খালেদা জিয়ার বাজেট প্রস্তাবনা

উপস্থিত সহকর্মী, সুধী, এক্সিলেন্সিস, সাংবাদিকবৃন্দ,
আস্সালামু আলাইকুম।
৭ জুন ২০১০ সালে চলতি অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কে আমাদের কিছু চিন্তা-ভাবনা ও বাজেট প্রস্তাবনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম। আমাদের এই বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপনের পেছনে উদ্দেশ্য ছিল জাতির ভবিষ্যত সম্পর্কে আমাদের ধ্যান-ধারণা তুলে ধরা। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতির সামনে একটি দিক-দর্শন তুলে ধরা আমরা দায়িত্ব মনে করি। সেই চিন্তা থেকেই আমরা গত বছর বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার আমাদের ধারণাগুলোকে কোনো গুরুত্বই দেয় নি। যার ফলে আজ সামষ্টিক অর্থনীতির সকল সূচক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এক কথায় দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়েছে। বিগত দুই দশকেও একই অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকসমূহ এমন বিপর্যয়ে পড়েনি। যাইহোক, বিদায়ী অর্থছরের মতো আমরা এবারও একই আঙ্গিকে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী অর্থবছরের উপর বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় আমরা এমন এক প্রেক্ষাপটে এই প্রস্তাবনা উত্থাপন করছি যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আদালতের রায়ের অজুহাতে বাতিলের ঘোষণা দিয়ে সুষ্ঠু বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ রূদ্ধ করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্তব্ধ করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। আমরা একদিকে যেমন রাজপথের সংগ্রামে রয়েছি, তেমনি তার পাশাপাশি আমাদের জাতি গঠনমুলক কর্মকাণ্ড সকল প্রতিকূলতার মধ্যেও অব্যাহত রাখতে চাই। Continue reading “খালেদা জিয়ার বাজেট প্রস্তাবনা”

মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট

ফাটাকেষ্ট খবর পড়ে না, খবর দেখে না, খবর তৈরী করে। গুন্ডা ফাটাকেষ্ট মিনিস্টার হয়ে রাতারাতি পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির ভাঙ্গা  মেরুদন্ড সোজা করে দেন, অফিস আদালত থেকে দূর্ণীতি ঝেটিয়ে বিদেয় করেন, সন্ত্রাসের মুখে ঝামা ঘষে রাস্তাঘাট, পাড়া মহল্লা,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তীর্থস্থান সবখানে শান্তি ফিরিয়ে আনেন । যেখানে অসঙ্গতি, সেখানেই ফাটাকেষ্টর সরব উপস্থিতি; কখনো বা অগ্নিমূর্তি হয়ে, কখনো বা ছদ্মবেশে। আর যতসব অনিয়ম অসঙ্গতি অন্যায় দেখেন, মারেন সেখানে, লাশ পড়ে শশ্বানে। তবে এ সবকিছুই সম্ভব হয় চলচ্চিত্রে, বাস্তবে সবকিছুই ফিঁকে, ফাটাকেষ্টোরা থেকে যায় শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের স্বপ্নের জগতে। কিন্তু হঠাৎ করে কেউ যদি ফাটাকেষ্টোর মতোই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়, আর দশজন রাজনীতিকের মতো শানশওকতের সাথে না চলে সাধারণ মানুষের কাতারে দাড়ায়, সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে বেড়ায়, তখন মানুষের বিস্ময়ের সীমা থাকে না। আর তেমনই এক বিস্ময়ের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা মূখ্যমন্ত্রী। মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট। Continue reading “মমতা দ্য ফাটাকেষ্ট”

খালেদা জিয়া মেট্রিক ফেল : ড. শেখ হাসিনা

অসংখ্য ডক্টরেট ডিগ্রী ও জ্ঞানের মহা জঞ্জালের চাপে মাঝে মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে মহামূল্যবান বাণী বেরিয়ে আসে। যেমন আজ তিনি জাতিকে জানালেন, “বেগম খালেদা জিয়া মেট্রিকে ফেল করেছিলেন। তাই তিনি পাশ করেন নাই, কাজেই আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা পাশ করবে কেন? বলি আমি পারি নাই, তোরা পারবি কেন?”  তবে নিন্দুকেরা বলেন, শিক্ষাই আলো। যার মাঝে যতটুকু শিক্ষা আছে সমাজ তার দ্বারা ততটুকু আলোকিত হয়। মানুষের কথাবার্তা, আচার আচরণেই শিক্ষাদীক্ষার কিরণ বিচ্ছুরিত হয়। আর গ্রামগঞ্জের স্বল্পশিক্ষিত বাসের ড্রাইভার হেল্পার কিংবা হোটেল রেস্তোরার কর্মচারীরাও জানে, ব্যবহারেই বংশের পরিচয় কিংবা বলা যায় শিক্ষা-দীক্ষার পরিচয়।” তবে মহাজ্ঞানী শেখ হাসিনার পক্ষে এত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় স্মরণে রাখা আদৌ সম্ভব কি না তাই ভাবনার বিষয়।

যারা বেশি জ্ঞানী তাদের কিছু ছোটখাট সমস্যা আছে। বিশেষকরে বিজ্ঞানীদের ভুলো মন নিয়ে অনেক গল্প আছে। আইনস্টাইন তো এমন ভুলো মনের ছিলেন যে নিজের বাসার ঠিকানাই ভুলে যেতেন। তবে বিজ্ঞানীদের বৌদের ভুলোমন নিয়ে তেমন কিছু শোনা যায় না। সম্ভবত তাদের এক্ষেত্রে আরো এক ডিগ্রী উপরে থাকার কথা, ঠিক নাপিতের বৌদের মতো। বিজ্ঞানী ওয়াজেদের জেদী বৌয়েরও এ ধরণের ছোটখাট কিছু সমস্যা আছে, যা তিনি বুঝতে পারেন না। Continue reading “খালেদা জিয়া মেট্রিক ফেল : ড. শেখ হাসিনা”