নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দাম। শাক-শব্জি, তেল, ডাল, আটা, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

মগের মুল্লুক (নাকি শেখের মুল্লুক?) যাকে বলে। ভোজ্যতেল আমদানিতে পাঁচ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের পর মিলগেটে প্রতি লিটার সয়াবিনের মূল্য নির্ধারণ করা হলো ৯২ টাকা, যা আগে সরকার নির্ধারণ করেছিল ৮৮ টাকা। বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১১৫-১১৭ টাকা, বোতলজাত (৯শ গ্রাম) ১০৫ থেকে ১২০ টাকা এবং ৫ লিটার বোতল ৫৭০-৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দফায় দফায় বাড়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। গত এক বছরে চাল, ডাল, তেল, মরিচ, চিনি, আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে লাগামহীনভাবে। চালের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আসছেনা কোনোভাবেই। ওএমএস, ফেয়ার প্রাইসে চালের লাইন শুধুই লম্বা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহেও প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। টিসিবি’র গবেষণা সেলের তথ্যানুযায়ী, মোটা চালের বর্তমান দাম ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা, এক বছর আগেও যা ছিল ২৬ থেকে ২৮ টাকা। বাৎসরিক বৃদ্ধির হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সরু চাল বর্তমানে ৪২-৫২ টাকা, এক বছর আগের দাম ৩৫-৪৪ টাকা, বাৎসরিক বৃদ্ধির হার ১৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

শুক্রবারের বাজার দর: প্রতি কেজি করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, শিম ৪৮-৫০ টাকা, গোলবেগুন ৩৫-৪০ টাকা, ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা, পাতাকপি ২০-২৫ টাকা, পটল ২৫ টাকা, পেঁপে ১২ টাকা, শসা ৩০ টাকা, মুলা ১৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা, টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

দৈনিক সংবাদ ১৫ জানুয়ারী ২০১১ তারিখের প্রতিবেদন

বেড়েছে ভোজ্যতেল চালের দাম

বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নেই কোন সুখবর। গত এক সপ্তাহের ব্যাবধানে বাজারে চাল, রসুন, ভোজ্যতেলসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে নতুন করে। সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ভোজ্যতেলর দাম নির্ধারণ করে দিলেও নির্ধারিত দামের ধারে-কাছে নেই ভোজ্যতেল। এক নমুনা জরিপে দেখা গেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে গত এক বছরে মানুষের খাদ্য ব্যয় বেড়েছে সর্বাধিক ৭৬ শতাংশ। একই সময়ে মানুষের আয়ের তুলনায় খরচ বেড়েছে ২৪ ভাগ। গতকাল কাঁঠালবাগান বাজারে প্রতি কেজি পারি চাল বিক্রি হয় ৩৫ টাকা দরে। গরিবের চাল নামে পরিচিত এ চালের দাম গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩২ থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে। এ বাজারে সবচেয়ে ভাল মানের মিনিকেট চাল বিক্রি করতে দেখা যায় ৪৮ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ভালো মানের মিনিকেট চাল বিক্রি করতে দেখা যায় ৪৬ টাকা কজি দরে। বাজারে নতুন চাল এলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাক। মাঝারি মানের মিনিকেট চালের দাম আগের সপ্তাহে ৩৩ টাকা থাকলেও গতকাল এর দাম ছিল ৪৪ টাকা, ৩০ টাকার একটু নিম্ন মানের মিনিকেট এ বাজারে গতকাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা দরে। উৎসব নামে পরিচিত ভালো মানের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয় ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায়, মাঝারি মানের নাজিরশাইল বিক্রি হয় ৪৪ টাকা, হাস্কি নাজির নামে খ্যাত চাল ৪২ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হয়। নিম্ন মানের নাজিরশাইলের চাল গতকাল এ বাজারে বিক্রি হয় ৪২ টাকা কেজি দরে। গতকাল প্রতি কেজি বিআর-২৮ চালের দাম ছিল ৪০ টাকা, একই প্রকার আবাছা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকা। এদিকে চালের দাম কিছুটা বাড়ার কারণে ওএমএসএ চালের চাহিদা বেড়ে গেছে। চালের পরিমাণ কম হওয়ায় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেকে। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই

ঢাকা, ৭ জানুয়ারি, (শীর্ষ নিউজ ডটকম): চাল, ডাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সীমিত আয়ের মানুষ দিশেহারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভালো মানের চাল কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকায় আর মোটা চাল ৩৫-৩৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম বাড়ার কারনে ওএমএস এ চালের চাহিদা বেড়ে গেছে। চালের পরিমাণ কম হওয়ায় লাইনে দাড়িয়েও চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেকে। অন্যদিকে বাজারে নতুন পেয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ টাকায়। ভারতীয় পেয়াজ আমদানী না হওয়ায় সহসা পেয়াজের দাম কমছে না বলে জানিয়েছে কারওয়ান বাজারের পেয়াজ ব্যসায়ীরা। চাল ছাড়াও এ সপ্তাহে বেড়েছে , ডাল, চিনি, আটা, ময়দা, বেগুন, ঢেড়শের দাম। Continue reading “নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছেই”

রমজান নিয়ে ভাবনা

বছর ঘুরে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বারতা নিয়ে পশ্চিমাকাশে উদিত হয়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তাই
রমজানকে ঘিরে মুসলিম আম-জনতার মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার শেষ নেই। রমজানকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য সকলের মাঝেই এক ধরণের ব্যাকুলতা, অনাবিল আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে সবার মনে, যার কোন শেষ নেই, পরিসীমা নেই।
রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজান। মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণী
সম্বলিত কিতাব আল-কুরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান। রমজান মাস সিয়াম সাধনার মাস, আত্মশুদ্ধির মাস,
ধৈর্যের মাস, সহিষ্ণুতার মাস, অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাস, ইসলামী ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের মাস। এ মাসের মধ্যেই রয়েছে এমন একটি রাত যে রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। আর এ মাসের ১৭ তারিখেই বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ, যে যুদ্ধে মাত্র ৩১৩ জন জানবাজ আল্লাহর অকুতোভয় মুজাহিদ বদর প্রান্তরে গোটা পৃথিবীর বাতিল মতাদর্শী শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, ছিনিয়ে এনেছিল ইসলামের প্রথম বিজয়।
এ মাসের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মহান রাব্বুল আ’লামীন পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের
উপর রোযা ফরজ করা হয়েছে যেভাবে করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া
(পরহেজগারী) অর্জন করতে পার।” Continue reading “রমজান নিয়ে ভাবনা”