আরবী ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হোক

বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক আরবী ভাষা বুঝতে পারেন, অনেকেই অনর্গল কথা বলতে পারেন, অন্তত আরবী পরিবেশে কাজ চালিয়ে যাওয়ার মতো আরবী শিক্ষিত লোকের সংখ্যা অনেক। আমার চেনা জানা বন্ধুদের মাঝে অনেকেই আরবী এবং ইংরেজী দু’টো বিদেশী ভাষায়ই সমান পারদর্শী। আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মাদরাসা শিক্ষার কল্যাণে আরবী ভাষা সম্পর্কে মানুষের ধারণা যেমন বেড়েছে তেমনি তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তারপরও আরবী ভাষা বাংলাদেশে অবহেলিত, আরবী শিক্ষিত লোকদের অবস্থার আরো করুণ। যদিও এ দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং আরবী ভাষায় তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন অবতীর্ণ তাই এ ভাষার প্রতি মানুষের রয়েছে সীমানীন শ্রদ্ধা ও আগ্রহ। তারপরও নিছক সিদ্ধান্তের অভাবে অথবা আরবী ভাষার গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েই হয়তো আমরা আরবী ভাষাকে অবহেলা করছি, অবজ্ঞা করছি। Continue reading “আরবী ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হোক”

ইসরায়েলী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চাই ইসলামী ঐক্য

যদি প্রশ্ন করা হয় পাষাণ প্রাচীর পেরিয়ে মানবাধিকারের অমিয় বাণী পৃথিবীর কোন প্রান্তে পৌঁছেনা, পৃথিবীর কোন অঞ্চলের মায়েরা সন্তান প্রসব করেন সন্তান হারিয়ে বিলাপ করার জন্য, কোন দেশের শিশুদের রক্তে প্রতিনিয়ত রঞ্জিত হয় উষ্ণ ধূসর মরুভূমি, আধিপত্যবাদী অস্পৃশ্য শকুনেরা দন্ত নখর বিছিয়ে কোন দেশের স্বাধীনতা, বেঁচে থাকার অধিকার খুবলে খুবলে খায়? জবাব একটাই সে অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য, সেদেশের নাম ফিলিস্তিন।

১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জে. ব্যালফোর ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নরক নামিয়ে আনে। অথচ এ ঘোষণার পরও ১৯১৮ সালে আরবীয় মুসলিম গাদ্দারেরা ব্রিটেনের কাধে কাধ মিলিয়ে তুর্কি অটোম্যান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করে তোলে। Continue reading “ইসরায়েলী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চাই ইসলামী ঐক্য”