পুরস্কারটা হাতছাড়া হয়ে গেল

মাধবীর ফোন পেয়ে হোন্ডায় ইউটার্ন নিলাম।
ট্রাফিক পুলিশকে পরোয়া করার সময় এটা নয়, আর পুলিশ যদি গতিরোধই করে তবে পুলিশের উদ্যত ফনার সামনে সাংবাদিক কার্ড নামের রক্ষাকবজটি ছুইয়ে দিলেই ল্যাটা চুকে যাবে।
স্পটের কাছাকাছি আসতেই চোখে পড়লো কালো ধোয়ার কুন্ডলী পাক খেয়ে খেয়ে ঢাকার বিষাক্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। Continue reading “পুরস্কারটা হাতছাড়া হয়ে গেল”

নব্য রাজাকারদের রুখো

কোটা মুক্ত বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে এমন উদ্বেগ ছিল উদ্যোক্তামহলে।
আন্তর্জাতিক শিশেষজ্ঞরাও বলেছেন একই কথা।
সরকার কোটামুক্ত বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশের সমস্যা ও সম্ভাবা যাচাইয়ের জন্য শতকোটি টাকা খরচ করে কনসালট্যান্ট নিয়োগ করেছিলো ফলাফল একই অথাৎ তারাও রিপোর্ট দিয়েছেন বাংলাদেশে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে। Continue reading “নব্য রাজাকারদের রুখো”

শ্রমিক নেতা শ্রমিকের পেটে লাথি দিতে পারে না

মামা বাড়িতে এলেন।
চৈত্রের কাঠ ফাটা রোদ্দুরকে মাথায় নিতে ঠিক দুপুর বেলা রিক্সায় করে থামলেন আমাদের বাসার সামনে।
বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা আমার এই মামা। শ্রমিক নেতা না হয়ে ফিল্মের নায়ক হলে বেশি মানাতো। দুধে আলতা দিলে কেমন হয় জানি না তবে এত সুন্দর গায়ের রঙ আশে পাশের দু’চার দশ গ্রামে কেউ দেখেছে কিনা আমার জানা নেই। সবার কাছে রাঙা ভাই নামে তিনি পরিচিত। Continue reading “শ্রমিক নেতা শ্রমিকের পেটে লাথি দিতে পারে না”

মাগো! আমি রাজনীতিবিদ হতে চাই

আবারো গার্মেন্টস অগি্নকান্ডে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন আমার মা, মায়ের উষ্ণ ভালোবাসায় মোড়ানো পবিত্র শরীর, ঝলসে গেছে কাজলা দিদির মেহেদী রাঙ্গানো হাত, স্বপ্ন মাখানো নিষ্পাপ মুখখানি, হারিয়ে গেছে বিপদে আপদে ছায়াদানকারী বাবা নামের বটবৃক্ষটা। ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে কারো কোলে আর ঝাপিয়ে পরা হবে না, কেউ আর দুধমাখা ভাত মুখে তুলে দেবে না। অভিমান করে বাবাকে আর বলা হবে না, “টুকটুকে লাল জামা না হলে এবার আর ঈদই করবো না বাবা”। কাজলা দিদির গলা জড়িয়ে শুয়ে শুয়ে সুয়োরানী-দুয়োরানীর গল্প শোনা হবে না আর। জ্বরতপ্ত কপালে শীতল হাত রেখে কেউ আর শুষে নেবে না আমার সকল দুঃখ, কষ্ট, বেদনা।
আমি যে দিকে তাকাই, আমার মায়ের ঝলসানো বিভৎস্য মুখখানি দেখতে পাই। বহুদূর থেকে মা যেন বলেন, খোকা, “সোনা মানিক আমার, আয় দু’টো দুধ মাখা ভাত খেয়ে যা”। Continue reading “মাগো! আমি রাজনীতিবিদ হতে চাই”