বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস

বিয়ের উপযুক্ত বয়স কোনটি? প্রাপ্তবয়স্ক একটি বালক অথবা একটি বালিকা যখন তীব্রভাবে যৌনমিলনে আকাঙ্খী হয়, তবে সে সময়টিই তার বিয়ের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ শুভক্ষণটি কারো জন্য ১২ বছরে হতে পারে, কারো জন্য ১৫ বছরে, কারো বা ১৮ বছরে আবার কারো সারা জীবনে নাও হতে পারে। এক কথায়, যৌনমিলনে শরীর ও মনের উপযুক্ততাই বিয়ের সঠিক বয়সের মাপকাঠি। বিয়ের সময় হয়েছে কি না, বিয়ের জন্য শরীর ও মন প্রস্তুত কি না তা সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারে ব্যক্তি নিজেই। যদিও কেউ কেউ আছে মন বিষন্ন করে বসে থাকে, কোন কাজে মন বসাতে পারে না, মহাশুন্যের মতো হৃদয়জুড়ে হাহাকার নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, কারনে অকারনে প্রাণখুলে কাঁদতে ভালোবাসে, এমন সব উপসর্গের পরও যারা বুঝতে পারে না যে আসলে মন নয়, বরং না পাওয়ার যন্ত্রণাই তার মনোযাতনার কারন, সে সকল বালক-বালিকাদের অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরী। আর সবচেয়ে বড় কথা অভিভাবকরা তো এ সময়টা পার করেই বুড়ো হয়েছেন, তাদের নতুন করে মিলনের গল্প শোনানের কোন মানে নেই। Continue reading “বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস”

আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ:) : শুভ পরিণয়

বারো বছরের কিশোরী মাহমুদা বেগম এক্কা দোক্কা খেলার ছলে পা দিয়ে খুঁড়ে খুঁড়ে ছোট্ট একটা গর্ত তৈরী করেন। গর্তটা থেকে পা উঠিয়ে এবার হাতটি রাখলেন। নরম কাদামাটির গর্তে হাতটি ঢুকাতেই শক্ত পাথরের মতো একটা টুকরোর সাথে হাতে ঠোক্কর লাগে। গর্ত থেকে হাতটি তুলতেই তার চোখ চানাবড়া হয়ে যায়। হাতের তালুতে উঠে আসে জ্বলজ্বলে উজ্জল এক হিরের টুকরো। কিছুতেই দৃষ্টি ফেরানো যায় না অমন হিরে থেকে।

মুহূর্তেই চারপাশে লোক জড়ো হয়ে যায়। সবাই অবাক, এতো সুন্দর হিরে পেল কোথায় মেয়েটা। মুরুব্বীরা সাবধান করে বললো, খুব সাবধানে রাখো হিরেটি বেটি, যত্ন করে রেখো, পাছে আবার কেউ ছিনিয়ে না নেয়। Continue reading “আলোকিত নেতা মওদূদী (রহ:) : শুভ পরিণয়”

বিয়ে ভাবনা

A young man not yet, an elder man not at all- Sir Francis Bacon

বিয়ের বয়স সম্পর্কে নানা মুনির নানা মত। কেউ আগে বিয়ের পক্ষ পাতি আবার কেউ দাদুর বয়েসী না হয়ে বিয়ের পিড়িতে বসতে নারাজ।
অনেকে আবার নিজের পায়ে না দাড়ানো পর্যন্ত বিয়ে করবে না বলে গো ধরে বসে থাকে। এদের উদ্দেশ্যে একটা অশ্লীল বাণী আছে তা হলো (সেন্সরড)।
আবার অনেকে বিয়ের দায়িত্ব বাবা মায়ের কাঁধে তুলে চুটিয়ে প্রেম চালিয়ে যায়, ভাবখানা এমন বিয়ের দায়িত্ব শুধুই অভিভাবকের আর প্রেমের দায়িত্ব নিজের। Continue reading “বিয়ে ভাবনা”

বিয়ের তৃতীয় রাতের অফিস নোট

সুনয়না। আমার বউয়ের নাম। আমার দেয়া আদুরে নাম। ওর আসল নামটা আরো সুন্দর তবে কিছুটা কেতাবী। ওর হরিণীর মতো কাজল কালো, স্বচ্ছ সরবরের মতো জলে টলমল চোখ দু’টো আমাকে এ নামে ডাকতে বাধ্য করেছে।
অনার্সে আমাদের পরিচয়, দু’জনই একই বিষয়ে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছি। বরাবরই ক্লাসে প্রথম স্থান অধিকার করে ও আমার দৃষ্টি কাড়ে। আর আমি, অনার্সে ভর্তি হয়েই পুরো সন্নাসী হয়ে যাই, শার্ট ছেড়ে একশত বিশটাকা দরের পাঞ্জাবী গায়ে চাপিয়ে, আরো কম দামের দপ্পলে বিচিত্র শব্দ তুলে ক্লাসে যাই। আর ক্লাসে পরীক্ষায় সব সময় থার্ড ক্লাস নাম্বার পাই (যদি না অপ্রাসঙ্গিক কোন বিষয়ে লিখতে দেয়া হয়, ওগুলো লিখতে আমার আবার খুব ভালো লাগে)। এমন দীনহীন গোবেচারা টাইপের ছেলেদের প্রতি কার না মমতা জাগে। হয়তো কিছুটা করুনা কিংবা কিছুটা কৌতুহলে ও আমাকে ভালোবেসে ফেলে। দেড় বছর পরে ওর জন্মদিনে আমাকে প্রস্তাবও দেয়। ফলাফল, আমাদের বন্ধুত্ব শেষ, কয়েকদিন পরে প্রেম পর্ব শুরু। Continue reading “বিয়ের তৃতীয় রাতের অফিস নোট”