মিডিয়া দমনে বাংলাদেশের সুনাম (?) বাড়ছে

নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক “Committee to Protect Journalists” তাদের বিশেষ রিপোর্ট “Getting Away With Murder” -এ বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক হত্যা ও হত্যাকারীদের অব্যহতির প্রতিবেদন তুলে ধরে। এতে বাংলাদেশের অধ:গতি পরিলক্ষিত হয়। ২০০৯ এর রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে ১২ তম ছিল সেখানে আরেকধাপ এগিয়ে এবার ১১তম স্থান দখল করে নিয়েছে। অসম্ভব নয় সাংবাদিক দমন নিপীড়নে অচিরেই বাংলাদেশ ১ম স্থান অধিকার করবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের এপ্রিলে 10 Worst Countries to be a Blogger শিরোনামে যে রিপোর্ট ছাপে তাতে বাংলাদেশের অবস্থান না থাকলেও যে সকল সূচক দিয়ে রিপোর্টটি তৈরী করা হয়েছে তার কয়েকটি সূচকে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ যথেষ্ট পারদর্শীতা অর্জন করেছে। সূচক গুলি পাঠকের সুবিধার্থে তুলে ধরছি: Continue reading “মিডিয়া দমনে বাংলাদেশের সুনাম (?) বাড়ছে”

ভিন্ন মতাবলম্বীরাই সমাজের জন্য হুমকি (?)

somewhereinblog1 somewhereinblog
অবশেষে আশংকা সত্যি হলো। ২০০৬ সালের শেষ দিকে এসে মনে হয়েছিল আমার লেখা বোধহয় আর নিরাপদ নয় সামহোয়ারইনব্লগ.নেট এ। যুদ্ধের ময়দান, মধ্য দূপুরে মরুভূমির বালুর ন্যায় উত্তপ্ত। নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করার মতো বিবেকহীন কোন কালেও ছিলাম না, থাকতে পারি নি সেদিনও। তাই ২৮ অক্টোবর নিয়ে নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করি ব্লগার বন্ধুদের সাথে।

ব্লগ কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালী আর একপেশে সিদ্ধান্ত মাঝে মাঝে মনে সংশয় জাগাতো, আসলেই কি ব্লগে আমার লেখাগুলো নিরাপদ থাকবে? আসলেই কি এগুলো হারিয়ে যাবে একদিন ভার্চুয়াল জগত থেকে?

সন্দেহ সংশয় যখন বাসা বাঁধে তখন এ থেকে উত্তরণের জন্যও পথ থাকে। তাই দ্রুত ব্লগস্পটে এর কপিগুলো সংরক্ষণ করি। তারপরও সংশয় থেকেই যাই, তাই শেষ পর্যন্ত নিজের নামেই একটি ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন করে তবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারি। অবশ্য এটিও যে ক্ষমতার দাপটে নিষিদ্ধ হবে না তারও কোন গ্যারান্টি নেই। Continue reading “ভিন্ন মতাবলম্বীরাই সমাজের জন্য হুমকি (?)”

আলোতে কেন এত ভয়?

prothom-aloblogpic1

prothom-aloblogpic

চাঁদের স্নিগ্ধ আলো পাগল করেনি এমন প্রেমিক ক’জন আছে? চন্দ্রালোকে অনেকেই তন্দ্রা হারায়, প্রেমিক হয় কবি, জোৎস্নার সাথে সাথে বাড়ে প্রেমিকের বাড়াবাড়ি। চাঁদের মায়াজালে মোহাচ্ছন্ন হয় পৃথিবী।  “আমার মরণ চাদনী প্রহর রাইতে যেন হয়” গাইতে গাইতে আরেক মায়াবী জগতে চলে যায় কেউ কেউ, পূর্ণিমা রাতে আত্মহত্যার প্রবণতা নাকি বেড়ে যায় অনেক।

চাঁদেরও কলংক আছে। এ কথা কারো অজানা নয় যে চাঁদের নিজস্ব আলো নেই, অন্যের আলোই তার রূপের উৎস। তাইতো সূর্য, নক্ষত্র সব কিছুতেই তার ভয়, পাছে তার দৈন্য প্রকাশ হয়ে যায়। যাকে অন্যের আলোয় আলোকিত হতে হয়, জোঁনাকী পোঁকাও তার কাছে ইর্ষার পাত্র। তাই যত আলোর উৎস, হোক না বড় বা ছোট সব কিছুকেই তার হিংসে, সব আলোতেই তার বড় ভয়। Continue reading “আলোতে কেন এত ভয়?”

বিশ বসন্তের এক বুড়ির কথা

জন্মদিন নিয়ে খুব একটা হৈ-হুল্লোর করা আমার স্বভাবে নেই। আমার নিজের জন্মদিনটি নিয়েই তেমন আগ্রহ নেই, এমন কি পরিবারের বন্ধুরা উইশ না করা পর্যন্ত আমি আমার জন্মদিন সম্পর্কে জানতেই পারি না।

তবু জীবনের পথ-চলায় এমন কিছু মানুষের সাথে পরিচয় হয় যাদের ক্ষেত্রে আমার এ থিউরী খুব একটা কাজ করে না। এমন অনেক বন্ধু আছে যাদের সুখের দিনগুলো স্মরণীয় করে রাখতে খুব ইচ্ছে হয়। তারা যেন সুখে থাকে, তাদের প্রতিটি সূযের্াদয় যেন ভালোবাসার ছোয়ায় পূর্ণ হয়, দিনটি যেন কাটে প্রজাপতির ডানায় ভর করে, সন্ধ্যেগুলো কাটে আনন্দে অবগাহনে আর দিনটি যেন শেষ হয় আশাতীত প্রাপ্তি নিয়ে। মনে হয় ওদের জীবন যেন অতলান্ত স্বচ্ছ সরোবরের মতো টলমল করে ভালোবাসায়। Continue reading “বিশ বসন্তের এক বুড়ির কথা”

এতো কেন কাঁদাও মেয়ে ???

মানবতা মানবতা বলে গলা ফাটালে মানবতার কোন ক্ষতি-বৃদ্ধি হয় না। মানবতার জন্য চাই সুনীল সমুদ্রসম ভালোবাসা, আর এ ভালোবাসা বুকে ধারন করে যে চীরসবুজ বিশ্বপ্রেমিক, সেইতো প্রকৃত মানবতাবাদী। মানবতাবাদীর ভালোবাসায় থাকবে প্রজাপতির মতো নানারঙের ঝলকানি যা সৃষ্টির অন্তরকে করে প্রশান্ত। ভালোবাসা হবে ঘাসফড়িংয়ের মতো স্বাধীনচেতা, ঘাস ফড়িং যেমন স্বাধীনতার উন্মাদনায় অঙ্গ হারালেও হার মানে না, প্রেমিকের ভালোবাসা তেমনি স্বাধীনতার জন্য, স্বাধীনতার সুবাতাস বইয়ে দিতে নিজের প্রাণবিসর্জন দিতেও কুন্ঠিত হয় না। ভালোবাসায় থাকবে চিতার মতো ক্ষিপ্রতা যা দেয় নির্ভরতা আর নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, তেমনি থাকবে পায়রার পালকের মতো কোমলতা। মানবতাবাদী প্রেমিকের বুক হবে আর্তপীড়িত সকল মানুষের তীর্থস্থান, যেখানে দুঃখ কষ্ট জ্বালা যন্ত্রণা জলাঞ্জলি দিয়ে ভোরের শুদ্ধ প্রকৃতির মতো হবে শান্ত । প্রেমিকের অন্তর থেকে যে ভালোবাসার ঢল নামে তার শীতল স্রোতে অবগাহন করে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে হৃদয়ের গহীনে দাউ দাউ করে জ্বলা চীতার আগুন। Continue reading “এতো কেন কাঁদাও মেয়ে ???”