নেংটি ধরে কে টানে রে?

“নেংটোর নেই বাটপারে ভয়” কথাটি সবাই জানে। তবুও সবারই নিরন্তন প্রচেষ্টা লজ্জা ঢাকার। তাইতো প্যান্ট-পাজামা, লুঙ্গি-ধুতি কত কিছুর আয়োজন। এক্ষেত্রে যার যত ছোট পরিধেয় তার তত বেশী লজ্জা নিয়ে টেনশন। তবু শখ করে কেউ কেউ আবার নেংটি পড়ে, হয়ে যান মহাত্মা গান্ধী। তবে নেংটি পড়লেই তো আর মহাত্মা হওয়া যায় না, তাই নেংটি বাঁচাতেই দিনরাত গলদঘর্ম হন অনেকেই। এরকমই নেংটি পড়ে বাংলাদেশের বিচারবিভাগ প্রতিনিয়ত লোক হাসাচ্ছে। প্রতি মুহুর্তে নেংটি ভেদে আদালতের মান সম্মান বেড়িয়ে পড়ছে, আর “আদালত অবমাননায়”  হারে রেরে রেরে রবে টুপি চেপে ধরছে যার তার, যখন তখন। একবারও তাদের মনে হয় না পোষাকটাকে আরেকটু বড় করা যায়, একবারও তাদের মনে হয় না টুটি চেপে ধরে মান-সম্মান বাঁচানো দায়।

Continue reading “নেংটি ধরে কে টানে রে?”

বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

টিআইবি’র জাতীয় খানা জরিপ ২০১০ প্রকাশ
কোনো কোনো খাতে কিছু অগ্রগতি সত্ত্বেও সার্বিকভাবে দুর্নীতি বেড়েছে

বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত খাত, তারপর আইন-শৃঙ্খলা সংস্থা ও ভূমি প্রশাসন; ঘুষ আদায়ের ক্ষেত্রে পুলিশ, তারপর ভূমি প্রশাসন ও বিচারবিভাগ

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর: আজ জাতীয় খানা জরিপ ২০১০ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, ২০০৭ সালের তুলনায় সার্বিকভাবে দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা বেড়েছে। সারাদেশের ৬০০০ খানার উপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে ১৩টি সেবাধর্মী খাতের মধ্যে বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত। এর পরেই অবস্থান যথাক্রমে আইন্তশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও ভূমি প্রশাসনের। জরিপে দেখা গেছে বাংলাদেশের ৮৪.২% সেবা নিতে গিয়ে কোনো না কোনো দুর্নীতির শিকার হয়েছে। খানাগুলোর প্রায় ৭১.৯% বছরে প্রায় ৯,৫৯১.৬ কোটি টাকা ঘুষ বা নিয়মবর্হিভূর্তভাবে অর্থ প্রদানে বাধ্য হয়েছে, যা খানা প্রতি বার্ষিক গড় ব্যয়ের প্রায় ৩.৫% এর সমান। ঘুষ আদায়ে শীর্ষে রয়েছে আইন্তশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। এরপর ভূমি প্রশাসন ও বিচারবিভাগ। জরিপ অনুযায়ী ২০০৭ এর তুলনায় ২০১০ এ বিচার বিভাগ, ভূমি প্রশাসন ও বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও হয়রানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে একই সময়ে পুলিশ, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে দুর্নীতির মাত্রা কমেছে।

Continue reading “বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত”