অভিশপ্ত প্রহসনের বিচার বন্ধ হোক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্তে গঠিত সংস্থা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সহকারী সুপার মো. নূরুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। বেশ অনেকদিনই আগেই তিনি পদত্যাগ করেন। তবে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের দমন-নিপীড়নের একমাত্র মরচে ধরা হাতিয়ারটি নতুন করে শান দিতে দিতে যেভাবে বিভিন্ন স্থানে মেরামতের অযোগ্য ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে তা আড়াল করতে নুরুল ইসলামের পদত্যাগের খবরটি এতদিন ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। তার আবেদনটি পুলিশ মহাপরিদর্শকের দফতর ঘুরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য গত ১২ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে। আবেদনপত্রটি গৃহীত হলেই আনুষ্ঠানিকতা যদিও পূর্ণতা পাবে তবুও গৃহীত না হলেও সেটা শ্রেফ সরকারের পক্ষ থেকে টুকরো টুকরো কাঁচকে জোড়াতালি দেয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না। বিশেষ করে গত মার্চেই তার পুত্রসন্তান অসুস্থ হয়ে ইন্তেকাল করে। এর পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। না, এটি বলা বোধহয় ঠিক হবে না যে নিরপরাধ মানুষগুলোকে রাজনৈতিক ফাঁয়দা হাসিলের জন্য ফাঁসির কাষ্টে ঝুলানোর যে মহা আয়োজনে মেতেছে আওয়ামী লীগ তার একজন ক্রীড়নক হিসেবে নুরুল ইসলামের জীবনে অভিষাপ নেমে আসে। তবে বাবার মন বলে কথা, আর কে না জানে পিতার কাধে সন্তানের লাশের চেয়ে ভারী আর কিছু নয় এ পৃথিবীতে। তাই সন্তানের অকাল মৃত্যুতে তার মনে যে অমঙ্গলের ছায়া পড়েছে তা যে কোন বাবা-মায়ের ক্ষেত্রেই অতি স্বাভাবিক বিষয়। Continue reading “অভিশপ্ত প্রহসনের বিচার বন্ধ হোক”