সাত ভাই চম্পা জাগোরে…

ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিক ভাইয়েরা, আর কত ঘুমোবে তোমরা। ওঠো সাত ভাই, চম্পা যে আজ বন্দী হায়েনার শৃংখলে। শকুনের বিষাক্ত নখরে রক্তাক্ত বোনের চিৎকার ধ্বনি শুনবে কি পাও? তবে ওঠো, আর কত ঘুমাবে তোমরা, এবার জাগো, আদরের বোন চম্পার লজ্জা বাঁচাতে আরেকবার ঝাপিয়ে পরো।

কি দোস ছিল চম্পার? “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী” গাইতে গাইতে প্রভাতফেরী করে গিয়েছিল তোমাদের কাছে, গিয়েছিল তোমাদের স্মরণে, তোমাদের জানাতে হৃদয় গলানো শ্রদ্ধা। মায়ের মুখের ভাষাকে বাঁচাতে যে হায়েনার হাতে দিয়ে ছিলে প্রাণ বাহান্নে, সে হায়েনাদের উত্তরসূরীর হাতে আজ লাঞ্ছিত তোমার আদরের বোন। ওরা শহীদ মিনার বেদির কাছে হাত তুলেছে গায়ে, হাত তুলেছে বাবা আর ভাইয়ের সমুখে, ওরা মা-বোনদের বিবস্ত্র করে শতবর্ষের অযুহাতে, ওরা সেঞ্চুরি করে শত বোনের কৌমার্য হরণে। আর কত বোনের ইজ্জত নিলে তবেই তোমরা জাগবে বলো? তোমার মায়ের, তোমার বোনের লজ্জা বাঁচাতে আরেকবার পারো না কি উঠতে জেগে, যেমন জেগেছিলে বাহান্নে পাকহায়েনা প্রতিরোধে, যেমন জেগেছিলে ঊনসত্তরে, জেগেছিলে একাত্তরে বাংলা মায়ের টানে।

ওঠো, জাগো, ধর্ষক ছাত্রলীগের হাত থেকে তোমার আদরের চম্পাদের বাঁচাতে আরেকবার জেগে ওঠো।

সাত ভাই চম্পা জাগো, জাগোরে।