ফুঁসে উঠছে বাংলাদেশ

“আগামী তিন বছরে অর্থাৎ ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াটে, ২০১৩ সালের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াটে এবং ২০২১ সালে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে” রূপকল্প শুনিয়েছিলেন শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইস্তেহারে । রূপকল্প রূপকল্পই, কল্পকথা আর বাস্তবতার সাথে মিলন ঘটেনি কোন কালে, আজো ডিজিটাল শেখ হাসিনা সরকারের রূপকল্পও তার ব্যতিক্রম নয়। কল্পকাহিনীকে বিশ্বাসযোগ্য করতে কিছু নাটকীয়তার আশ্রয় নিতে হয়, লাইট ক্যামেরার কারসাজিতে জীবন্ত হয়ে ওঠে রূপকথা। শেখ হাসিনাও রূপকথার বিদ্যুৎঝলক দেখাতে নানাবিধ কর্মসূচীর চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছিলেন। তেল, গ্যাস, কয়লা, জলবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ও জৈবশক্তি, বায়ুশক্তি, সৌরশক্তি ও পারমানবিক শক্তিসহ জ্বালানির প্রতিটি উৎসের ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে গালভরা বুলি দিয়ে ব্যাপক করতালি অর্জন করেছিলেন। অথচ আজ দেশে এসব কোন শক্তিরই অস্তিত্ব চোখে পড়ে না, শুধুমাত্র চাপাশক্তির (চাপাবাজি) জোরে চলছে সরকার। Continue reading “ফুঁসে উঠছে বাংলাদেশ”

ডিজিটাল টাইমের ভূত নেমেছে

অবশেষে ডিজিটাল টাইমের ভুত নামল আওয়ামী লীগের ঘাড় থেকে। এক বছরের ভোগান্তি শেষে অবশেষে ডিজিটাল টাইমে দেশকে আবার টালমাটাল না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় মন্ত্রীপরিষদে। জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বলে সংবাদ পরিবেশন করছে বিডিনিউজ২৪.কম

অথচ গত বছর দেশের কেউ কেউ এর বিরুদ্ধে লিখেছিলেন, আমিও এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারকে বিরত থাকতে ব্লগ লিখেছিলাম “ঘড়ির কাটা যেন না হয় গলার কাঁটা” শিরোনামে। যদিও আওয়ামী তৈলবিদ আমলা ও মন্ত্রীদের কারনে অন্ধ হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তারপরও একটি বছরের ভোগান্তি শেষে যে জাতি ডিজিটাল ভূতের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে তাতেই আনন্দিত।

দিন বদলে রাত্রি নামে

চারিদিকে পরিবর্তনের হাওয়া। সব কিছু ক্যামন বদলে যায় দিনে দিনে। যে ছেলেটি পথে ঘাটে লম্বা করে সালাম দিত, তাকে দেখি বুক টান করে হাটে সিগারেট ফুঁকে ফুঁকে।

আগে সুবেহসাদেকের ঘোষণা দিত গৃহপালিত মোরগের দল। ইদানিং বিদ্যুতের আলোতে বিভ্রান্ত কোন কোন মোরগ অসময়েও ডেকে ওঠে, ভোর হওয়ার সুসংবাদ দেয়, যদিও অমন ভোরের অপেক্ষায় হয়তো ওত পেতে থাকে চোরছ্যাচরের দল। আবার কিছু কিছু মোরগতো  পুরোপুরি বিভ্রান্ত। দেহঘড়ির কাটা আগুপিছু করে ডাকাডাকির সময়ও পাল্টিয়ে ফেলেছে। আমাদের এ পাড়ার এক মোরগ নিয়ম করে প্রতি রাত সাড়ে এগারোটায় ডেকে ডেকে সকালের সুসংবাদ দেয়, ভারী অবাক ব্যাপার। Continue reading “দিন বদলে রাত্রি নামে”

ঘড়ির কাঁটা, যেন না হয় গলার কাঁটা

“Cut your coat according to your cloth”-এ প্রবাদে আমি বিশ্বাসী নই। টুপি বানানোর উপযুক্ত একটুকরো কাপড় কেটে যদি কেউ হাস্যকর কোট বানায় তবে তা শো-পিস হিসেবে সাজিয়ে রাখা ছাড়া আর কোন্ পুজোঁয় আসবে আমার জানা নেই। বরং কোট যদি বানাতেই হয় তবে শরীরের সাইজ অনুযায়ী বানানো উচিৰ এবং সে অনুযায়ী কাপড় জোগার করা উচিত। কিন্তু কৃচ্ছতাসাধনের জন্য কাপড় অনুযায়ী কোট কেটে কাপড়ের অপচয় করা কাম্য নয়। Continue reading “ঘড়ির কাঁটা, যেন না হয় গলার কাঁটা”