পহেলা বৈশাখ

(পহেলা বৈশাখে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চড়ক পূজাঁর দৃশ্য। ছবি ঋণ: মহলদার )

সে অনেক আগের কথা। কয়েক পুরুষ আগের কথা। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা যা কিছু দেখতেন, সম্মোহিত হতেন, সবকিছুর সম্মানের কাছে, সব কিছূর শক্তির কাছে তারা নিজেদেরকে নিতান্ত ক্ষুদ্র মনে করতেন। সাপ-বিচ্ছু থেকে শুরু করে বস্তুজগতের এমন কোন শক্তি কিংবা প্রাণের অস্তিত্ব ছিল না যা মানুষের পূজার সামগ্রীতে পরিণত হয় নি। আমাদের পূর্বপুরুষেরা মানুষের ভেতর সৃষ্টিকরে রেখেছিল শ্রেণীভেদ, একের স্পর্শে অন্যের পবিত্রতা নষ্ট হতো, একের উপস্থিতিতে অন্যের আসবাবপত্র, বাসন কোসন সবকিছু অপবিত্র হতো। তখনকার সমাজে ইশ্বরের বানীও ছিল গুটিকয়েক মানুষের সম্পত্তি, ইশ্বরের বানী শোনার অধিকার ছিল সংরক্ষিত। তাই তো কারো কানে ইশ্বরের বানী ভুলেও পৌঁছুলে তাকে গুনতে হতো চরম মাশুল, গলিত সীসায় বন্ধ করে দেয়া হতো তার কান । Continue reading “পহেলা বৈশাখ”

নববর্ষের শুভেচ্ছা

bismillah

শুভ নববর্ষ।

মনের যত কথা দ্বিধাহীন চিত্তে প্রকাশের যে অদম্য বাসনা এতোদিন ধরে লালন করেছি, নববর্ষের প্রথম প্রহরেই তা ব্যক্ত করার অবারিত সুযোগটি পেয়ে গেলাম। মহান রাব্বুল আ’লামীনের এ অসীম দয়ায় সিক্ত হয়েছে তাঁর এ বান্দা চোখ। কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁকে স্মরণ করছি, ‘আলহামদুলিল্রাহ’।

ব্লগিংয়ের এ সুযোগটি পেয়ে গেলাম যতটা না নিজের আগ্রহে, তার চেয়েও ঢের বেশী সুপ্রিয় আরাফাত রহমানের অক্লান্ত চেষ্টায়। তার জন্য ভালোবাসা।