Archive for জাগো!!

সে যে বেঁচে আছে এই গুমের নগরে, এইটুকু হোক সান্তনা

না, আর কিছুতেই ভরসা পাচ্ছি না। প্রতিনিয়ত এতো এতো গুম-খুন-অপহরণের খবর আসে, এখন আর বন্ধুদেরও ঠিক বিশ্বাস হয় না। অবিশ্বাসের বিষবাষ্প ঘিরে ধরেছে পুরো বাংলাদেশটাকেই।

শৈশবে ছেলে ধরার গল্প শুনে ঘুমুতে যায় নি এমন শিশু কমই আছে। মাঝে মাঝে খবর আসতো, যমুনা সেতু হবে, মা যমুনা মুন্ডু চেয়েছে, তাই ছেলে ধরার দল শিশুদের ধরে নিয়ে জবাই করে যমুনা নদীতে মুন্ডু ফেলছে। »» সে যে বেঁচে আছে এই গুমের নগরে, এইটুকু হোক সান্তনা

ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি

ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি করতে যাচ্ছে বিসিআইএম (বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার)। কলকাতা-ঢাকা-সিলেট-ইম্ফল-তামু-মান্দালয়-লাসিও-ভামো-রুইলি-কুনমিং ২৮০০ কি.মি. সিল্ক রুট অনুমোদিত হয়েছে ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক করিডোর সুবিধা, যোগাযোগ, শক্তি, বিনিয়োগ, পণ্য ও সেবার বিনিময়, মানুষে মানুষে সংযোগ ইত্যাদি ১১টি বিষয়ের উপর স্টাডি রিপোর্ট তৈরী করছে চারটি দেশের মন্ত্রণালয়। জুনে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে চারদেশের রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরী হবে কম্বাইন্ড রিপোর্ট। এরপরে ডিসেম্বরে নয়া দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হবে বহুবিতর্কিত ট্রানজিট চুক্তি। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সাল থেকে বিসিআইএম ইকোনমিক করিডোর নিয়ে বাংলাদেশের সিপিডি, চীনের ইউনান একাডেমী অব সোস্যাল সায়েন্স, ভারতের সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ এবং মায়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করে অবশেষে সফলতার মুখ দেখতে চলেছে। এ চুক্তির ফলে প্রস্তাবিত সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে চারটি দেশই উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশের এতে কি লাভ? বাংলাদেশ কি পাবে? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে বাংলাদেশ এরমাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগের হাবে পরিণত হবে। এ চুক্তির ফলে ভারত-বাংলাদেশ বিদ্যুত বিষয়ক সহযোগিতা সহজতর হবে। সিকিমের উদ্বৃত্ত বিদ্যুত বাংলাদেশ সহজে পেয়ে যেতে পারে এমনটাই বলা হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনসেপ্ট পেপারে।
আচ্ছা, সিকিম কি সিল্ক রুটের মাঝে পড়ে? মোটেই না। তাহলে করিডোর সুবিধা দিলে বিদ্যুত সুবিধা পাওয়া যাবে তা কতটুকু নিশ্চিত, পাওয়া গেলেও তা করিডোরের ক্ষতির চেয়ে বেশী উপকারী হবে কি না তার নিশ্চয়তা কোথায়? কিংবা করিডোর দেয়ার পরে ভারত যদি বরাবরের মতো প্রতিশ্রুত ভঙ্গ করে বিদ্যুত নিয়ে টালবাহানা করে তবে কি করিডোর ধরে ট্রাক, লরিতে বোঝাই হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুত আসবে? কম্পেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মতো (সিএনজি), কম্প্রেসড ইলেকট্রিসিটি?

লংমার্চ লাইভ Long March

GDE Error: Error retrieving file - if necessary turn off error checking (404:Not Found)

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১: ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আওয়ামী জাহেলিয়াত!

বিশ্বনন্দিত আলেমে দ্বীন, মুফাস্‌সিরে কুরআন, সারা বাংলার তৌহিদী জনতার আবেগের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি প্রমাণিত বলে জানিয়েছা ট্রাইব্যুনাল। আমরা এ রায় তীব্রঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ রায়ের বিরুদ্ধে যাতে জামায়াত ইসলামী ও তৌহিদী জনতা কোনরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে না পারে সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই মামলার কিছু আলোচিত দিক:

* আল্লামা সাঈদীর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার সিকদারকে সাঈদী বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা, অবশেষে মাদ্রাসা বোর্ডের সার্টিফিকেটে তা ভুল প্রমানিত।

* বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানরত ভানু সাহাকে ধর্ষনের অভিযোগ অথচ ভানু সাহা বললেন বর্তমান ওলামা লীগ নেতা মোসলেউদ্দীন তাকে ধর্ষন করেছে! সাঈদীর নাম শুনেছেন প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে।

* জাফর ইকবালের পিতার খুনের আভিযোগ। মামলার সাক্ষী ছিলেন জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, শাহরিয়ার কবির, দু:খের বিষয় উনারা কেউই আদালতে হাজির হননি! রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি বলছেন উনাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও উনাদের সবাইকে সাহাবাগে নিয়মিত দেখা যায়! জাফর ইকবালের মা তার স্বামীর হত্যার বিবরণ দিয়ে একটি বই ও লিখেছেন। অথচ একবারও উনি সাঈদীর নাম উল্লেখ করেননি!

* ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভূক্ত সাক্ষী সুখ রঞ্জন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ডিবি কর্তৃক অপহরণ! যার হদিস এখনো মেলেনি।

* সাঈদী রাজাকার ছিলেন না এই মর্মে পিরোজপুরের সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাক্ষ্য প্রদান।

* রাষ্ট পক্ষ সাক্ষীদেরকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলুব্ধকরণের রেকর্ড প্রকাশ।

* মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টি আল্লামা সাঈদী যশোরে কাটালেও উক্ত এলাকার কাউকে বাদী করা হয়নি! এবং যশোরের যার বাড়ীতে থাকতেন ঐ ভ্দ্রলোককে সাক্ষী হিসাবে নেয়া হয় নি।

* সর্বশেষ ষ্কাইপি কেলেংকারির দায়ে আইসিটির সাবেক বিচারপতি নাসিমের পদত্যাগ।

মিডিয়া ব্লাকআউট : মানবিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ

truthভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। বাকস্বাধীনতা আর মানবাধিকার নামক শব্দদুটিকে মুছে ফেলা হয়েছে বাংলাদেশের অভিধান থেকে। এখানে এখন কেবলই হায়েনার হুংকার, শ্বশ্বানের থমথমে ভীতিকর গুমোট হাওয়ায় বাংলাদেশের দমবন্ধ হওয়ার জোগার। দেশের গ্রাম-গঞ্জ, শহর-নগর-বন্দর, রাজধানীর অলি গলি রাজপথে চলছে ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতাকে দমনের নামে রক্তের হোলি খেলা। ১৪ বছরের ফুটফুটে গোলাপের কোন মূল্য নেই আফিমচাষীদের, পৌশাচিক নির্যাতনে, খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে পুলিশ হত্যা করেছে নবম শ্রেণীর ছাত্রকে, নির্বিচারের হত্যাযজ্ঞ চলছে প্রকাশ্য রাজপথে। কেবলমাত্র শিবির করার অপরাধে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ধরে ধরে হাত-পা-মাথায় পিস্তল-শর্টগান ঠেকিয়ে ঠেকিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মৃত্যুযন্ত্রণা উপভোজ করছে পুলিশ নামের আওয়ামী হায়েনারা। এর পাশাপাশি পুশাসনের ছত্রছায়ায় পুলিশের কাধে কাধ মিলিয়ে পুলিশের বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলে পড়ছে পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায়। আক্রমন করছে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায়, আক্রমণ করছে গভীর রাতে। নির্যাতন চালাচ্ছে নিরস্ত্র নিরপরাধ নারী-পুরুষকে। বাড়ী-বাড়ী তল্লাশী করে দাড়ি-টুপিওয়ালা পুরুষদের, বোরকাওয়ালী পর্দানশীল নারীদের হয়রানি করছে, গ্রেফতার করছে, নির্যাতন করছে, হাত পায়ের নখ উপড়ে ফেলছে, চোখে সুঁচ ফুঁটিয়ে অন্ধ করে দিচ্ছে, লজ্জাস্থানে ইলেক্ট্রিক শক দিচ্ছে, নির্বিজকরণ ইনজেকশন পুশ করে তরুণ যুবসমাজকে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে। আর এ সবকিছুই ঘটছে সমাজের বিবেক নামে খ্যাত মিডিয়াগুলোর সামনে। একই দিনে বগুড়ায় ৪ জনকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলো, চট্টগ্রামে নির্মমভাবে যখম করে বিনা চিকিতসায় রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে হত্যা করা হলো আরো ৪ জনকে, মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হাটু মুড়িয়ে রাস্তায় বসিয়ে ক্যামেরার সামনেই হত্যা করলো এক তরুনকে। অথচ বাংলাদেশের মিডিয়া মুখে শক্ত করে খিড়কি এটে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এ ঘটনাগুলো যাতে বহিঃবিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য শাহবাগ মোড়ে রঙ্গীন সিনেমার শুটিং শুরু করে দিল মিডিয়াগুলো। »» মিডিয়া ব্লাকআউট : মানবিক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ

‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ


আরো ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

Conversation between Nizamul hoque nasim and Ahmed ziauddin about warcrime tribunal Part
A politicised judiciary International Crimes Tribunal short highlight

Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Bad comment about Justice Jahangir and Zaheer 28 Aug
bangla_judge_shaheen_kneel_down_to_AZ_16_10
bangla_malum_simon_Ghadanik_long_campaign12_9
bangla_Shawkat_Degrading_Com_Judges_Pros_11_9
Hangings Means Prizes_ Nasim is told to pass a quick verdict and get a promotion 6 Sep
Judge Nasim designs Prosecution witness testimony short highlights
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 1_ 14 Oct 
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 2_ 10 Sep
Tribunal Chair prefer Yes-men over impartial judges short highlights
Tribunal Chairman wants to deliver quick judgment even if that results in a one sided trial 9 Oct

কথোপথনের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেমন আছেন, কেমন?
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই, আপনে কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি ভালোই, আজকে আমরা তো একটু গণতন্ত্র চর্চা করে এলাম আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : কী চর্চা…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : গণতন্ত্রের চর্চা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ও গণতন্ত্র!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে আমাদের এই লোকাল, স্থানীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারের ইয়ে ছিল আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভোট ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : ভোট ছিল, ভোট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ভোট।
নিজামুল হক নাসিম : বা… বা… বা খুব ভালো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: কিন্তু এগুলো তো হচ্ছে, পানসা ভোট আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : এ্যা…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এগুলো পানসা-টানসা টাইপের ভোট আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : তা তো বটে, ভোট হয় বাংলাদেশে। ওইসব ভোটে কোনো আরাম আছে—কেনো আরাম নাই। »» ‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ

সৌদি আরবের সময়ের সাথে মিলিয়ে ঈদ ও শবে ক্বদর পালন কতটা যৌক্তিক?

ঈদ মোবারক! পূর্ণ একটি মাস সিয়াম সাধনার পরে আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণের সেই অপার আনন্দময় পবিত্র সময় আমাদের সামনে।  আল্লাহ আমাদের ৩০ দিনের সিয়াম সাধনা কবুল করুন, আমাদেরকে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাত দান করুন এবং পবিত্র রমজানের সিয়াম সাধনা যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ আমাদের উপর ফরজ করেছেন সেই তাক্বওয়া অর্জনের তৌফিক দান করুন। আমীন।

এবার সৌদি আরবেও রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হয়েছে। ১৮ তারিখ পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলের উপজাতি এলাকায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে, ১৯ তারিখে সৌদি আরবসহ বেশ কিছু দেশে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, বাংলাদেশসহ বাকী দেশগুলোতে ২০ আগস্ট ২০১২ রোজ সোমবার ঈদ উদযাপিত হবে।  ফলে এবারও বিশ্বে ৩ দিনব্যাপী ঈদ পালিত হচ্ছে।

সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে রমযানের রোজা রাখা, শবে ক্বদর পালন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপন নিয়ে ইদানিং বেশ আলোচনা চলছে, বিশেষ করে মিডিয়ায় ৩ দিনব্যাপী বাংলাদেশে ঈদ উদযাপনের খবর সচিত্র সম্প্রচারিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সৌদি আরবের সময়ের সাথে মিলিয়ে ইসলামী অনুষ্ঠানাদি পালনে যুক্তি দিচ্ছেন, আবার অনেকেই পাল্টা যুক্তি দিয়ে তা খন্ডন করছেন। উভয় পক্ষই যুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে কোরআন-হাদীসকেই সাক্ষী মানছেন। তবে আমার কাছে ঈদ যেমন আনন্দের, ঈদ উদযাপন নিয়ে ভিন্ন মতের কারনে দেশে ৩ দিনব্যাপী ঈদ উদযাপিত হওয়াও কম আনন্দের নয়। আর আনন্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা করাটাও আনন্দের, তাই স্বাভাবিকভাবে আমিও এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরছি। »» সৌদি আরবের সময়ের সাথে মিলিয়ে ঈদ ও শবে ক্বদর পালন কতটা যৌক্তিক?

লিবাসুত তাক্বওয়া : অবশেষে শার্ট ছেড়ে পাঞ্জাবী গায়ে জড়ালাম

ইভটিজিং-এর কারন ও প্রতিকার প্রসঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে “নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?” শিরোনামে একটি ব্লগ লিখেছিলাম, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছিলাম নারীর কোন কোন অঙ্গ পুরুষদেরকে আকৃষ্ট করে, কোন কোন অঙ্গের প্রদর্শনীতে বখাটেরা ইভটিজিংএ অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। কারন আমি শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম যে নারী শরীরের কিছু স্পর্শকাতর  অঙ্গ প্রদর্শনই ইভটিজিং এর প্রধান কারণ, যা সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক সময়ের তুখোড় অভিনেতা ও বর্তমান তৃণমূল সরকারের বিধায়ক চিরঞ্জিত প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। তার ভাষায় “মেয়েদের পোশাকের ধরন বদলাচ্ছে। সেটা পুরুষের মনোরঞ্জনের জন্য। তা নিয়ে কটূক্তি করলেই তাকে ‘স্ল্যাং’ বা ‘টন্ট’ বলা হয়”। তার এমন উক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে সমালোচনার ঝড় উঠলেও অভিনেত্রী  স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় প্রায় একই সুরে মন্তব্য করেন, “উটকো ঝামেলার হাত থেকে বাঁচতে বেশি খোলামেলা পোশাক রাস্তায় না পরাই ভাল”। না, আজ আমি নারীদের পোশাক পরিচ্ছদ নিয়ে আলোচনা করবো না, বরং আজ আমি পুরুষদের কিছু সমস্যা নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আমার ধারণা বখাটে পুরুষরাই শুধু নারীদের আকর্ষণীয়ভাবে প্রদর্শিত স্পর্শকাতর অঙ্গ সমূহের পানে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে, নারীরা পছন্দ করে তাদের দৃষ্টিকে নিম্নগামী রাখতে, সংযত আচরণ করতে অভ্যস্ত তারা। আমার ধারণার প্রথম অংশ তথা বখাটে পুরুষদের ক্ষেত্রে ঠিক থাকলেও নারীদের আচরণের ক্ষেত্রে আমি যে অনেকটা অন্ধকারে ছিলাম তা কিছু কিছু ঘটনায় আমার কাছে স্পষ্ট হতে থাকে। আমি পুরুষদের মাঝেই বখাটে খোঁজার চেষ্টা করেছি, যদিও নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই বখাটে বিরাজমান। সুযোগ পেলে নারীরাও যে কম যায় না তা এখন বেশ বুঝতে পারছি। বছর খানেক ধরে বিভিন্ন পরিবেশে, ভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে লক্ষ্য করেছি মেয়েরাও পুরুষের স্পর্শকাতর অঙ্গের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে। এ ক্ষেত্রে তাদেরকে পুরুষের চেয়েও আগ্রাসী মনে হয়েছে আমার কাছে। বিশেষ করে পুরুষরা নারীদের স্পর্শকাতর অঙ্গের দিকে তাকালেও চোখে চোখ পড়লে অনেকেই দৃষ্টি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়, তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে তার ভিন্নতা দেখেছি, যতক্ষণ না শিকার দৃষ্টির আড়াল হয় ততক্ষণ শকুনের দৃষ্টি আটকে থাকে প্যান্টের জিপারে। বিষয়টি প্রথমবার নজরে আসার পর থেকে বার বার পর্যবেক্ষণ করেছি এবং ফলাফল একই, জিপারে আটকে আছে দৃষ্টি, ঠিক যেমন মাঝে মাঝে আটকে যায় শিশুদের “ইয়ে”। বিষয়টি নিয়ে নিজের স্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছি, ‘ফ্যাশন শো’র মডেলদের মতো প্যান্ট পড়ে ক্যাটওয়াক করে দেখিয়েছি এবং তার সহায়তায় সত্যটি আবিস্কারে সফল হয়েছি যে আসলে যতটা যত্নসহকারে সতর্কতার সাথেই শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো প্যান্টের আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করি না কেন তা বিপরীত লিঙ্গের দৃষ্টিতে ঠিকই ধরা পরে যায়। ছোটবেলা থেকেই প্যান্ট-শার্ট পড়ায় অভ্যস্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কখনোই ভেবে দেখার সুযোগ হয়নি, বিশেষ করে কেউ কখনো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় নি যে, প্যান্ট-শার্ট শরীরের আকর্ষণীয় অঙ্গগুলোকে শতভাগ ঢেকে রাখতে মোটেই সক্ষম নয়। এখন প্যান্ট-শার্ট গলে যদি স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো নারীদের সামনে উন্মুক্ত হয়ে পড়ে এবং তারা যদি বখাটে পুরুষদের মতো অনৈতিক কাজে আমন্ত্রণ জানায়, তবে বর্তমান সময়ে সমাজের খুব কম পুরুষের পক্ষেই আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে ইউসুফের (আঃ) মতো নারীদের আমন্ত্রণ উপেক্ষা করা সম্ভব হবে। »» লিবাসুত তাক্বওয়া : অবশেষে শার্ট ছেড়ে পাঞ্জাবী গায়ে জড়ালাম

পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার

আওয়ামী সরকারের দূর্ণীতির কারনে বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মানে প্রতিশ্রুত অর্থসহায়তা বাতিল করেছে বিশ্বব্যাংক, এটি পুরনো খবর।  অর্থায়ন থেকে সরে দাড়ানো সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিও পাঠকের জানা আছে। “বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির ঘটনায় চোখ বুজে থাকতে পারে না, তা উচিত নয় এবং থাকবেও না”-এমন দ্যর্থহীন শব্দমালায় বিশ্বব্যাংক আওয়ামী সরকারের গালে কষে চপেটাঘাত করেছে যে শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বই চমকে উঠেছে।  লাজশরমের মাথা খাওয়া আওয়ামী সরকার এতে লজ্জিত না হলেও ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংকের এমন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে অসম্মানজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং রহস্যময় বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মা’ল মুহিত। তিনি ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাংকের নয় বরং বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী সভাপতি রবার্ট জোয়েলিকের ব্যক্তিগত বলে  মন্তব্য করে অপমানের মাত্রা প্রশমনের চেষ্টা চালিয়েছেন যদিও বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নাকচ করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তটি কারো ব্যক্তিগত নয় বরং প্রাতিষ্ঠানিক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত। ন্যূনতম আত্মসম্মানবোধ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে উচিত ছিল দূর্ণীতি দমনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ করা। কিন্তু তা তিনি করেন নি, বরং আওয়ামী লীগ তাদের পুরনো কৌশলী রাজনীতির পথেই আরো জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। »» পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার

Sayeedi in war crimes tribunal