নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দফায় দফায় বাড়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। গত এক বছরে চাল, ডাল, তেল, মরিচ, চিনি, আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে লাগামহীনভাবে। চালের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আসছেনা কোনোভাবেই। ওএমএস, ফেয়ার প্রাইসে চালের লাইন শুধুই লম্বা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহেও প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। টিসিবি’র গবেষণা সেলের তথ্যানুযায়ী, মোটা চালের বর্তমান দাম ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা, এক বছর আগেও যা ছিল ২৬ থেকে ২৮ টাকা। বাৎসরিক বৃদ্ধির হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সরু চাল বর্তমানে ৪২-৫২ টাকা, এক বছর আগের দাম ৩৫-৪৪ টাকা, বাৎসরিক বৃদ্ধির হার ১৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

দৈনিক সংবাদ ১৫ জানুয়ারী ২০১১ তারিখের প্রতিবেদন

বেড়েছে ভোজ্যতেল চালের দাম

বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নেই কোন সুখবর। গত এক সপ্তাহের ব্যাবধানে বাজারে চাল, রসুন, ভোজ্যতেলসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে নতুন করে। সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ভোজ্যতেলর দাম নির্ধারণ করে দিলেও নির্ধারিত দামের ধারে-কাছে নেই ভোজ্যতেল। এক নমুনা জরিপে দেখা গেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গত এক বছরে মানুষের খাদ্য ব্যয় বেড়েছে সর্বাধিক ৭৬ শতাংশ। একই সময়ে মানুষের আয়ের তুলনায় খরচ বেড়েছে ২৪ ভাগ। গতকাল কাঁঠালবাগান বাজারে প্রতি কেজি পারি চাল বিক্রি হয় ৩৫ টাকা দরে। গরিবের চাল নামে পরিচিত এ চালের দাম গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩২ থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে। এ বাজারে সবচেয়ে ভাল মানের মিনিকেট চাল বিক্রি করতে দেখা যায় ৪৮ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ভালো মানের মিনিকেট চাল বিক্রি করতে দেখা যায় ৪৬ টাকা কজি দরে। বাজারে নতুন চাল এলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাক। মাঝারি মানের মিনিকেট চালের দাম আগের সপ্তাহে ৩৩ টাকা থাকলেও গতকাল এর দাম ছিল ৪৪ টাকা, ৩০ টাকার একটু নিম্ন মানের মিনিকেট এ বাজারে গতকাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা দরে। উৎসব নামে পরিচিত ভালো মানের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয় ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায়, মাঝারি মানের নাজিরশাইল বিক্রি হয় ৪৪ টাকা, হাস্কি নাজির নামে খ্যাত চাল ৪২ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হয়। নিম্ন মানের নাজিরশাইলের চাল গতকাল এ বাজারে বিক্রি হয় ৪২ টাকা কেজি দরে। গতকাল প্রতি কেজি বিআর-২৮ চালের দাম ছিল ৪০ টাকা, একই প্রকার আবাছা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা। এদিকে চালের দাম কিছুটা বাড়ার কারণে ওএমএসএ চালের চাহিদা বেড়ে গেছে। চালের পরিমাণ কম হওয়ায় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেকে। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”