মা দূর্গার আগমনে শেখ হাসিনার গোলা ভরে!

 হাটে হাড়ি ভাঙ্গা সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিক্‌স একের পর এক গোপন তারবার্তা ফাঁস করে বিশ্বব্যাপী রাঘব-বোয়ালদের যে ভাবে ফেঁসে দিয়েছে তা নজীরবিহীন। বিশ্বের মহা মহা শক্তিধর রাষ্ট্র ও ব্যক্তিত্বদের এত বেশী কেলেংকারী নিয়ে ওরা মেতে উঠেছিল যে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল একটি দেশের রাজনীতির নর্দমায় হাত দেবে কি না তা নিয়ে সকলেরই কৌতুহল ছিল। অবশেষে একে একে বেশ কিছু গোপন তারবার্তায় বাংলাদেশের নেতা-নেত্রী আর রাজনীতির বিভৎস্য কিছু চিত্র উঠে এসেছে। বলাই বাহুল্য, এ সকল তারবার্তা উইকিলিক্‌স এর নয়, বরং এগুলো বাংলাদশস্থ মার্কিন দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে প্রেরিত অত্যন্ত গোপনীয় তারবার্তা। তারবার্তায় উইকিলিক্‌সের মতামত প্রতিফলিত হয় না, ওগুলো বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন মাত্র। Continue reading “মা দূর্গার আগমনে শেখ হাসিনার গোলা ভরে!”

ক্ষমা করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান

একজন খুনি! তার পরিচয় একটাই, খুনী! আইনের দৃষ্টিতে সে কারো সন্তান নয়, নয় কারো পিতা, ভাই, আত্মীয়-স্বজন! আইনের দৃষ্টিতে তার একটাই পরিচয়, সে খুনি। তবে, খুনের কিছু ধরণ আছে, কেউ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে খুন করে বসে, আবার কেউ কেউ ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করে। আবার রসূ খাঁর মতো কেউ কেউ ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার, খুনই যাদের একমাত্র পেশা, খুনই যাদের অতৃপ্ত নেশা। সব খুন যেমন সমান নয়, সব খুনের বিচারও অনেক সময় এক রকম হয় না। তবে খুন করে কেউ আইনের হাত থেকে বেঁচে যাক তা কারো কাম্য নয়।  কারন নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ছাড়া অন্য কোন কারণে যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করে সে যেন দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে হত্যা করে।  কিন্তু খুনী সে যত বড় অপরাধীই হোক না কেন তার চেয়েও বড় অপরাধী যে ঠান্ডা মাথায় ন্যায় বিচারকে হত্যা করে, খুনীদেরকে মুক্তি দেয় আর নিরপরাধ মানুষদের উপর চালায় পৈশাচিক নির্যাতন। আর তাই, একজন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত খুনের আসামীকে দলীয় স্বার্থে দয়াপরবশ হয়ে ক্ষমা করে দিয়ে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার এ মহানুভবতায় মানবাধিকার ভূলুন্ঠিত হয়েছে, অসত্যের জয় হয়েছে, অপশক্তির জয় হয়েছে। Continue reading “ক্ষমা করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান”

এশিয়ার রোল মডেল ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

“Good Fences Make Good Neighbors” আর প্রতিবেশী যদি হয় আকার-আকৃতি, অর্থ-প্রতিপত্তি, ধনে-মানে অনেক বেশী শক্তিশালী তবে সে সব প্রতিবেশীদের সাথে গড়ে তোলা উচিত “মান্দারগাছ সর্ম্পক”, অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় মাখামাখি না করাই শ্রেয়। মনে রাখা দরকার, বড়দের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক স্থাপনে ছোটরা উপকারের চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থই হয় বেশী।  সম্পর্ক যত বৃদ্ধি পায় ছোটদের রান্নাঘর-শোবারঘর সবকিছুতেই বড়দের একটা জোরজবরদস্তিমূলক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, অথচ বৈঠকখানা ডিঙ্গিয়ে অন্দরমহলে প্রবেশের সুযোগ মেলেনা অপেক্ষাকৃত দূর্বল প্রতিবেশীর। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে, বাজার সওদায়, ফুট-ফরমায়েশ খাটতে প্রতিনিয়ত ডাক পড়ে দূর্বল প্রতিবেশীর, যদিও কঠিন দূর্যোগেও সাধারণত বৃহৎ প্রতিবেশীরা ছোটদের খুব একটা উপকারে আসে না। তবে ব্যতিক্রম যে একেবারে নেই তা নয়, তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এসব কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। Continue reading “এশিয়ার রোল মডেল ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক”

মানুষ না আওয়ামী লীগ?

কতটা নির্মম হলে মানুষ পশুকেও হার মানায়? কতটা নির্দয় হলে শয়তানও লজ্জায় মুখ লুকায়? কুকুরেরও ধর্ম আছে, প্রতিপক্ষ আত্মসমর্পন করলে নির্যাতন বন্ধ করে ওরা। অথচ কি আশ্চর্য, মানুষের মুখোশ এঁটে পাশবিক উল্লাসে মাতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ-পুলিশলীগ নামের হিংস্র হায়েনার দল। না, হায়েনা নয় ওরা, হায়েনার পাশবিকতারও সীমা আছে, আওয়ামী রক্ষীবাহিনীর বিভৎসতার কোন সীমা নেই, শেষ নেই। ১২ টি ইসলামী দল আহুত ও প্রধান বিরোধী দল গুলোর সমর্থনে “আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস” রক্ষার দাবীতে ডাকা দেশব্যাপী হরতালে পুলিশ নামের আওয়ামী জানোয়ার আর রক্ষীবাহিনীর সশস্ত্র তান্ডবে স্তম্ভিত বিশ্ববিবেক। বিশ্বজুড়ে আজ একটাই প্রশ্ন, কি হচ্ছে বাংলাদেশে?

Continue reading “মানুষ না আওয়ামী লীগ?”

মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট

ফাটাকেষ্ট খবর পড়ে না, খবর দেখে না, খবর তৈরী করে। গুন্ডা ফাটাকেষ্ট মিনিস্টার হয়ে রাতারাতি পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির ভাঙ্গা  মেরুদন্ড সোজা করে দেন, অফিস আদালত থেকে দূর্ণীতি ঝেটিয়ে বিদেয় করেন, সন্ত্রাসের মুখে ঝামা ঘষে রাস্তাঘাট, পাড়া মহল্লা,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তীর্থস্থান সবখানে শান্তি ফিরিয়ে আনেন । যেখানে অসঙ্গতি, সেখানেই ফাটাকেষ্টর সরব উপস্থিতি; কখনো বা অগ্নিমূর্তি হয়ে, কখনো বা ছদ্মবেশে। আর যতসব অনিয়ম অসঙ্গতি অন্যায় দেখেন, মারেন সেখানে, লাশ পড়ে শশ্বানে। তবে এ সবকিছুই সম্ভব হয় চলচ্চিত্রে, বাস্তবে সবকিছুই ফিঁকে, ফাটাকেষ্টোরা থেকে যায় শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের স্বপ্নের জগতে। কিন্তু হঠাৎ করে কেউ যদি ফাটাকেষ্টোর মতোই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়, আর দশজন রাজনীতিকের মতো শানশওকতের সাথে না চলে সাধারণ মানুষের কাতারে দাড়ায়, সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে বেড়ায়, তখন মানুষের বিস্ময়ের সীমা থাকে না। আর তেমনই এক বিস্ময়ের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা মূখ্যমন্ত্রী। মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট। Continue reading “মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট”

খালেদা জিয়া মেট্রিক ফেল : ড. শেখ হাসিনা

অসংখ্য ডক্টরেট ডিগ্রী ও জ্ঞানের মহা জঞ্জালের চাপে মাঝে মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে মহামূল্যবান বাণী বেরিয়ে আসে। যেমন আজ তিনি জাতিকে জানালেন, “বেগম খালেদা জিয়া মেট্রিকে ফেল করেছিলেন। তাই তিনি পাশ করেন নাই, কাজেই আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা পাশ করবে কেন? বলি আমি পারি নাই, তোরা পারবি কেন?”  তবে নিন্দুকেরা বলেন, শিক্ষাই আলো। যার মাঝে যতটুকু শিক্ষা আছে সমাজ তার দ্বারা ততটুকু আলোকিত হয়। মানুষের কথাবার্তা, আচার আচরণেই শিক্ষাদীক্ষার কিরণ বিচ্ছুরিত হয়। আর গ্রামগঞ্জের স্বল্পশিক্ষিত বাসের ড্রাইভার হেল্পার কিংবা হোটেল রেস্তোরার কর্মচারীরাও জানে, ব্যবহারেই বংশের পরিচয় কিংবা বলা যায় শিক্ষা-দীক্ষার পরিচয়।” তবে মহাজ্ঞানী শেখ হাসিনার পক্ষে এত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় স্মরণে রাখা আদৌ সম্ভব কি না তাই ভাবনার বিষয়।

যারা বেশি জ্ঞানী তাদের কিছু ছোটখাট সমস্যা আছে। বিশেষকরে বিজ্ঞানীদের ভুলো মন নিয়ে অনেক গল্প আছে। আইনস্টাইন তো এমন ভুলো মনের ছিলেন যে নিজের বাসার ঠিকানাই ভুলে যেতেন। তবে বিজ্ঞানীদের বৌদের ভুলোমন নিয়ে তেমন কিছু শোনা যায় না। সম্ভবত তাদের এক্ষেত্রে আরো এক ডিগ্রী উপরে থাকার কথা, ঠিক নাপিতের বৌদের মতো। বিজ্ঞানী ওয়াজেদের জেদী বৌয়েরও এ ধরণের ছোটখাট কিছু সমস্যা আছে, যা তিনি বুঝতে পারেন না। Continue reading “খালেদা জিয়া মেট্রিক ফেল : ড. শেখ হাসিনা”

জিয়াকে নামানো হলো তবু বঙ্গবন্ধুর নামে বাতি জ্বালাতে মাটি মেলে না

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১০ তারিখে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। ২২ ফেব্রুয়ারী রাতে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাইনবোর্ড থেকে জিয়া নামিয়ে ফেলা হলো, পর দিন কাপড়ের ব্যানারে লেখা হলো শাহজালাল (রঃ) এর নাম। বিরোধী দলকে শিক্ষা দিতেই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “মাত্র কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছি তাতেই তাদের জ্বালা উঠেছে। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানেরই নাম পরিবর্তন করা হলে অবস্থাটা কেমন হবে।” তবে প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা যা-ই বলুন না কেন শুধুমাত্র স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামটি মুছে দিতেই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ ১ হাজার ৩০০ একর জমির ওপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ এ বিমানবন্দরের নির্মানকাজ জিয়া শাসনামলে শেষ হলেও নামকরণটি কিন্তু বিএনপি করে নি। জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর তার প্রতি দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও আবেগকে শ্রদ্ধা জানাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করে এর নাম জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখেন।

Continue reading “জিয়াকে নামানো হলো তবু বঙ্গবন্ধুর নামে বাতি জ্বালাতে মাটি মেলে না”

না খেয়ে মরণেও দুঃখ নেই, শেখের বেটি তো আছেন ক্ষমতায়!!!

শেয়ার বাজারে একদিনে ৬.৭১% সর্বোচ্চ দরপতন,  কলমানি সুদের হার ১৯০%, সয়াবিনের লিটার ১১৫ টাকা, ভারতীয় পিয়াজের কেজি ৬০ টাকা……।

শেয়ার বাজার যদি পতন হতে হতে মাটিতেও মিশে যায়, কলমানি সুদের হার বেড়ে বেড়ে যদি আকাশও ফুঁড়ে যায়, চালের কেজি যদি হয় হাজার পাঁচেক দাম ….. তবু দুঃখ করো না বন্ধু, শেখের বেটিতো আছেন ক্ষমতায়!!! আশাবাদী হও দেশবাসী, শুধু দোষ খুঁজিও না, খারাপের দিকে তাকিও না, মুক্তোমালা খঁচিত বুবুর পানে চাও, দুঃখ ভুলে যাও। নীকষ আধারের মাঝে যেমন জোনাক জলে আশার আলো হয়ে, লক্ষ কোটি ব্যর্থতার  গ্লানির মাঝেও তেমনি শেখের বেটি হাসিনাও ঝলমল করে জনতার অন্তরে।

দু ‘বেলা না খেলে কি-ই বা আসে যায়, ভাত খেয়ে কি চীরঞ্জীব হওয়া যায়? চীরঞ্জীব শেখ মুজিব। শেখের বেটিই যে আজ ক্ষমতায়!!!