ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি

ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি করতে যাচ্ছে বিসিআইএম (বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার)। কলকাতা-ঢাকা-সিলেট-ইম্ফল-তামু-মান্দালয়-লাসিও-ভামো-রুইলি-কুনমিং ২৮০০ কি.মি. সিল্ক রুট অনুমোদিত হয়েছে ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক করিডোর সুবিধা, যোগাযোগ, শক্তি, বিনিয়োগ, পণ্য ও সেবার বিনিময়, মানুষে মানুষে সংযোগ ইত্যাদি ১১টি বিষয়ের উপর স্টাডি রিপোর্ট তৈরী করছে চারটি দেশের মন্ত্রণালয়। জুনে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে চারদেশের রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরী হবে কম্বাইন্ড রিপোর্ট। এরপরে ডিসেম্বরে নয়া দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হবে বহুবিতর্কিত ট্রানজিট চুক্তি। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সাল থেকে বিসিআইএম ইকোনমিক করিডোর নিয়ে বাংলাদেশের সিপিডি, চীনের ইউনান একাডেমী অব সোস্যাল সায়েন্স, ভারতের সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ এবং মায়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করে অবশেষে সফলতার মুখ দেখতে চলেছে। এ চুক্তির ফলে প্রস্তাবিত সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে চারটি দেশই উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশের এতে কি লাভ? বাংলাদেশ কি পাবে? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে বাংলাদেশ এরমাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগের হাবে পরিণত হবে। এ চুক্তির ফলে ভারত-বাংলাদেশ বিদ্যুত বিষয়ক সহযোগিতা সহজতর হবে। সিকিমের উদ্বৃত্ত বিদ্যুত বাংলাদেশ সহজে পেয়ে যেতে পারে এমনটাই বলা হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনসেপ্ট পেপারে।
আচ্ছা, সিকিম কি সিল্ক রুটের মাঝে পড়ে? মোটেই না। তাহলে করিডোর সুবিধা দিলে বিদ্যুত সুবিধা পাওয়া যাবে তা কতটুকু নিশ্চিত, পাওয়া গেলেও তা করিডোরের ক্ষতির চেয়ে বেশী উপকারী হবে কি না তার নিশ্চয়তা কোথায়? কিংবা করিডোর দেয়ার পরে ভারত যদি বরাবরের মতো প্রতিশ্রুত ভঙ্গ করে বিদ্যুত নিয়ে টালবাহানা করে তবে কি করিডোর ধরে ট্রাক, লরিতে বোঝাই হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুত আসবে? কম্পেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মতো (সিএনজি), কম্প্রেসড ইলেকট্রিসিটি?

Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman

An analyst says the Bangladeshi government is responsible for the violent clashes that are breaking out in the South Asian country as it has left the people no choice but to “fight fire with fire.”

The comment comes as clashes erupted between Bangladeshi police and protesters over controversial trials of opposition politicians including leaders of the country’s Jamaat-e-Islami party. Continue reading “Bangladesh govt. liable for violent clashes: Stephen Lendman”

ইসলাম বিরোধী আ’লীগ সরকারের বর্বরতা থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই

أعوذ بالله من الشيطان الرجيم Continue reading “ইসলাম বিরোধী আ’লীগ সরকারের বর্বরতা থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই”

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তারিখে যখন পূর্ব পাকিস্তান থেকে সকল গণমাধ্যমকর্মীকে বিতারিত করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে দূর্ভেদ্য কালো দেয়াল তুলে দিয়ে অতর্কিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিপাগল হাজার হাজার নিরীহ বাঙ্গালীর উপর “অপারেশন সার্চলাইট” নামে হত্যার মিশনে ঝাপিয়ে পড়ে, যখন পাকিস্তানী সেনাদের নির্বিচার গণহত্যা থেকে বাঁচতে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আত্মগোপনে, যখন সাত কোটি বাঙ্গালীর স্বাধীনতার স্বপ্নের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী সেনাদের হাতে স্বেচ্ছাবন্দী, যখন শেখ মুজিব সম্পর্কে পুরো বিশ্ববাসী অন্ধকারে, তিনি পাকিস্তানী সৈন্যদের হাতে নিহত হয়েছেন কিংবা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বিভিন্ন গুজবে মুখরিত শব্দ তরঙ্গ, যখন পাকিস্তানী হায়েনাদের বর্বরতায় দিগ্বিদিগ জ্ঞানশূন্য কোটি জনতা দিশেহারা, ঠিক তখন অজ্ঞাত এক রেডিও থেকে ভেসে আসে অসহায় নিরস্ত্র নির্যাতিত বাঙ্গালীর মুক্তির বারতা,

“I Major Zia, Provisional Commander-in-Chief of the Bangladesh Liberation Army, hereby proclaims, on behalf of Sheikh Mujibur Rahman, the independence of Bangladesh. I also declare, we have already framed a sovereign, legal government under Sheikh Mujibur Rahman, which pledges to function as per law and the Constitution. The new democratic government is committed to a policy of non-alignment in international relations. It will seek friendship with all nations and strive for international peace. I appeal to all governments to mobilise public opinion in their respective countries against the brutal genocide in Bangladesh. The government under Sheikh Mujibur Rahman is sovereign legal Government of Bangladesh and is entitled to recognition from all democratic nations of the world.” Continue reading “স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া”

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন

মহাগৌরবে শাহরুখ খানের ঢাকা অভিযান সম্পন্ন হলো। ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী যেমন দ্রুত ধাবমান ১৭ ঘোড়সওয়ার নিয়ে বাংলা জয় করেছিলেন, শাহরুখ খান ততধিক দ্রুততার সাথে বাংলার সাংস্কৃতিক দর্প চূর্ণ করে ৮ম ধর্ম শাহরুখইজম প্রচার করে গেলেন। শিখিয়ে গেলেন ইভটিজিং-এর নানাবিধ ফর্মূলা, নারীর পায়ে সেজদায় লুটিয়ে প্রেম ভিক্ষার তরিকা। আর এ কাজে সরাসরি অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাতনী। শাহরুখ খানের পারফর্মেন্সে পুরো দেশ এতটাই উজ্জীবিত যে ইভটিজিং এর পরিবর্তে অবেশেষে এডাম টিজিং এর শিকার হলেন শাহরুখ খানContinue reading “সাংস্কৃতিক আগ্রাসন”

আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সন্তান

গত ২ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে গোলাম মোর্তজা সম্পাদিত ও ২৬, ইস্কাটন গার্ডেন, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা “সাপ্তাহিক”-এর বর্ষ ৩ সংখ্যা ২৯” ইন্টারনেটে জামায়াত-শিবিরের প্রপাগাণ্ডা” শীর্ষক মূল প্রতিবেদনে প্রতিবেদক আনিস রায়হান আমাদের এ সাইটটি নিয়ে সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট করেছেন যা আমাদেরকে কৌতুহলী করে। রিপোর্টে তিনটি ওয়েবসাইট, দুটি ব্লগ, একটি ফোরাম ও সামাজিক ওয়েবসাইট ফেসবুক নিয়ে চুলচেরা (নাকি চুলছেড়া) বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদক অন্ধকারে দড়ি দেখে সাপ সাপ বলে বিলাপ জুড়ে দিয়েছেন। তার এ আর্ত চিৎকারে সরকার দিশেহারা হবে কিনা তা জানা না গেলেও ইতোমধ্যেই “সাপ্তাহিক” পত্রিকাটির সাধারণ পাঠকরাই যে  পত্রিকার আওয়ামী প্রপাগান্ডা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গেছেন তা বেশ উপলব্ধি করতে পারছি, বিশেষ করে পত্রিকার রিপোর্টে পাঠকের মন্তব্যগুলো দেখে আমাদেরও আক্কেলগুড়ুম। Continue reading “আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সন্তান”

Bangladesh battles sexual bullying

মহামারী আকারে যৌন নির্যাতন ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিরোধের নামে শুধু আইন প্রণয়নের তোড়জোড় চলছে, পাল্লাদিয়ে বাড়ছে ইভটিজিং। ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে লেখাপড়া ছেড়ে দেয়া ছাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে সমানে। সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে যারা ইভটিজিং প্রতিরোধে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের অনেকেই লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন, প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকেই। পাশবিকতার যেন কোন শেষ নেই, সীমা নেই। বিকৃত যৌনতাড়িত যেসব পশুদের থাকার কথা খোয়াড়ে, তারাই  অবরুদ্ধ করে রেখেছে গোটা বাংলাদেশ। এর থেকে কি মুক্তি নেই? Continue reading “Bangladesh battles sexual bullying”

আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে স্কার্ফ নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র

কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা দফতরে বোরখা বা অন্য কোনও ধর্মীয় পোশাক পরা বাধ্যতামূলক করা যাবে না মর্মে হাইকোর্ট গত ২২ আগস্ট ২০১০ তারিখে কথিত জনস্বার্থে একটি রায় দেয়। রায়ে  বোরখা বা অন্য কোনও ধর্মীয় পোশাক পরা বাধ্যতামূলক করা যাবে না  মর্মে নির্দেশ দেয়া হয়। শুধু মুসলিম মহিলারাই নন, সব সম্প্রদায়ের মহিলা ও পুরুষকে এই নির্দেশিকার আওতায় আনা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা দফতরে ফেজ টুপিও পরাও বাধ্যতামূলক করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতিরা। এর আগে আরেকটি মামলায় শুধু বোরকা বা পর্দা ব্যবহারে বাধ্য না করার ব্যাপারে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু এ সকল নির্দেশনার কোথাও বলা হয়নি যে, যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা দফতরে ধর্মীয় পোশাকের সাথে সাদৃশ্য আছে এমন স্কুল ড্রেস বা ইউনিফর্ম আছে তা পরা যাবেন না। বাংলাদেশের প্রায় সকল স্কুলেই স্বতন্ত্র স্কুল ড্রেস রয়েছে। স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী তা পরিধানে বাধ্য। কোন কোন স্কুল ড্রেস এতটাই খোলামেলা, আটোসাটো ও যৌনউদ্দীপক যে মেয়েদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গগুলো অশ্লীলভাবে দৃশ্যমান হয়। যারা শালীনতা পছন্দ করে বা যারা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী পরিবারের সন্তান (বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারই ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী) তারা কামোদ্দীপক এসব পোশাকে বিব্রতবোধ করেন, কিন্তু স্কুল কলেজের নিয়মের কারণে তা পরিধানে বাধ্য হন। অধিকাংশ স্কুল কলেজে বখাটেদের আড্ডা দেখা যাই বিশেষত স্কুল ড্রেস পড়া মেয়েদের আকর্ষণীয় অঙ্গগুলো দেখার জন্য। এর ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে সমাজে বখাটেদের উৎপাত , ইভ টিজিং, ঠিক তেমনি উঠতি বয়েসী তরুণীরা বখাটেদের যৌন আবেদনে সাড়া দিয়ে সামাজিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। অনেকেই বখাটেদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে, পর্নো ছবি ও ভিডিওর মডেল হতে অজ্ঞাতসারে  বাধ্য হচ্ছে এবং ব্লাকমেইলিংয়ের ফাঁদে পড়ে দেহ ব্যবসায়ে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু এ সকল সমস্যার মূলে যে স্কুল ড্রেস গুলো তা পড়তে ছাত্রীদের বাধ্য করা যাবে না এ মর্মে কিন্তু আদালত বা সরকার কোন আইন করছে না, রুল জারি করছে না, প্রজ্ঞাপন দিচ্ছে না। Continue reading “আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে স্কার্ফ নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র”