Archive for জাগো!!

ধর্ষিত গণতন্ত্রের ঘায়ে প্রথম আলোর নুণের ছিঁটা

সুসময়ে বন্ধু বটে অনেকেই হয়, অসময়ে হায় হায় কেউ কারো নয়। দু:সময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। আর এ বন্ধুত্বের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা। প্রথম আলো পত্রিকাটি প্রথম থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মূখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। তবে অন্য সব দলীয় পত্রিকা থেকে এ পত্রিকাটির ভিন্নতা এখানেই যে এটি সার্বক্ষণিক দলীয় প্রচার প্রচারণা চালানোর পক্ষপাতি নয় বরং মোক্ষম সময়ে আঘাত করার পক্ষপাতি। কারো পক্ষে সার্বক্ষণিক বকবক করে গেলে সবাই তাকে চাটুকার কিংবা দালাল ভাবে, আবার সার্বক্ষণিক একটা নিরপেক্ষ নিরপেক্ষ ভাব নিয়ে কারো পক্ষে কথা বললে সবাই তাকে সত্যিজ্ঞান করে। প্রথম আলো পত্রিকাটি বিজ্ঞতার সাথে সে দায়িত্বটিই যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছে। তারা জানে কি করে পাঠক ধরে রাখতে হয় এবং কিভাবে পাঠককে বিভ্রান্ত করতে হয়। »» ধর্ষিত গণতন্ত্রের ঘায়ে প্রথম আলোর নুণের ছিঁটা

গান (Gun) পুজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

In Bangladesh, Democracy is a government, by the gun, of the goon  and for the goof. বাংলাদেশে, নির্বোধ জনগনকে আমৃত্যু দৌড়ের উপর রাখতে সন্ত্রাস নির্ভর মাফিয়া শাসনই গণতন্ত্র। এ গণতন্ত্রে অস্ত্রপুজাই ধর্ম, শোষণই কর্ম, প্রাচূর্যই মূল লক্ষ্য। আসুন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে দেখি সুধীজনদের কড়া আলাপ। »» গান (Gun) পুজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ

সখি ভালোবাসা কারে কয়, সে কি কেবলি যাতনাময়, সেকি কেবলই চোখের জল, সেকি কেবলই দুঃখের শ্বাস, লোকে তবে করে কি সুখেরই তরে এমন দুঃখের আশ…
ভালোবাসা! পৃথিবীতে ভালোবাসার চেয়ে মধুর কোন শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় কি? হ্যা, যায়। ‘মা’ শব্দটি সমগ্র বিশ্বে সন্দেহাতীতভাবেই সবচেয়ে মধুর, সবচেয়ে আবেগময়। তবে সে আবেগের পেছনে কেবল ভালোবাসারই জয়গান। মায়ের ভালোবাসায় অন্ধকার মাতৃজঠরে একটু একটু করে বেড়ে ওঠে ভ্রুণ, মায়ের ভালোবাসায় নির্ভয়ে শিশু ভূমিষ্ট হয় পাপিষ্ট ধরায়, মায়ের আদরে সোহাগে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে পরিপূর্ণ আদম-হাওয়া। তাই, পৃথিবীতে যে কাউকেই জিজ্ঞেস করি না কেন, একই সুর শুনতে পাই, ভালোবাসি মাকে। নির্ভেজাল, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মায়ের আচল ছাড়া মিলে না যে আর কোথাও।
অনেকে ভালোবাসাকে আগুনের সাথে তুলনা করেন, তবে মা বলেন, “ভালোবাসা পানির মতো, নিম্নগামী, পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে প্রবহমান”। তাই কাউকে যদি ভেবে চিন্তে জবাব দিতে বলা হয়, তখন অনেকেই জবাব দেবেন, সন্তানকেই সবচেয়ে বেশী ভালোবাসেন তিনি। সেখানেও ঐ মা-বাবার ভালোবাসারই জয়। »» প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ

বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল না হলে যুদ্ধ : কে. এম. সফিউল্ল্যাহ

»» বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল না হলে যুদ্ধ : কে. এম. সফিউল্ল্যাহ

স্বাধীন বিচার বিভাগ যেন হাত-পা বাঁধা সাতারু

বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস

বিয়ের উপযুক্ত বয়স কোনটি? প্রাপ্তবয়স্ক একটি বালক অথবা একটি বালিকা যখন তীব্রভাবে যৌনমিলনে আকাঙ্খী হয়, তবে সে সময়টিই তার বিয়ের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ শুভক্ষণটি কারো জন্য ১২ বছরে হতে পারে, কারো জন্য ১৫ বছরে, কারো বা ১৮ বছরে আবার কারো সারা জীবনে নাও হতে পারে। এক কথায়, যৌনমিলনে শরীর ও মনের উপযুক্ততাই বিয়ের সঠিক বয়সের মাপকাঠি। বিয়ের সময় হয়েছে কি না, বিয়ের জন্য শরীর ও মন প্রস্তুত কি না তা সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারে ব্যক্তি নিজেই। যদিও কেউ কেউ আছে মন বিষন্ন করে বসে থাকে, কোন কাজে মন বসাতে পারে না, মহাশুন্যের মতো হৃদয়জুড়ে হাহাকার নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, কারনে অকারনে প্রাণখুলে কাঁদতে ভালোবাসে, এমন সব উপসর্গের পরও যারা বুঝতে পারে না যে আসলে মন নয়, বরং না পাওয়ার যন্ত্রণাই তার মনোযাতনার কারন, সে সকল বালক-বালিকাদের অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরী। আর সবচেয়ে বড় কথা অভিভাবকরা তো এ সময়টা পার করেই বুড়ো হয়েছেন, তাদের নতুন করে মিলনের গল্প শোনানের কোন মানে নেই। »» বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস

ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে প্রমাণ করে সত্য সাঁই বাবার ইহলোক ত্যাগ

নিজের ভবিষ্যতবাণীকে মিথ্য প্রমাণ করে ভারতের আধ্যাত্মিক গুরু “সত্য সাঁই বাবা” হৃদরোগ ও শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে আজ সকাল ৭টা ২৮ মিনিটেপরলোক গমন করেছেন। যিনি সবার ভূত-ভবিষ্যত বাতলে দিতেন, তিনি তার নিজের বেলাই সঠিক ভবিষ্যৎবাণী করে যেতে পারেন নি। তিনি ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন, ৯৬ বছর বয়সে তিনি ইহলোক ত্যাগ করবেন। সে অনুযায়ী ২০২২ সালে তার মৃত্যুবরণ করার কথা। অথচ ১১টি বছর বাকী রেখেই তিনি আজ পরলোকে চলে গেলেন। আধ্যাত্মিকতার কথা বলে যিনি সারা বিশ্বের ১৬৬টি দেশে পাঁচ কোটি ভক্ত ছড়িয়ে দিয়েছেন, যিনি অর্জন করেছেন ৪০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি, অর্জন করেছেন প্রণামীর নগদ অর্থ, চেক, সোনা ও রত্মরাজির পাহাড়, তিনিই তার নিজের ভবিষ্যৎবাণীটি সঠিক বলে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন যা সারাবিশ্বের ভক্তকূলকে হতবাক করেছে। »» ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে প্রমাণ করে সত্য সাঁই বাবার ইহলোক ত্যাগ

বাঙালি সংস্কৃতির নামে হিন্দু রীতিনীতির পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ

পহেলা বৈশাখ এবার বৃহস্পতিবারে হওয়ায় এক নাগারে তিন দিনের সরকারী ছুটি পেয়ে গেলাম। ছুটিতে গ্রামগঞ্জের এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি, দেখছি বাঙালীপনার নানা আয়োজন। বাবা ফোন করে আগেই জানিয়েছিলেন আমাদের উপজেলায় এবার সরকারীভাবে চারদিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে। চারিদিকে তাই সাজসাজ রব। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এতবড় মহাযজ্ঞ এর আগে কখনো হয়েছি কি না মনে পরছে না। বর্তমান ধর্মনিরপেক্ষ সরকার খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে, ঘুরে ফিরে বারে বারে যদি ক্ষমতায় আসতে হয় তবে দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার শক্ত ভীত গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্য এমন কিছু অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে যা জনতাকে দিশেহারা হয়ে ঘরের বাইরে ছুটে আসতেই হবে। যান্ত্রিক এ পৃথিবীতে অভাব আর অজ্ঞতার মাঝে এতটুকু বিনোদনের জন্য সাধারণ মানুষের মন ব্যাকুল হয়ে থাকে। বর্ষবরণ, বসন্ত উৎসব, একুশে ফেব্রুয়ারী এসব কিছুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করতে তাই সরকারের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। জনপ্রিয় শিল্পীদের দিয়ে সাজানো জমকালো এসব অনুষ্ঠান তাই ক্ষণিকের জন্য হলেও হারিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে। »» বাঙালি সংস্কৃতির নামে হিন্দু রীতিনীতির পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ

ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ ধেয়ে চলেছে যৌনতার কৃষ্ণগহ্বরে

সতর্কতা: বাস্তবতা তুলে ধরতে কিছু অশ্লীল শব্দ, ঘটনা  ও লিংক সন্নিবেশিত হয়েছে।

এক)

শিখাদের ঠাকুমা। মাথাভর্তি সজারুর কাঁটার মতো ছোট ছোট পাকা চুল। গায়ে বৈধব্যের সাদা শাড়ী। মুখে অশ্রাব্য গালাগালি।
পাড়ার সবাই তার তিরিক্ষ মেজাজে তটস্থ। সারাক্ষণই এটা ওটা নিয়ে বকে চলেন। বিশেষ করে বড় পুতের বউয়ের সাথে সারাক্ষণ ঝগড়া লেগেই থাকে। বড় বউটাও শয়তানের ধাড়ি, শ্বাশুড়ীর খিস্তি খেউড়ের ডিপোয় দিয়াশলাইয়ের শলাকার মতো অনুচ্চস্বরে নোংরা শব্দ ছুড়ে দিয়ে তামাশা দেখেন। ফলাফল অফুরন্ত স্টক থেকে অনর্গল গালাগাল, পুরো পাড়ায় নরক গুলজার।
স্কুল থেকে ফিরেই শুনি ক্লাস থ্রিতে পড়ুয়া অরুণী দি’র বিয়ে। চারিদিকে হৈ চৈ, সাজসাজ রব। আত্মীয়-স্বজনে পুরো উঠোন ভরা গাঙ্গের মতো থৈ থৈ। পুকুর পাড়ে বুড়ো বয়েসী দিদিমারা খোশগল্পে মশগুল। চৈত্রের মাঠের মতো নীরস ঠাকুমাও শামীল হয়েছেন আড্ডায়।
হঠাৎ করেই বিয়েতে বর কনের কান্ডকারখানা নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে বুড়িদের আড্ডাঘর। কার বাসরে কি ঘটেছে, কার বর কতটা সুপুরুষ ইত্যাদি ইত্যাদি বুড়ো বয়েসী ভিমরতী ধরণের কথা বার্তায় আমরা পাড়ার শিশুরা আগ্রহী হয়ে উঠি। বুঝতে পারি আজ নতুন কিছু হতে চলেছে। »» ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ ধেয়ে চলেছে যৌনতার কৃষ্ণগহ্বরে

পুঁজিবাজারের টাকা বিদেশে পাচারকারী হিসেবে আওয়ামী লীগ এমপি জাহিদ মালেক চিহ্নিত

শেয়ার কেলেংকারীর রিপোর্ট অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া হয়েছ। রিপোর্টে চিহ্নিত হয়েছেন কেলেঙ্কারীর নায়ক রাঘব বোয়ালরা যাদের নাম দেখে স্বয়ং অর্থমন্ত্রীও ভড়কে গেছেন এবং শেয়ার কেলেংকারীর হোতাদের নাম প্রকাশ করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন । একই সাথে পুঁজি বাজারে কারসাজির মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া বিপুল অর্থ দেশ থেকে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলেও ইব্রাহীম খালেদ নিশ্চিত করেছেন। বিদেশী একটি প্রতারক চক্রকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে অনুপ্রবেশ করিয়ে বাংলাদেশ থাই এলুমিনিয়াম (বিডি থাই) বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদের মন্ত্রীসভার টেক্সটাইল মিনিস্টার ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মরহুম লে. কর্নেল (অবঃ) এ মালেক প্রতিষ্ঠিত বিডি থাই এলুমিনিয়ামের চেয়ারম্যান ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক শেয়ারবাজার থেকে সীমাহীন দূর্ণীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরকে পথে বসিয়ে তাদের টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এছাড়া ৯৬এর শেয়ার কেলেঙ্কারীর মূল হোতা সালমান এফ রহমান এবারেও শেয়ার কেলেঙ্কারীতে মূখ্য ভূমিকা রাখলেও নতুন নতুন এমন সব নাম তদন্তে উঠে এসেছে যাদের নাম প্রকাশ করার মতো সাহসী হতে অক্ষমতার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এটিএন নিউজের এক সাক্ষাৎকারে তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ মুন্নি সাহাকে বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারীতে শীর্ষ নেতৃত্ব যারা দিয়েছেন তাদের নাম আগে শোনা যায় নি এমনকি বিশিষ্ট সাংবাদিক মুন্নি সাহাও তাদের চিনবেন না বলে তিনি জানান। নাম উল্লেখ না করলেও তাদের এ আলাপ চারিতায় এটাই মনে হয়েছে যে, ইতোমধ্যে প্রতিবেশী কোন দেশের মারোয়ারীদের দিকে যে ইংগিত দেয়া হয়েছিল এসকল অপরিচিত ব্যক্তিবর্গ সেসকল মারোয়ারী ব্যবসায়ীরাই হতে পারেন।

মুন্নিসাহা বার বার ফালুসহ বিএনপির নেতাদের নাম খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের মুখ থেকে বের করার চেষ্টা করেছেন তবুও তিনি জানান বিরোধী দলের যে দু’য়েক জনার নাম এসেছে তাদের নাম মূলত সেকেন্ডারী মার্কেটেই পেয়েছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের কেউ এসইসির সহায়তা পায় নি। সরকার দলীয় ব্যবসায়ী ও নেতারাই মূলত সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) ভয় অথবা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিনে নিয়ে শেয়ার বাজারে ধ্বস নামিয়েছে বলে খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ মনে করেন।

ইতোমধ্যেই সরকার দলীয় নেতা ও ব্যবসায়ী কয়েকজনার নাম বলে ফেলেছেন খালেদ, তবে অপরিচিত মূল হোতাদের নাম প্রকাশ না করার ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ১০-১৫ দিন পরে তদন্ত রিপোর্ট অপরাধীদের নাম ছাড়াই প্রকাশ করা হবে কারণ অপরাধীরা অত্যন্ত ক্ষমতাশালী বলে তিনি দাবী করেন। যেখানে সালমান এফ রহমান, জাহিদ মালেক এমপির নাম প্রকাশ করা যায় সেখানে এমন কোন ক্ষমতাধর ব্যক্তি আছেন যাদের নাম প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। তার এই ভীতিই কি প্রতিবেশী দেশের মাড়োয়ারী মাফিয়াদের শেয়ার কেলেঙ্কারীতে জড়িত থাকা প্রমাণ করে না?