর তাই, একজন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত খুনের আসামীকে দলীয় স্বার্থে দয়াপরবশ হয়ে ক্ষমা করে দিয়ে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার এ মহানুভবতায় মানবাধিকার ভূলুন্ঠিত হয়েছে, অসত্যের জয় হয়েছে, অপশক্তির জয় হয়েছে। »» ক্ষমা করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান

