আইবিবিএল’র এমডির সাক্ষাৎকার

আইবিবিএল’র এমডির সাক্ষাৎকার বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি : মু. ফরীদউদদীন আহমাদ

প্রশ্ন : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ২০০তম শাখার মাইলফলক স্পর্শ করল। এ প্রেক্ষাপটে আপনার অনুভূতি কি?

মু. ফরীদউদদীন আহমাদ : সুদমুক্ত অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে ইসলামী ব্যাংক ১৯৮৩ সালে ঢাকার লোকাল অফিস শাখার উদ্বোধনের মাধ্যমে এ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার ২৬ বছরে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া শাখা উদ্বোধনের মাধ্যমে ২০০তম শাখার মাইলফলক স্পর্শ করেছে। পার্বত্য জেলাসহ দেশের সব জেলাতেই আমাদের শাখা সমপ্রসারিত হয়েছে। এ বছর আরও ১১টি শাখা খোলা হবে। ছোট ও মাঝারি শিল্প বিকাশে গত বছর খোলা হয়েছে ১০টি এসএমই সার্ভিস সেন্টার। এ বছর খোলা হবে আরও ১০টি এসএমই সার্ভিস সেন্টার। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার অস্তিত্ব নিয়ে এদেশে যেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল আজ ইসলামী ব্যাংকিং এক অনিবার্য বাস্তবতা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আমাদের কাছে শাখা খোলার আবেদন আসছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে আমরা এ আবেদনে সাড়া দেয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই আমরা আমানত, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে এক নম্বর স্থান অর্জন করছি। দেশের মোট রেমিটেন্সের ২৫ ভাগের অধিক আমরা একাই আহরণ করছি। ব্যাংকিং সেক্টরে এটা বিরাট সাফল্য। বছর শেষে আমরাই সর্বোচ্চ মুনাফা করছি। ব্যাংকিং সেক্টরে সরকারকে সবচেয়ে বেশি আয়কর প্রদান করছি। আমাদের এ সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে এদেশে আরো ৭টি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করেছে। আরও ক’টি ব্যাংক সনাতনী ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকিং উইনডো চালু করেছে। একই সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের ২০০তম শাখা উদ্বোধনের এ শুভক্ষণে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। Continue reading “আইবিবিএল’র এমডির সাক্ষাৎকার”

ইসলামী ব্যাংকঃ অবিচল আস্থার নাম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আর অপপ্রচারের কোন সীমা-পরিসীমা নেই। পত্র-পত্রিকায় ছাঁপানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিগুলো বাদ দিলে দেশের সব কটি ব্যাংকের পক্ষে যতগুলো সংবাদ প্রকাশিত হয় তার চেয়ে অনেক বেশী সংবাদ প্রকাশিত হয় ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। অথচ ব্যাংকটির সাফল্য আর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ এসকল অপপ্রচার কিছুতেই ঠেকিয়ে রাখতে পারছে না। জঙ্গি অর্থায়ন, ইসলামকে পুঁজি করে ব্যবসা, সুদকে ঘুরিয়ে খাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি অপপ্রচারের পরও ব্যাংকটির অগ্রযাত্রা দিন দিন আরো জোরদার হচ্ছে। সূত্রমতে, ৩০ জুন ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর আমানতের পরিমাণ ২১৯,৯৫৮ মিলিয়ন টাকা, বিনিয়োগের পরিমাণ ২০৪,২১৮ মিলিয়ন টাকা এবং বৈদিশিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২১৭,৯৯৬ মিলিয়ন টাকা। বৈদেশিক বাণিজ্যের মধ্যে শুধু ফরেন রেমিটেন্স এর পরিমাণই ৯১,৬৪৬ মিলিয়ন টাকা যা দেশে আসা মোট রেমিটেন্স এর ২৫% এরও বেশী। অর্থাৎ ১১৮২টি শাখাসমৃদ্ধ সোনালী ব্যাংক, ৯৫২ টি শাখাসমৃদ্ধ কৃষি ব্যাংক, ৮৪৯ টি শাখা সমৃদ্ধ জনতা ব্যাংক, ৪৯২ টি শাখা  সমৃদ্ধ রূপালী ব্যাংকসহ তফসিলি ৪৭টি ব্যাংক, বেশ কিছু এনজিও তথা ৩৩২৪টি শাখার সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের এনজিও আশা,   ৩০৪২টি বিস্তৃত শাখা নেটওয়ার্ক সমৃদ্ধ ব্রাক এবং দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা এবং বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ফরেন রেমিটেন্স আসছে ৭৫ %, আর শুধু ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড তার ২০০ টি শাখা ও ১২ টি এসএমই সার্ভিস সেন্টার নিয়ে দেশের মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে এক চতুর্থাংশ বৈদেশিক মুদ্রা, যা বিশ্বে বিরল।

তাহলে ইসলামী ব্যাংকের মূল শক্তি কোথায়? কি যাদুমন্ত্রবলে ইসলামী ব্যাংক সাফল্যের শীর্ষস্থান ধরে রাখছে বছরের পর বছর? Continue reading “ইসলামী ব্যাংকঃ অবিচল আস্থার নাম”