যেভাবেই হোক আমরা কিন্তু ছাড়ব না : বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের দাবীতে সি আর দত্তের হুমকি

পাকিস্তানী হায়েনাদের শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে দেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, সেনারা যখন জীবনবাজি রেখে ঝাপিয়ে পড়েছিল সম্মুখ সমরে, ঠিক তখন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর প্রত্যক্ষ মদদে ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর কিছু অফিসারের সহযোগিতায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, বিসমিল্লাহ আর ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বাতিল করে ব্রাহ্মণ্যবাদী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একাত্তরে যুদ্ধ করেছিল এ দেশীয় কিছু গাদ্দার। পাকিস্তানের পক্ষে যেমন কিছু দেশীয় দোসর অস্ত্রধারণ করেছিল, হত্যা-লুন্ঠনে মেতে উঠেছিল ঠিক তেমনি সাধারণ মানুষের স্বাধীনতার আকুতিকে পুঁজি করে সি. আর দত্ত, কে. এম. সফিউল্লাহর মতো কিছু ভারতীয় ক্রীতদাস  যুদ্ধ করেছে ভারতের স্বার্থে, ব্রাহ্মণ্যবাদের স্বার্থে। কিন্তু ভারতের আশীর্বাদেও এদেশ ধর্মহীন হয় নি, বরং ইসলামই পেয়েছে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা, আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই চলছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আজ ভারতীয় সেনা প্রধানের বাংলাদেশ সফরের দিনে পুরনো সেই দাসখতের কথা মনে পড়ে গেল সি. আর. দত্তদের আর তাই তো প্রভুর সফরে উজ্জীবিত দত্ত হুংকার দিলেন, বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল না হলে “যেভাবেই হোক তিনি ছাড়বেন না”। তিনি কি ভেবেছেন বাংলাদেশকে হুমকি দিলেই এদেশের ১৬কোটি মানুষ ফাটা বেলুনের মতো চুপসে গিয়ে ভারতের পদলেহনকারী শাহরিয়ার কবিরদের মতো ভারতমাতার পদতলে সিজদায় লুটিয়ে পড়বে? জনরোষে ভষ্ম হওয়ার আগেই ভারতীয় দালালদের উচিত ভারতের সেনা প্রধানের সাথে সোজা ভারতের ওপার গিয়ে লম্ফঝম্ফ করা। রৌমারীর শপথ! বাংলাদেশের জনগণ সি. আর. দত্ত, সফিউল্লাহর মতো উচ্ছিষ্টভোজী শকুনদের কিছুতেই ক্ষমা করতে পারে না, ক্ষমা করবে না।

সংবিধান সংশোধন : ইসলামের অবমাননা ও দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়াই লক্ষ্য !

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বরাবরই এ অভিযোগটি ছিল যে ওরা ইসলামের দুশমন। কথাটি শুনতে যতটা খারাপ হোক না কেন, বিশেষ করে আ’লীগের অনেকেই যেখানে নামাজ রোজাও করেন, নামের আগে আলহাজ্ব টাইটেলও লটকে নেন, সেখানে তাদেরকে ইসলামের দুশমন আখ্যা দিলে কিছুটা খটকা লাগাটাই স্বাভাবিক। আসলে মুসলমানের ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগ যে ইসলাম ধ্বংসের ভয়ংকর হাতিয়ার তা বোঝা যায় তাদের ইসলাম বিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ড দেখে। বিশেষ করে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক ইসলামী মূলনীতির উপর চরম আঘাতের মাধ্যমে তাদের ইসলাম বিদ্বেষী কুৎসিত চেহারাকে উন্মোচিত করেছে। আর এর সবচেয়ে নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত হতে পারে বর্তমান সংবিধান সংশোধনের নামে বাংলাদেশ থেকে ইসলাম নির্মূল আন্দোলন। আর এ দায়িত্বটি অত্যন্ত দৃঢ়তা, আন্তরিকতা ও শঠতার সাথে শেষ করে এনেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির কো-চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। সংবিধান সংশোধনের দায়িত্ব যখন সুরঞ্জিতের মতো কোন কট্টরপন্থী মৌলবাদী হিন্দু নেতার হাতে থাকে তখন সে সংবিধানে ইসলামের স্থান কতটা করুণ হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। Continue reading “সংবিধান সংশোধন : ইসলামের অবমাননা ও দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়াই লক্ষ্য !”