লাশের রাজনীতি


রাজা যায় রাজা আসে নূর হোসেনদের লাশের সিঁড়ি মাড়িয়ে, তবু গণতন্ত্রের মুক্তি মেলে না, স্বৈরাচার নিপাত যায় না।
স্বৈরাচার এরশাদকে সিংহাসন থেকে টেনে হিঁচড়ে নামাতে শেখ হাসিনা রাজনীতির বলির পাঠা বানিয়েছিলেন শহীদ নূর হোসেনকে, উৎসর্গীত পশুর মতো বুকে “স্বৈরাচার নিপাত যাক//” পিঠে “গণতন্ত্র মুক্তি পাক//” স্লোগানে সাজিয়ে মিছিলে পেছন থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল তাকে, এমটাই মনে করেন সাবেক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। আমরা দেশবাসীও অবাক বিস্ময়ে প্রতিনিয়ত অবলোকন করি একের পর এক আওয়ামী লাশের রাজনীতি।

Continue reading “লাশের রাজনীতি”

লাশের রাজনীতিতে নতুন মুখ ফারুক, পালাও সুমন! পালাও!!

পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।

কাজী নজরুল ইসলামের লিচু চোর ছড়ার মতোই শেষ পর্যন্ত ফারুক হোসেন প্রাণ দিল মগবাজার জামায়াত অফিসের কাছে গিয়েই। লাশের রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে ট্রাজেডির নায়ক হয়ে মায়ের বুক খালি করে চলে গেলেন ফারুক হোসেন। তার মৃত্যুতে হত্যামামলার আসামী হিসেবে জামায়াত নেতৃবৃন্দের রিমান্ড চলছে এখন।

হরতালের পূর্ব রাত। সারাদেশে টানটান উত্তেজনা। কি হয় কি হয়, কি জানি কি হয়। সবার মনেই আশংকা ছিল প্রতিহিংসার রাজনীতিতে অভ্যস্ত আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের এ হরতালকে কিছুতেই সহজভাবে মেনে নেবে না। আমি নিজেও হরতালের আগের রাতে অর্থাৎ ২৬ জুন ২০১০ তারিখ সন্ধ্যায় ফেসবুকে স্টাটাস দিয়েছিলাম, “হরতালকে ধ্বংসাত্মক প্রমাণে আওয়ামী লীগ রাতের আধারে অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজী করতে পারে। বিগত আমলে বিআরটিসি বাসে গানপাউডার ঢেলে গণহত্যার যে নজীর তারা রেখে গেছে তা আবারো করতে পারে বিরোধীদের ফাঁসাতে। তাই হুশিয়ার”। আশংকা যে একেবারেই অমূলক ছিল না, হরতালের আগের সন্ধ্যায় বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ, যুবলীগের কর্মীরা ঠিকই অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আতংকিত করে তোলে। এর আগেই হরতাল যে কোন মূল্যে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল ছাত্রলীগ। সবার আশংকাকে সত্যে পরিণত করতে আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দেশব্যাপী নারকীয় তান্ডব চালিয়ে যে বর্বরতার নজীর স্থাপন করেছে তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল। Continue reading “লাশের রাজনীতিতে নতুন মুখ ফারুক, পালাও সুমন! পালাও!!”