মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট

ফাটাকেষ্ট খবর পড়ে না, খবর দেখে না, খবর তৈরী করে। গুন্ডা ফাটাকেষ্ট মিনিস্টার হয়ে রাতারাতি পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির ভাঙ্গা  মেরুদন্ড সোজা করে দেন, অফিস আদালত থেকে দূর্ণীতি ঝেটিয়ে বিদেয় করেন, সন্ত্রাসের মুখে ঝামা ঘষে রাস্তাঘাট, পাড়া মহল্লা,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তীর্থস্থান সবখানে শান্তি ফিরিয়ে আনেন । যেখানে অসঙ্গতি, সেখানেই ফাটাকেষ্টর সরব উপস্থিতি; কখনো বা অগ্নিমূর্তি হয়ে, কখনো বা ছদ্মবেশে। আর যতসব অনিয়ম অসঙ্গতি অন্যায় দেখেন, মারেন সেখানে, লাশ পড়ে শশ্বানে। তবে এ সবকিছুই সম্ভব হয় চলচ্চিত্রে, বাস্তবে সবকিছুই ফিঁকে, ফাটাকেষ্টোরা থেকে যায় শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের স্বপ্নের জগতে। কিন্তু হঠাৎ করে কেউ যদি ফাটাকেষ্টোর মতোই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়, আর দশজন রাজনীতিকের মতো শানশওকতের সাথে না চলে সাধারণ মানুষের কাতারে দাড়ায়, সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে বেড়ায়, তখন মানুষের বিস্ময়ের সীমা থাকে না। আর তেমনই এক বিস্ময়ের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা মূখ্যমন্ত্রী। মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট। Continue reading “মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট”

বামশাসন থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুক্তি

অবশেষে বাম শাসন থেকে মুক্তি পেল পশ্চিমবঙ্গ। মমতার ভাষায়, “৩৫ বছর পর পশ্চিমবঙ্গ নতুন করে স্বাধীনতা পেল”। জনগণ ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে পরিবর্তনের পক্ষে, প্রত্যাবর্তনের বিপক্ষে। “এ বিজয় গণতন্ত্রের; এ বিজয় মা, মাটি, মানুষের”-জানালেন মমতা। উৎসর্গ করলেন এ বিজয়কে রবীন্দ্র-নজরুল, মনিষীদের, উৎসর্গ করলেন সকল মানুষকে। অঙ্গীকার করলেন সুশাসন প্রতিষ্ঠার, দলতন্ত্রের বিপরীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার। অঙ্গীকার করলেন জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার।

পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের এ অগ্রযাত্রায় মাননীয় মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। আশাকরি তার শাসনামলে দুই বাংলার মাঝে সম্মানজনক বন্ধুত্ব সুদৃঢ় হবে এবং দু’দেশের মাঝে পানি সমস্যা, ছিটমহল সমস্যা, সীমান্তে হত্যা-নির্যাতন,  শিশু ও নারী পাচার, মাদক ও অস্ত্রচোরাচালানসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোর সম্মানজনক সমাধান হবে।