তিতাস একটি নদীর নাম

ট্রানজিটের নামে ভারতকে করিডোর দিতে খরস্রোতা তিতাস নদীকে হত্যা করা হয়েছে নির্মম নিষ্ঠুরতায়। নদীর জল শুকিয়ে গেলেও প্রতিবাদের বান ডেকেছে সাধারণ মানুষের মনে। বিপন্ন দেশ, বিক্ষুব্ধ দেশবাসী, প্রতিবাদমুখর দেশী-বিদেশী ছাত্র সমাজ। ভারতের কৃততদাস সরকারের নিষ্ঠুরতায় শুকিয়ে যাওয়া তিতাসের জল ঢেউ তুলেছে সুদূর সুইডেনবাসী ছাত্রদের হৃদয়সিন্দুতেও। তারই সচিত্র প্রতিবেদন দেখুন নীচের ভিডিওচিত্রঃ

কি করে একটি নদীকে গলা টিপে হত্যা করা যায় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ দেখতে পাবেন নীচের ভিডিওগুলিতে। এ তো কেবল একটি নদী হত্যা নয়, এ যেন এক গণহত্যা। অথচ কি আশ্চর্য, এমন বিপর্যয়ে পাশে নেই পরিবেশবাদীরা। ক্ষুধার তাড়নায় যারা অতিথি পাখি মারে, তাদের নিয়ে হৈ চৈ বাঁধাতে ওস্তাদ ওরা, দেশকে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করছে যে জাহাজভাঙ্গা শিল্প, পরিবেশ বিপর্যয়ের নামে তা রুদ্ধ করে দিতে আন্দোলনে নামে ওরা অথচ আজ দেশের প্রয়োজনে সেসব জ্ঞানপাপীরা মুখে কুলুপ এঁটেছে। থাকুক ওরা মুখ বুজে, থাকুক ওরা পেঁচার মতো মুখ লুকিয়ে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ষোল কোটি জনতার। আসুন তিতাস রক্ষায়, দেশরক্ষায় আমরাই গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলি।

Continue reading “তিতাস একটি নদীর নাম”

এশিয়ার রোল মডেল ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

“Good Fences Make Good Neighbors” আর প্রতিবেশী যদি হয় আকার-আকৃতি, অর্থ-প্রতিপত্তি, ধনে-মানে অনেক বেশী শক্তিশালী তবে সে সব প্রতিবেশীদের সাথে গড়ে তোলা উচিত “মান্দারগাছ সর্ম্পক”, অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় মাখামাখি না করাই শ্রেয়। মনে রাখা দরকার, বড়দের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক স্থাপনে ছোটরা উপকারের চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থই হয় বেশী।  সম্পর্ক যত বৃদ্ধি পায় ছোটদের রান্নাঘর-শোবারঘর সবকিছুতেই বড়দের একটা জোরজবরদস্তিমূলক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, অথচ বৈঠকখানা ডিঙ্গিয়ে অন্দরমহলে প্রবেশের সুযোগ মেলেনা অপেক্ষাকৃত দূর্বল প্রতিবেশীর। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে, বাজার সওদায়, ফুট-ফরমায়েশ খাটতে প্রতিনিয়ত ডাক পড়ে দূর্বল প্রতিবেশীর, যদিও কঠিন দূর্যোগেও সাধারণত বৃহৎ প্রতিবেশীরা ছোটদের খুব একটা উপকারে আসে না। তবে ব্যতিক্রম যে একেবারে নেই তা নয়, তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এসব কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। Continue reading “এশিয়ার রোল মডেল ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক”