ভাষা সৈনিক গোলাম আযমের স্বীকৃতি চান ৮১.৩৪% পাঠক

ইলেক্ট্রনিক সংস্করণে আমাদের সময়ের জনমত জরিপের ফলাফল
আমাদের সময় অরিয়ন গ্রুপ জনমত জরিপের ফলাফল (১ম কলামে, নীচে)

দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছি, এবার ভাষার স্বীকৃতি চাই

বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হলো “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”। ১৯৯৯ সালে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ২১শে ফেব্রুয়ারীকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি প্রদান করে। সেই থেকে বাংলাদেশে এ দিনটি শহীদ দিবসের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে, যদিও দিন দিন “শহীদ দিবস” এর মর্যাদা লুপ্ত হতে চলেছে। তবে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” শব্দ তিনটি বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মনে বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে। সবাই এটা ভেবে আত্মতৃপ্তিতে ডুবে আছে যে বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি আদৌ কি তাই? কোন একটি জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে চাপিয়ে দেয়াটা বায়ান্নর চেতনারই পরিপন্থী। কারন প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে মাতৃভাষা। মা, সে দেখতে যেমনই হোক না কেন, Continue reading “দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছি, এবার ভাষার স্বীকৃতি চাই”

ভাষা সৈনিক গোলাম আযম

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই

একুশে ফেব্রুয়ারী এলেই ভাষা সৈনিকদের কদর বাড়ে, ব্যতিক্রম শুধু অধ্যাপক গোলাম আযম। ভাষা সৈনিক শব্দদু’টি তার নামের সাথে যুক্ত করলে অনেকেই হেসে গড়াগড়ি খায়, ভাবে যার নামে স্বাধীনতা বিরোধী অপবাদ জুড়ে আছে তিনি কি করে ভাষা আন্দোলনের সৈনিক হতে পারেন। অথচ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ইর্ষণীয় ত্যাগের দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। আসুন, জেনে নেই ভাষা আন্দোলনে তার কিছু অবদানের কথা। Continue reading “ভাষা সৈনিক গোলাম আযম”

ভুলবো না সে একুশে ফেব্রুয়ারী ভুলবো না

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি

না, পারি না, মাকে ভোলা যায় না, মায়ের মুখের ভাষা ভোলা যায় না।যতদিন শিরায় শিরায় বইবে পবিত্র মায়ের রক্ত, ততদিন ভুলবো না একুশে ফেব্রুয়ারী।যতদিন মা মা রবে কেঁদে উঠবে শিশু, ততদিন ভুলবো না একুশে ফেব্রুয়ারী।যতদিন শিমুল পলাশের ডালে ডালে ছড়াবে আগুন, ততদিন ভুলবো না একুশে ফেব্রুয়ারী।ভুলবো না, ভুলবো না মা, তোমায় দিলাম কথা; অসুরের কাছে, অসত্যের কাছে নোয়াবো না কভু মাথা।