টিকা আতংক

টীকা আতংকে ভোগেনি আমাদের আমলের এমন শিশুর হদিস পাওয়া যাবে না। কাউকে ভয় দেখাতে হলে টিকার কথা বললেই হতো, মুহুর্তে অনেকে প্যান্টই ভিজিয়ে ফেলত। শিশুদের রাক্ষস খোক্ষসের চেয়ে টিকার কথা বললেই বেশী চাপে রাখা যেত। রোগ প্রতিরোধে যেমন টীকা কার্যকর, তার চেয়ে বেশী কার্যকর শিশুদের ঘুম পাড়ানো ওষুধ হিসেবে। আমার দেখার সুযোগ হয়েছে টীকা দেয়ার আজব যন্ত্রগুলো, এক কথায় ভয়ংকর। পশ্চিমা দেশে যেমন কাউ বয়রা যেমন নতুন গরুর শরীরে গণগণে লোহা দিয়ে ব্রান্ডিং করে, এদেশৈও টীকা দিয়ে তেমনি শরীরে টীকার সার্টিফিকেট সেটে দেয়া হতো। আজো আমাদের মুরুব্বীরা বাহুতে বাহুতে টীকার কুৎসিত দাগ আর ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন নিয়ে ঘুরে বেড়ান। তবে টীকা দেয়ার পদ্ধতিটি যতটা কুৎসিতই হোক না কেন টীকা নিতে গিয়ে সে আমলে কেউ মারা যেত এমন সংবাদ শোনা যায় নি। Continue reading “টিকা আতংক”