বিয়ের তৃতীয় রাতের অফিস নোট

সুনয়না। আমার বউয়ের নাম। আমার দেয়া আদুরে নাম। ওর আসল নামটা আরো সুন্দর তবে কিছুটা কেতাবী। ওর হরিণীর মতো কাজল কালো, স্বচ্ছ সরবরের মতো জলে টলমল চোখ দু’টো আমাকে এ নামে ডাকতে বাধ্য করেছে।
অনার্সে আমাদের পরিচয়, দু’জনই একই বিষয়ে একই ক্লাসে লেখাপড়া করেছি। বরাবরই ক্লাসে প্রথম স্থান অধিকার করে ও আমার দৃষ্টি কাড়ে। আর আমি, অনার্সে ভর্তি হয়েই পুরো সন্নাসী হয়ে যাই, শার্ট ছেড়ে একশত বিশটাকা দরের পাঞ্জাবী গায়ে চাপিয়ে, আরো কম দামের দপ্পলে বিচিত্র শব্দ তুলে ক্লাসে যাই। আর ক্লাসে পরীক্ষায় সব সময় থার্ড ক্লাস নাম্বার পাই (যদি না অপ্রাসঙ্গিক কোন বিষয়ে লিখতে দেয়া হয়, ওগুলো লিখতে আমার আবার খুব ভালো লাগে)। এমন দীনহীন গোবেচারা টাইপের ছেলেদের প্রতি কার না মমতা জাগে। হয়তো কিছুটা করুনা কিংবা কিছুটা কৌতুহলে ও আমাকে ভালোবেসে ফেলে। দেড় বছর পরে ওর জন্মদিনে আমাকে প্রস্তাবও দেয়। ফলাফল, আমাদের বন্ধুত্ব শেষ, কয়েকদিন পরে প্রেম পর্ব শুরু। Continue reading “বিয়ের তৃতীয় রাতের অফিস নোট”