ইলেক্ট্রিক চেয়ারেই কি মৃত্যু হবে সাকার!

ইলেক্ট্রিক চেয়ারে নির্যাতন করে ৬ বার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে হত্যার ঘোষণা দিলেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। ১৮ ডিসেম্বর ২০১০, শনিবার রাজধানীর টাউন হল মাঠে এক জনসভায় মতিয়া চৌধুরী অঙ্গীকার করেন যে সাকা চৌধুরী একাত্তরে যেভাবে নূতন চন্দ্র সিংহ সহ আরো অনেককে ইলেক্ট্রিক চেয়ারে শক দিয়ে মেরেছিলেন, সে শাস্তিই তার জন্য নির্ধারিত আছে। তার এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতির নতুন মহাসড়কে প্রবেশ করল আওয়ামী লীগ। একজন জনপ্রতিনিধিকে যদি এভাবে হত্যার ঘোষণা দেয়া হয় তাহলে সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা কোথায়?

Continue reading “ইলেক্ট্রিক চেয়ারেই কি মৃত্যু হবে সাকার!”

সাকা চৌধুরীকে নির্যাতনের অভিযোগ : ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

গ্রেপ্তারের পর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী ফরহাত কাদের চৌধুরী। সাকা চৌধুরীর মেয়ে ফারযিদ কাদের চৌধুরী অভিযোগ করেন “তার প্রতিটি পায়ের নখ ছিড়ে ফেলা হয়েছে, কান থেকে রক্ত বেরোচ্ছে, মাথায় এত জোরে আঘাত দেয়া হয়েছে যে দাড়াতে পারছেন না।” এদিকে মগবাজারের গাড়ি পোড়ানো ও ফারুক হোসেন হত্যামামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ১০ দিনের রিমান্ডের নেয়ার আবেদন করলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ফরহাত কাদের চৌধুরীর আশঙ্কা, সালাউদ্দিন কাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে আবার নির্যাতন করা হবে। গ্রেফতারের পর আদালতে সাকা চৌধুরীকে অসুস্থ্য ও দূর্বল দেখা গেছে, হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বেরিয়ে আসার সময় তার নাক-মুখ ও শার্টে রক্তের চিহ্ন ছিল স্পষ্ট। এদিকে সাকা চৌধুরীর গ্রেফতারে আদালত প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সাংসদ শাম্মী আক্তারসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে পরে শাম্মী আক্তারকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। Continue reading “সাকা চৌধুরীকে নির্যাতনের অভিযোগ : ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর”

ভোটারদের আতঙ্কিত করতেই কি গ্রেফতার সাকা চৌধুরী?

সর্বশেষ সংবাদ : অবশেষে রাত সোয়া ১২টায় আবার মুক্ত সাকা।
হঠাৎ করেই গ্রেফতার হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওরফে সাকা চৌধুরী। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন শুরু হবে আর অল্প কয়েক ঘন্টা পরেই অথচ এমন একটি নাজুক মুহুর্তে বাকলিয়া থানা পুলিশ আটক করে তাকে। বাকলিয়ার মান্নান সওদাগরের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে গুডস হিলের নিজ বাসায় যাওয়ার পথে বিকেল সোয়া পাঁচটায় চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকায় সাকাচৌধুরীর গাড়ীর গতিরোধ করে আটক করা হয়। পুলিশের অভিযোগ সাকা চৌধুরী নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে গাড়ি বহর নিয়ে ঘোরাঘুরি করেছেন, যদিও তিনি তার গাড়ীর সাথে চলা সব গাড়ী তার নয় বলে দাবী করেন। উল্লেখ্য পুলিশ ৪টি গাড়ী থামানোর চেষ্টাকালে ২টি চলে যেতে সক্ষম হয়। অথচ নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনের কথা বলা হলেও এখন গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ভিন্ন মামলায়। তার গ্রেফতারের খরর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বাকলিয়া থানায় বিএনপির সাংসদ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের নেতাবৃন্দসহ হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ভিড় করে। ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট পর রাত ৮টা ২৫ মিনিটে সাকা চৌধুরীকে এবকার ছেড়ে দেয়া হলেও আবার রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। Continue reading “ভোটারদের আতঙ্কিত করতেই কি গ্রেফতার সাকা চৌধুরী?”