ঘোড়া দাবড়ানোর দিন এলো আবার

রমজানে খতম তারাবী কোন হাফেজ সাহেব কত দ্রুত পড়াতে পারেন, সাধারণত তার উপর হাফেজ সাহেবদের সম্মান ও সম্মানী নিভর্র করে। এ ক্ষেত্রে রমজান শুরু হতেই শোনা যায় যে এপাড়ার মসজিদের হুজুর চল্লিশ মিনিটে খতম তারাবী পড়ান তো ওপাড়ার মসজিদে আধা ঘন্টায় খতম তারাবী পড়ানো হয়। ফলে রিক্সা ভাড়া দিয়ে হলেও সবাই দৌড়ায় এসব মহান মহান ব্যক্তিদের মসজিদে, যারা কোরআন তেলাওয়াতকে নামিয়ে এনেছেন পুরোহিতদের মন্ত্রপাঠের স্তরে। তারা যা পড়েন তা তারা নিজেরাও বোঝেন কিনা সন্দেহ, তবে আমরা আম জনতা যে দুয়েকটি সূরা ছাড়া বাকি তেলাওয়তের বিন্দু বিসর্গও বুঝি না তা তারা বোঝেন না কিংবা বলা যায় তারা বোঝার চেষ্টাও করেন না। Continue reading “ঘোড়া দাবড়ানোর দিন এলো আবার”

রমজান নিয়ে ভাবনা

বছর ঘুরে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বারতা নিয়ে পশ্চিমাকাশে উদিত হয়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তাই
রমজানকে ঘিরে মুসলিম আম-জনতার মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার শেষ নেই। রমজানকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য সকলের মাঝেই এক ধরণের ব্যাকুলতা, অনাবিল আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে সবার মনে, যার কোন শেষ নেই, পরিসীমা নেই।
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান। মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণী
সম্বলিত কিতাব আল-কুরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান। রমজান মাস সিয়াম সাধনার মাস, আত্মশুদ্ধির মাস,
ধৈর্যের মাস, সহিষ্ণুতার মাস, অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাস, ইসলামী ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের মাস। এ মাসের মধ্যেই রয়েছে এমন একটি রাত যে রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। আর এ মাসের ১৭ তারিখেই বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ, যে যুদ্ধে মাত্র ৩১৩ জন জানবাজ আল্লাহর অকুতোভয় মুজাহিদ বদর প্রান্তরে গোটা পৃথিবীর বাতিল মতাদর্শী শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, ছিনিয়ে এনেছিল ইসলামের প্রথম বিজয়।
এ মাসের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মহান রাব্বুল আ’লামীন পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের
উপর রোযা ফরজ করা হয়েছে যেভাবে করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া
(পরহেজগারী) অর্জন করতে পার।” Continue reading “রমজান নিয়ে ভাবনা”