দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছি, এবার ভাষার স্বীকৃতি চাই

বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হলো “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”। ১৯৯৯ সালে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ২১শে ফেব্রুয়ারীকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি প্রদান করে। সেই থেকে বাংলাদেশে এ দিনটি শহীদ দিবসের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে, যদিও দিন দিন “শহীদ দিবস” এর মর্যাদা লুপ্ত হতে চলেছে। তবে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” শব্দ তিনটি বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মনে বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে। সবাই এটা ভেবে আত্মতৃপ্তিতে ডুবে আছে যে বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি আদৌ কি তাই? কোন একটি জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে চাপিয়ে দেয়াটা বায়ান্নর চেতনারই পরিপন্থী। কারন প্রতিটি মানুষেরই রয়েছে মাতৃভাষা। মা, সে দেখতে যেমনই হোক না কেন, Continue reading “দিবসের স্বীকৃতি পেয়েছি, এবার ভাষার স্বীকৃতি চাই”

আরবী ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হোক

বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক আরবী ভাষা বুঝতে পারেন, অনেকেই অনর্গল কথা বলতে পারেন, অন্তত আরবী পরিবেশে কাজ চালিয়ে যাওয়ার মতো আরবী শিক্ষিত লোকের সংখ্যা অনেক। আমার চেনা জানা বন্ধুদের মাঝে অনেকেই আরবী এবং ইংরেজী দু’টো বিদেশী ভাষায়ই সমান পারদর্শী। আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মাদরাসা শিক্ষার কল্যাণে আরবী ভাষা সম্পর্কে মানুষের ধারণা যেমন বেড়েছে তেমনি তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তারপরও আরবী ভাষা বাংলাদেশে অবহেলিত, আরবী শিক্ষিত লোকদের অবস্থার আরো করুণ। যদিও এ দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং আরবী ভাষায় তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন অবতীর্ণ তাই এ ভাষার প্রতি মানুষের রয়েছে সীমানীন শ্রদ্ধা ও আগ্রহ। তারপরও নিছক সিদ্ধান্তের অভাবে অথবা আরবী ভাষার গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েই হয়তো আমরা আরবী ভাষাকে অবহেলা করছি, অবজ্ঞা করছি। Continue reading “আরবী ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হোক”