প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ

সখি ভালোবাসা কারে কয়, সে কি কেবলি যাতনাময়, সেকি কেবলই চোখের জল, সেকি কেবলই দুঃখের শ্বাস, লোকে তবে করে কি সুখেরই তরে এমন দুঃখের আশ…
ভালোবাসা! পৃথিবীতে ভালোবাসার চেয়ে মধুর কোন শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় কি? হ্যা, যায়। ‘মা’ শব্দটি সমগ্র বিশ্বে সন্দেহাতীতভাবেই সবচেয়ে মধুর, সবচেয়ে আবেগময়। তবে সে আবেগের পেছনে কেবল ভালোবাসারই জয়গান। মায়ের ভালোবাসায় অন্ধকার মাতৃজঠরে একটু একটু করে বেড়ে ওঠে ভ্রুণ, মায়ের ভালোবাসায় নির্ভয়ে শিশু ভূমিষ্ট হয় পাপিষ্ট ধরায়, মায়ের আদরে সোহাগে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে পরিপূর্ণ আদম-হাওয়া। তাই, পৃথিবীতে যে কাউকেই জিজ্ঞেস করি না কেন, একই সুর শুনতে পাই, ভালোবাসি মাকে। নির্ভেজাল, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মায়ের আচল ছাড়া মিলে না যে আর কোথাও।
অনেকে ভালোবাসাকে আগুনের সাথে তুলনা করেন, তবে মা বলেন, “ভালোবাসা পানির মতো, নিম্নগামী, পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে প্রবহমান”। তাই কাউকে যদি ভেবে চিন্তে জবাব দিতে বলা হয়, তখন অনেকেই জবাব দেবেন, সন্তানকেই সবচেয়ে বেশী ভালোবাসেন তিনি। সেখানেও ঐ মা-বাবার ভালোবাসারই জয়। Continue reading “প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ”

বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস

বিয়ের উপযুক্ত বয়স কোনটি? প্রাপ্তবয়স্ক একটি বালক অথবা একটি বালিকা যখন তীব্রভাবে যৌনমিলনে আকাঙ্খী হয়, তবে সে সময়টিই তার বিয়ের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ শুভক্ষণটি কারো জন্য ১২ বছরে হতে পারে, কারো জন্য ১৫ বছরে, কারো বা ১৮ বছরে আবার কারো সারা জীবনে নাও হতে পারে। এক কথায়, যৌনমিলনে শরীর ও মনের উপযুক্ততাই বিয়ের সঠিক বয়সের মাপকাঠি। বিয়ের সময় হয়েছে কি না, বিয়ের জন্য শরীর ও মন প্রস্তুত কি না তা সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারে ব্যক্তি নিজেই। যদিও কেউ কেউ আছে মন বিষন্ন করে বসে থাকে, কোন কাজে মন বসাতে পারে না, মহাশুন্যের মতো হৃদয়জুড়ে হাহাকার নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, কারনে অকারনে প্রাণখুলে কাঁদতে ভালোবাসে, এমন সব উপসর্গের পরও যারা বুঝতে পারে না যে আসলে মন নয়, বরং না পাওয়ার যন্ত্রণাই তার মনোযাতনার কারন, সে সকল বালক-বালিকাদের অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরী। আর সবচেয়ে বড় কথা অভিভাবকরা তো এ সময়টা পার করেই বুড়ো হয়েছেন, তাদের নতুন করে মিলনের গল্প শোনানের কোন মানে নেই। Continue reading “বিয়ে ভাবনা (দুই) : উপযুক্ত বয়সে বিয়ে রোধ করতে পারে যৌনসন্ত্রাস”