Tit for Tat

এই রিক্সা যাবে?

ডাক দিয়েই আকাঙ্খিত উত্তরটি শুনতে পাই, “না”।

গতকাল রাতে বেশ বৃষ্টি ঝরেছে, এখনো বাতাসে বৃষ্টির গন্ধ ভেসে আছে। আর এমন দিনে রিক্সাওয়ালাদের কাছ থেকে নেতিবাচক উত্তর শোনাটাই স্বাভাবিক নিয়মে দাড়িয়েছে। কিন্তু তাই বলে বার-তের বছরের রিক্সাওয়ালার মুখ থেকে না শব্দটা শুনে কিছুটা হতাশও হয়েছি, এত অল্প বয়সেই বখে যাওয়ার কোন মানে হয় না।

বুড়ো এক রিক্সাওয়ালার দৃষ্টি আকর্ষণ করি এবার। রিক্সাওয়ালা হিসেবে বুড়োরা মোটেই কাজের নয়, দশ মিনিটের পথ পাড়ি দেবে আধা ঘন্টায়, আবার ভাড়া দাবী করবে দ্বিগুণ। তবু আপাতত বুড়োকেই যাবে কি না জিজ্ঞেস করি। বুড়ো কিছুটা আগ্রহ দেখাতেই ছোকরা রিক্সাওয়ালাটা পাশে এসে ‘‍ওঠেন স্যার’ বলেই এক প্রকার জোড় করে রিক্সায় উঠিয়ে নিল। Continue reading “Tit for Tat”

বেড়ালটা গেল কই

কয়েক দিন ধরে নাহিদার কোন খোঁজ নেই। ক্লাসে নেই, সেমিনারে নেই, কলেজের কোন খানেই ওর ঝুটির খোঁজ পেলাম না। শহরে ও মামার বাসায় থেকে পড়ালেখা করছে তাই ফ্যাক্স-ফোনের দোকান থেকে ওর মামার বাসায় ফোন করলা। জানতে পারলাম ও গ্রামের বাড়ী গেছে, এখনো ফেরেনি। Continue reading “বেড়ালটা গেল কই”

অচেনা কোকিল

মাওয়া লঞ্চঘাটে এসেই কাওড়াকান্দীগামী ছোট লঞ্চটা পেয়ে গেলাম। লঞ্চে উঠেই সবার মতোই একটু এদিক ওদিক ঘুরে দেখতে আমারও ভালো লাগে। প্রথমেই লঞ্চের নীচতলায় ঢুকে গেলাম। সকাল বেলা বাসা থেকে রওয়ানা করে এ পর্যন্ত এসেও এককাপ চা খাওয়া হয় নি, তাই লঞ্চের একেবারে পেছন দিকে টি স্টলটার কাছে চলে এলাম। কিন্তু অভাগা যে দিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায় বলে যে প্রবাদটা প্রচলিত আছে তা সত্য প্রমাণ করতেই বোধহয় চা ওয়ালা তখনো স্টোভে আগুন জ্বালেনি। Continue reading “অচেনা কোকিল”

আক্কেল সেলামী

খুব ভোরে বগুড়ায় পৌঁছেছি। স্বপ্নের শহর মহাস্থানগড়, দেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নিদর্শনে ভরপুর এ সমৃদ্ধ জনপদটিকে দুচোখ ভরে দেখার ইচ্ছে ছিল অনেক দিন থেকেই। আজ বগুড়ায় আসায় এ স্বপ্ন সাধটি পূর্ণ হতে চলেছে।
নজরুল ভাই বগুড়ার কয়েকটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। সঙ্গে আমি এসেছি সফরসঙ্গী হয়ে।
সকাল বেলাতেই নজরুল ভাই বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজের ভেতর ডাইভ দিলেন। আর আমিও চুপি চুপি বেড়িয়ে পড়লাম শহর আবিস্কারের নেশায়, প্রকৃতির টানে। Continue reading “আক্কেল সেলামী”