বাঙালি সংস্কৃতির নামে হিন্দু রীতিনীতির পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ

পহেলা বৈশাখ এবার বৃহস্পতিবারে হওয়ায় এক নাগারে তিন দিনের সরকারী ছুটি পেয়ে গেলাম। ছুটিতে গ্রামগঞ্জের এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি, দেখছি বাঙালীপনার নানা আয়োজন। বাবা ফোন করে আগেই জানিয়েছিলেন আমাদের উপজেলায় এবার সরকারীভাবে চারদিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হবে। চারিদিকে তাই সাজসাজ রব। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এতবড় মহাযজ্ঞ এর আগে কখনো হয়েছি কি না মনে পরছে না। বর্তমান ধর্মনিরপেক্ষ সরকার খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে, ঘুরে ফিরে বারে বারে যদি ক্ষমতায় আসতে হয় তবে দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার শক্ত ভীত গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্য এমন কিছু অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে যা জনতাকে দিশেহারা হয়ে ঘরের বাইরে ছুটে আসতেই হবে। যান্ত্রিক এ পৃথিবীতে অভাব আর অজ্ঞতার মাঝে এতটুকু বিনোদনের জন্য সাধারণ মানুষের মন ব্যাকুল হয়ে থাকে। বর্ষবরণ, বসন্ত উৎসব, একুশে ফেব্রুয়ারী এসব কিছুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করতে তাই সরকারের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। জনপ্রিয় শিল্পীদের দিয়ে সাজানো জমকালো এসব অনুষ্ঠান তাই ক্ষণিকের জন্য হলেও হারিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে। Continue reading “বাঙালি সংস্কৃতির নামে হিন্দু রীতিনীতির পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ”

সাংস্কৃতিক বিনিময় নয়, আগ্রাসন চালাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। গত ১০ ডিসেম্বর ২০১০, শুক্রবার দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় যা হুবহু এখানে তুলে ধরলাম। এছাড়া এটিএন নিউজের টক শোতে একই দিন তিনি অংশগ্রহণ করে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের সমালোচনা করেন। আসুন উপভোগ করি টকশোর ভিডিও। Continue reading “সাংস্কৃতিক বিনিময় নয়, আগ্রাসন চালাচ্ছে ভারত”

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন

মহাগৌরবে শাহরুখ খানের ঢাকা অভিযান সম্পন্ন হলো। ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী যেমন দ্রুত ধাবমান ১৭ ঘোড়সওয়ার নিয়ে বাংলা জয় করেছিলেন, শাহরুখ খান ততধিক দ্রুততার সাথে বাংলার সাংস্কৃতিক দর্প চূর্ণ করে ৮ম ধর্ম শাহরুখইজম প্রচার করে গেলেন। শিখিয়ে গেলেন ইভটিজিং-এর নানাবিধ ফর্মূলা, নারীর পায়ে সেজদায় লুটিয়ে প্রেম ভিক্ষার তরিকা। আর এ কাজে সরাসরি অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাতনী। শাহরুখ খানের পারফর্মেন্সে পুরো দেশ এতটাই উজ্জীবিত যে ইভটিজিং এর পরিবর্তে অবেশেষে এডাম টিজিং এর শিকার হলেন শাহরুখ খানContinue reading “সাংস্কৃতিক আগ্রাসন”