স্বপ্ন দ্যাখে মন…

আমরা কি সেই বাস্তিল দূর্গের কথা ভেবে দেখেছি যা সাধারণ মানুষের হাতুড়ি-শাবলের আহারে পরিণত হয়েছিল? কিংবা সেইসব রাজপ্রাসাধের কথা যা যুগ যুগ ধরে শোষণের প্রতীক হয়ে দাড়িয়ে ছিল, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বটের চারা যা চুর্ণবিচুর্ণ করে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছিল? কিংবা সেই লিটল বয় আর ফ্যাট ম্যানের কথা যা  হিরোশিমা আর নাগাশাকিকে ধুলোর সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল?

সাইজ ডাজ নট ম্যাটার, এ কথাও বলে কেউ কেউ। তারপরও কতটুকু বিশাল হলে কাজের যোগ্য বলা যায়, এ প্রশ্ন মনের ঘুলঘুলিতে বাসা বেধেছে অনেকেরই। নিজেকে সব সময় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মনে হয়, মনে হয় আমার যতটুকু যোগ্যতা আছে তা দিয়ে পৃথীবীর কোন কাজই সম্ভব নয় এমনকি নিজের উন্নয়নও অসম্ভব। Continue reading “স্বপ্ন দ্যাখে মন…”

আর কত নীচে নামবে বন্ধু?

খুব ছোট সময়ে বেড়াল পোষার শখ ছিল। বেড়ালকে ঘিরে প্রতিবেশী বন্ধুর সাথে মারামারি পর্যন্ত হয়ে গেল একবার। আর ওর অকাল মৃত্যু কতটুকু যে আচর কেটেছিল হৃদয়ে তা শুধুমাত্র শিশুমনই উপলবদ্ধি করতে পারে।

 একটা প্রাণীর জন্য আমাদের মায়ার শেষ নেই। না, খুব যে কোন উপকারের কথা ভেবে কুকুর-বেড়ালকে আদর করি তা নয় বরং কাছে থাকতে থাকতে, আদর করতে করতে ভালো বাসতে শুরু করি ওদের।

 অথচ মানুষ হয়েও আমরা কিন্তু সাধারণ মানুষদের জন্য দরদ অনুভব করি না। আমার এক কলিগকে সোমালিয়ার দূর্ভিক্ষপীড়িত দরিদ্র মানুষের কথা বলেছিলাম। তিনি ভ্রুকুটি করে বলেছিলেন, সভ্যতার উন্নতিতে ওদের কি কানাকড়িও অবদান আছে? তাহলে ওরা মরল কি বাঁচল তাতে আমাদের কি যায় আসে? ওরা জন্মেছেই কুকুরের মতো মরার জন্য।

 কথাটি তিনি পুরো সঠিক বলেন নি, কারন একটা কুকুরকে মরতে দেখলেও আমাদের চোখ আর্দ্র হয়ে ওঠে, বুক ভেঙ্গে বেরিয়ে আসে দীর্ঘনিঃশ্বাস, আহা! অবলা প্রাণী, না জানি কত কষ্ট পাচ্ছে। দরিদ্র মানুষগুলো মরণেও কুকুর বেড়ালের মতোও সহানুভূতি পায় না, অসহনীয় যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে, সভ্য সমাজের বিরক্তির কারণ হয়ে একসময় ওরা দূনিয়ার পাঠ শেষ করে। Continue reading “আর কত নীচে নামবে বন্ধু?”