Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman

An analyst says the Bangladeshi government is responsible for the violent clashes that are breaking out in the South Asian country as it has left the people no choice but to “fight fire with fire.”

The comment comes as clashes erupted between Bangladeshi police and protesters over controversial trials of opposition politicians including leaders of the country’s Jamaat-e-Islami party. Continue reading “Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman”

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১: ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আওয়ামী জাহেলিয়াত!

বিশ্বনন্দিত আলেমে দ্বীন, মুফাস্‌সিরে কুরআন, সারা বাংলার তৌহিদী জনতার আবেগের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি প্রমাণিত বলে জানিয়েছা ট্রাইব্যুনাল। আমরা এ রায় তীব্রঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এ রায়ের বিরুদ্ধে যাতে জামায়াত ইসলামী ও তৌহিদী জনতা কোনরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাতে না পারে সেজন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই মামলার কিছু আলোচিত দিক:

* আল্লামা সাঈদীর এলাকার কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার সিকদারকে সাঈদী বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা, অবশেষে মাদ্রাসা বোর্ডের সার্টিফিকেটে তা ভুল প্রমানিত।

* বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানরত ভানু সাহাকে ধর্ষনের অভিযোগ অথচ ভানু সাহা বললেন বর্তমান ওলামা লীগ নেতা মোসলেউদ্দীন তাকে ধর্ষন করেছে! সাঈদীর নাম শুনেছেন প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে।

* জাফর ইকবালের পিতার খুনের আভিযোগ। মামলার সাক্ষী ছিলেন জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, শাহরিয়ার কবির, দু:খের বিষয় উনারা কেউই আদালতে হাজির হননি! রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি বলছেন উনাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও উনাদের সবাইকে সাহাবাগে নিয়মিত দেখা যায়! জাফর ইকবালের মা তার স্বামীর হত্যার বিবরণ দিয়ে একটি বই ও লিখেছেন। অথচ একবারও উনি সাঈদীর নাম উল্লেখ করেননি!

* ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভূক্ত সাক্ষী সুখ রঞ্জন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ডিবি কর্তৃক অপহরণ! যার হদিস এখনো মেলেনি।

* সাঈদী রাজাকার ছিলেন না এই মর্মে পিরোজপুরের সাবেক এমপি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সাক্ষ্য প্রদান।

* রাষ্ট পক্ষ সাক্ষীদেরকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলুব্ধকরণের রেকর্ড প্রকাশ।

* মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টি আল্লামা সাঈদী যশোরে কাটালেও উক্ত এলাকার কাউকে বাদী করা হয়নি! এবং যশোরের যার বাড়ীতে থাকতেন ঐ ভ্দ্রলোককে সাক্ষী হিসাবে নেয়া হয় নি।

* সর্বশেষ ষ্কাইপি কেলেংকারির দায়ে আইসিটির সাবেক বিচারপতি নাসিমের পদত্যাগ।

সরকার চায় শিবির অস্ত্র হাতে তুলে নিক; আমরা চাই ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা

নির্যাতনের মাত্রা কোন পর্যায়ে গেলে মানুষ স্বাধীনতার ডাক দেয়? কতটা রক্ত ঝড়লে মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নেয়? কেন বীর বাঙ্গালী স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিল? কেন বাঙ্গালী বিশ্বের অন্যতম সুসজ্জিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছিল, অস্ত্র ধারণ করেছিল, লড়াই করেছিল এবং কুকুরের মতো তাড়িয়ে বাংলাদেশ ছাড়া করেছিল? আজ স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে তেমনি এক প্রেক্ষাপটে দাড়িয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনকে কিছুটা হলেও অনুভব করতে সক্ষম হচ্ছি।

আইন-শৃংখলা বলতে যা বোঝায় তার ছিটে ফোটাও অবশিষ্ট নেই বাংলাদেশে। পুলিশ নামের কুকুরের মতো ভয়ংকর নির্বোধ একটি বাহিনী আছে বাংলাদেশে যা প্রভূর ইশারায় নিমিষেই দন্ত-নখর ছড়িয়ে নির্দেশিত প্রতিপক্ষের ঘাড় মটকে দিতে পারঙ্গম। ন্যূনতম বুদ্ধি-বিবেচনা এখানে একেবারেই মূল্যহীন। প্রভূর পদলেহনেই ভক্তি, পদাঘাতেই মুক্তি। Continue reading “সরকার চায় শিবির অস্ত্র হাতে তুলে নিক; আমরা চাই ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা”

মরুভূমি ছাড়া হয় কি মরুদ্যান?

গ্রেফতারকৃত শীর্ষ চার জামায়াত নেতাকে ঈদের আগে মুক্তি না দিলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা উড়িয়ে দেয়ার হুমকি  দিয়ে আইন কমিশনের ঠিকানায় গত ২৫ আগস্ট ইমেইলই আসে। ৫টি দিন পর ইমেইলটি কর্তৃপক্ষের নজর কাড়তে সক্ষম হয় এবং উড়ো খবরটি আজ পত্রপত্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম হয়ে যায়। এ ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে পত্রিকার রিপোর্টে জানা গেছে।  ই-মেইলের হুমকির ধরণেই বোঝা যায় খুবই সাধারণ মানের কম্পিউটার ব্যবহারকারী মেইলটি প্রেরণ করেছে, বিশেষ করে ইংরেজীতে তার দূর্বলতা আছে আবার রোমান হরফে বাংলায় লেখা ইমেইল দেখে বাংলায় ইমেইল লেখায় তার অজ্ঞতাও ধরা পরে । চেষ্টা চালালে প্রশাসন হয়তো দু’একদিনের মাঝে হুমকিদাতার নাগালও পেয়ে যাবে যদি না সরকার দলীয় কোন সমর্থক ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যকাজটি  না করে থাকে। কিন্তু ইমেইলটি যদি সত্যিকার অর্থেই গুরুত্বপূর্ণ হতো, আসলেই যদি ইমেইলের হুমকি সম্পর্কে হুমকিদাতা শতভাগ আন্তরিক হতো এবং তেমন শক্তিধর হতো তবে হয়তো ইতোমধ্যেই বিপর্যয়কর কিছু ঘটে যেতে পারত। আশ্চর্য বিষয় এই যে, যে ইমেইলটিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে জোরদার করা হলো, পত্র-পত্রিকার শিরোনাম বানানো হলো অথচ সে ইমেইলটি নজরে আসতে ৫টি দিন সময় লেগে গেল? সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এহেন দায়িত্বহীনতা অবশ্যই নিন্দনীয় এবং সরকারী আমলা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টেলিফোন, চিঠিপত্র, ইমেইল কিভাগে ব্যবহার করতে হয়, কতটুকু গুরুত্ব দিতে হয় তা শেখানো উচিত, নচেত একটা দূর্ঘটা ঘটে যাওয়ার ৫ দিন পর যদি হুমকির চিঠিপত্র উদ্ঘাটিত হয় তবে দেশবাসীর লজ্জার সীমা থাকবে না। Continue reading “মরুভূমি ছাড়া হয় কি মরুদ্যান?”

জামাত-শিবিরের শক্তির উৎস কোথায়?

হঠাৎ করেই সরকার খড়গহস্ত হয়ে উঠেছে বিরোধীদের উপর, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর উপর। বিষয়টি যে একেবারেই হঠাৎ করে ঘটেছে তাও নয় বরং ২০০১ এর র্নিবাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাপক ভরাডুবিতে জামায়াতের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকায় এবার ক্ষমতায় এসে জামায়াত-শিবির নির্মূলকে আওয়ামী লীগ তাদের রাজনীতির অস্তিস্ত রর্ক্ষাথে প্রধান দায়িত্ব মনে করছে। প্রকৃতপক্ষে এককভাবে এখনো আওয়ামী লীগের জন সমর্থন বেশী, আর বেশী এ কারণে যে আওয়ামী লীগের রয়েছে বড় অংকের হিন্দু রিজার্ভ ভোট। তবে আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির কারণে প্রতিনিয়ত একদিকে যেমন তাদের জনপ্রিয়তা কমছে, অন্য দিকে হিন্দুদের সম্পত্তি ব্যাপকভাবে লুটপাটে হিন্দু ভোটারদেরও মোহভঙ্গ হচ্ছে। পাশাপাশি রাজাকার, রগকাটা ইত্যাদি নানাবিধ অপপ্রচারের মাঝেও গঠনমূলক রাজনীতির ময়দান কামড়ে পড়ে থাকা জামায়াত কচ্ছপগতিতে ঠিকই তাদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে চলেছে। ফলে রাজনীতির ময়দানে জামায়াতের উপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আর জামায়াত ও বিএনপি যখনই ঐক্যবন্ধ আন্দোলন গড়ে তুলেছে ততবারই আওয়ামী লীগ বেকায়দায় পড়েছে।এ কারনেই বিএনপিকে একহাত দেখে নিতে জামায়াতকে যে কোন মূল্যে নির্মূল করতে আওয়ামী লীগ উঠে পড়ে লেগেছে। Continue reading “জামাত-শিবিরের শক্তির উৎস কোথায়?”

মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

এক সাগর রক্তের বিনিময়ের অর্জিত স্বাধীনতা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সমরে আমাদের প্রত্যাশা ছিল শোষণ মুক্ত, দারিদ্রমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ। যুদ্ধ শেষ হয়েছে প্রায় চল্লিশটি বছর আগে, অথচ স্বাধীনতা নামের সুখপাখিটা আজো আমাদের কাছে অধরাই থেকে গেছে। যে পাকিস্তানী শোষকদের অত্যাচার, নিপীড়ন, বঞ্চনা আর গোলামী থেকে মুক্তি পেতে লড়েছি আমরা, সে দেশের সাধারণ মানুষ আজো গোলামীর জিঞ্জিরে বন্দী। দারিদ্রের ভয়াবহতা বেড়েছে, নির্যাতনের তীব্রতা বেড়েছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের মাত্রা বেড়েছে। বেড়েছে বর্ণবাদ, বিভাজন আর হিংসার রাজনীতি। রাজা যায় রাজা আসে, সাধারণ মানুষের তাতে কিই বা যায় আসে। পাকিস্তানী নরপিশাচেরা বিতাড়িত হয়েছে, শাসনের ছড়ি আজ ভাইয়ের হাতে। অথচ সে ভাই ভাতৃত্বের ধার ধারে না, ভাইয়ে ভাইয়ে বিভাজনের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই ব্যস্ত। শত্রুর হাতের চাবুকের আঘাত সওয়া যায়, ভাইয়ের হাতে ফুলের আঘাত যে সয় না। অথচ ভাইয়েরা ফুল নয়, চাবুক নয় বরং ময়না কাটায় ক্ষতবিক্ষত করেছে আপন ভাইয়ের শরীর। Continue reading “মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস”

ঘোলা পানিতে টিপাইমুখ বাঁধ

সামিউল নির্মমভাবে নিহত হল। নিহত হলো নিজের মায়েরই হাতে। সামিউলকে জীবন দিতে হলো মায়ের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায়। স্বামীর কাছে পরকীয়ার গোপন খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে কামুকেরা নিজেদের সন্তানদেরও হত্যা করতে দ্বিধা করে না। ঠিক তেমনি বাংলাদেশেও চলছে আওয়ামী লীগ আর ভারত সরকারের মাঝে অবৈধ প্রণয়লীলা। সে প্রণয়ে বাঁধ সেজেছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ইসলামের পক্ষ শক্তিগুলো। বাঁধ সেধেছে জামায়াত, বাঁধ সেধেছে জাতীয়তাবাদী দল। দেশবিরোধী অবৈধ গোপন চুক্তির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক করতে মাঠে নেমেয়ে বিএনপি-জামাত জোট। আর তাইতো দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক প্রণয়লীলায় মাতোয়ারা আওয়ামী সরকার জামাত শিবির ও বিএনপির কন্ঠরোধে মরিয়া। Continue reading “ঘোলা পানিতে টিপাইমুখ বাঁধ”